hadith book logo

অন্তরের আমল দ্বীনদারি

লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪০

সুন্নাতের অনুকরণ করা এবং বিদ‘আত পরিহার করা:

আল্লামা আওযায়ী রহ. বলেন, আমরা আমাদের যুগে এ আলোচনা করতাম যে, যখন কোন ব্যক্তি কোন বিদআত বিষয়ে কথা বলত, তখন তার তাকওয়া ও দ্বীনদারি চিনিয়ে নেয়া হত [কালামীদের দূর্ণাম বিষয়ে হাদীসসমূহ: ১২৭.]।

আবু মুজাফ্ফর আস-সামআনী রহ. আহলে কালামীদের সমালোচনা করতে গিয়ে বলেন, কোন কালামীকে আজ পর্যন্ত দেখা যায়নি, তার কালাম ও তার চিন্তা-চেতনা তাকে দ্বীনের ব্যাপারে দ্বীনদারির দিকে নিয়ে গেছে অথবা তারা পারস্পরিক লেন-দেনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে ভয় করছে। অথবা চলার পথে তারা বক্রতাকে বাদ দিয়ে সঠিক পথ অবলম্বন করছে এবং দুনিয়ার মায়া ছেড়ে আখিরাতমুখি হয়েছে, বা কোন হারাম ও সন্দেহযুক্ত বস্তু হতে বিরত থাকছে। তারা তাদের ইবাদত বন্দেগীতে এখলাস বা একাগ্রতা অবলম্বন করার কোন দৃষ্টান্ত আজ পর্যন্ত দেখাতে পারেনি। আর তাদের কালাম আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি আনুগত্যটাকে বাড়িয়ে দিয়েছে অথবা তার কালাম তাকে কোন নাফরমানি বা অপরাধ থেকে ফিরিয়ে রাখছে এ রকম কোন নজির তারা প্রমাণ করতে পারেনি [আল-ইন্তিসার লি-আসহাবিল হাদীস: ৬৫.]। এ ধরনের কালামী পাওয়া যায় না বললেই চলে। মোট কথা কালামীদের কাউকেই তাদের কালাম কোন উপকার করতে পারেনি। তবে দু-একজন হয়তো ব্যতিক্রম থাকতে পারে।