১
অন্তরের আমল দ্বীনদারি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
মানুষের অবস্থার পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে পরহেজগারি ও দ্বীনদারির পরিবর্তন হয়:
মানুষের অবস্থার প্রেক্ষাপটে দ্বীনদারির সংজ্ঞা ও অবস্থারও পরিবর্তন হয়। একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, মান-মর্যাদা ও বয়স ইত্যাদি ভেদাভেদের কারণে দ্বীনদারিরও ভেদাভেদ ও পার্থক্য হয়।
যারা বয়সে ছোট তাদের দ্বীনদারি হল, বড়দের কার্য-কলাপ নিয়ে মাথা ঘামাবে না। তাদের কোন বিষয়ে তারা কোন মতামত দেবে না। আর যারা বড়, অভিজ্ঞ, জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান তাদের দ্বীনদারি হল, চুপ করে না থাকা। তারা তাদের মতামত ব্যক্ত করবে এবং যারা দায়িত্বশীল সরদার মাতবর তাদের সঠিক পরামর্শ দেবে। যাতে তারা কোন ভুল সিদ্ধান্ত জাতির উপর চাপিয়ে দিতে না পারে।
অনুরূপভাবে একজন জাহেল ও আলেমের দ্বীনদারি এক হতে পারে না। তাদের উভয়ের দ্বীনদারিতে অনেক তফাত আছে। একজন জাহেল লোক যা করতে পারে একজন আলেম তা করতে পারে না। একজন জাহেল ও আলেমের মধ্যে পার্থক্য হওয়াটা স্বাভাবিক। অনুরূপভাবে যারা দায়িত্বশীল তাদের কাজ ও সাধারণ জনগণের কাজ এক হতে পারে না। দায়িত্বশীলরা যদি কোন ভুল করে তাহলে তাদের ভুলের খেসারত তাদের অধীনস্থ সবাইকে দিতে হবে। আর সাধারণ মানুষের ভুলের খেসারত কাউকে নিতে হয় না। সমাজে যখন কোন অন্যায় ও অপকর্ম হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়, তখন দায়িত্বশীলরা তা প্রতিহত করতে, সাধারণ মানুষকে তাদের সাথে সম্পৃক্ত করবে। কিন্তু সাধারণ মানুষ এ ধরনের প্রেক্ষাপটে দায়িত্বশীল হতে পারে না। আলেমদের কাজ কোন চুপ করে বসে থাকা নয়। তাদের কাজ হল, তারা মানুষকে দিক নির্দেশনা দেবে এবং দায়িত্বশীলদের ভুল ধরিয়ে দিবে।
আল্লামা হুবাতুল্লাহিল মুকরি রহ. বলেন, একজন আলেমের দ্বীনদারি হল, প্রয়োজনের সময় কথা বলা। আর একজন জাহেলের দ্বীনদারি হল, চুপ থাকা [আল্লামা মুকরী রহ. এর নাছেখ ও মানছুখ ৩৮.]।
যদি কোন আলেম প্রয়োজনের সময় কথা না বলে, তাহলে তাকে বোবা শয়তান বলা চলে। আর জাহেলের কথার কোন দাম নাই। সে যখন কথা বলবে তখন উল্টা-পাল্টা কথা বলবে।
আল্লামা ইবন উয়াইনাহকে দ্বীনদারি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, উত্তরে তিনি বলেন, দ্বীনদারি হল, যে ইলম দ্বারা দ্বীনদারিকে জানা যায়, সে ইলমের অনুসন্ধান করা। আর তা হল কারো কারো মতে অধিক চুপ থাকা এবং কথা কম বলা। অনুরূপভাবে তিনি আরও বলেন, একজন জ্ঞানী যে কথা বলে, সে আমার নিকট একজন জাহেল থেকে উত্তম যে কথা না বলে চুপ থাকে [হুলিয়াতুল আওলিয়া: ২৯৯/৭.]।
যারা বয়সে ছোট তাদের দ্বীনদারি হল, বড়দের কার্য-কলাপ নিয়ে মাথা ঘামাবে না। তাদের কোন বিষয়ে তারা কোন মতামত দেবে না। আর যারা বড়, অভিজ্ঞ, জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান তাদের দ্বীনদারি হল, চুপ করে না থাকা। তারা তাদের মতামত ব্যক্ত করবে এবং যারা দায়িত্বশীল সরদার মাতবর তাদের সঠিক পরামর্শ দেবে। যাতে তারা কোন ভুল সিদ্ধান্ত জাতির উপর চাপিয়ে দিতে না পারে।
অনুরূপভাবে একজন জাহেল ও আলেমের দ্বীনদারি এক হতে পারে না। তাদের উভয়ের দ্বীনদারিতে অনেক তফাত আছে। একজন জাহেল লোক যা করতে পারে একজন আলেম তা করতে পারে না। একজন জাহেল ও আলেমের মধ্যে পার্থক্য হওয়াটা স্বাভাবিক। অনুরূপভাবে যারা দায়িত্বশীল তাদের কাজ ও সাধারণ জনগণের কাজ এক হতে পারে না। দায়িত্বশীলরা যদি কোন ভুল করে তাহলে তাদের ভুলের খেসারত তাদের অধীনস্থ সবাইকে দিতে হবে। আর সাধারণ মানুষের ভুলের খেসারত কাউকে নিতে হয় না। সমাজে যখন কোন অন্যায় ও অপকর্ম হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়, তখন দায়িত্বশীলরা তা প্রতিহত করতে, সাধারণ মানুষকে তাদের সাথে সম্পৃক্ত করবে। কিন্তু সাধারণ মানুষ এ ধরনের প্রেক্ষাপটে দায়িত্বশীল হতে পারে না। আলেমদের কাজ কোন চুপ করে বসে থাকা নয়। তাদের কাজ হল, তারা মানুষকে দিক নির্দেশনা দেবে এবং দায়িত্বশীলদের ভুল ধরিয়ে দিবে।
আল্লামা হুবাতুল্লাহিল মুকরি রহ. বলেন, একজন আলেমের দ্বীনদারি হল, প্রয়োজনের সময় কথা বলা। আর একজন জাহেলের দ্বীনদারি হল, চুপ থাকা [আল্লামা মুকরী রহ. এর নাছেখ ও মানছুখ ৩৮.]।
যদি কোন আলেম প্রয়োজনের সময় কথা না বলে, তাহলে তাকে বোবা শয়তান বলা চলে। আর জাহেলের কথার কোন দাম নাই। সে যখন কথা বলবে তখন উল্টা-পাল্টা কথা বলবে।
আল্লামা ইবন উয়াইনাহকে দ্বীনদারি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, উত্তরে তিনি বলেন, দ্বীনদারি হল, যে ইলম দ্বারা দ্বীনদারিকে জানা যায়, সে ইলমের অনুসন্ধান করা। আর তা হল কারো কারো মতে অধিক চুপ থাকা এবং কথা কম বলা। অনুরূপভাবে তিনি আরও বলেন, একজন জ্ঞানী যে কথা বলে, সে আমার নিকট একজন জাহেল থেকে উত্তম যে কথা না বলে চুপ থাকে [হুলিয়াতুল আওলিয়া: ২৯৯/৭.]।