hadith book logo

অন্তরের আমল দ্বীনদারি

লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৩

সালেহীনদের দ্বীনদারির কতক দৃষ্টান্ত

আমরা আমাদের পূর্ব মনীষীদের তাকওয়া ও দ্বীনদারি বিষয়ে জানার মাধ্যমে উপদেশ গ্রহণ করতে পারি। পূর্ব মনীষীদের ঘটনা জানা দ্বারা মানুষের অন্তর নরম হয় এবং তারা হককে কবুল করতে অভ্যস্ত হয়। এ কারণেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কাফেরদের নিকট পূর্বের নবী ও রাসূলদের ঘটনা তুলে ধরেন। নবী ও রাসূলদের বিরোধিতা করার পরিণতি এবং তাদের আনুগত্য করার সুফল কি তা আলোচনা করেন, যাতে মানুষ তাদের ঘটনা থেকে উপদেশ গ্রহণ করে। আমরা এখানে আমাদের সালফে সালেহীনদের দ্বীনদারীর কতক দৃষ্টান্ত আলোচনা করব, যাতে আমরা আমাদের নিজেদের জীবনে তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পরহেজগার ও দ্বীনদার হতে পারি।

আমাদের সালফে সালেহীনদের মধ্যে অনেকেই দ্বীনদারির গুণে গুণান্বিত ছিলেন। কিন্তু তা স্বত্বেও তারা কখনোই নিজেদের পরহেজগার হিসেবে দাবি করতেন না। বরং, তারা তাদের থেকে এ ধরনের কোন গুণকে প্রত্যাখ্যান করতেন। কারণ, তারা জানতেন পরহেজগার হওয়া অত্যন্ত কঠিন কাজ; পরহেজগার হতে হলে অনেক সাধনা করতে হয় এবং অনেক কষ্ট সাধন করতে হয়।

আল্লামা শাবী রহ. বলতেন, হে ওলামাদের দল! হে ফকীহদের দল! তোমরা মনে রাখবে- আমরা আলেম কিংবা ফকীহ কোনটাই নই, বরং আমরা হলাম এমন সম্প্রদায়ের লোক, যারা একটি হাদিস শুনেছি তারপর আমরা যা শুনলাম তা তোমাদের নিকট বর্ণনা করলাম। ফকীহতো সে ব্যক্তি যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যা নিষেধ করেছেন, তা হতে বিরত থাকে। আর আলেমতো সে ব্যক্তি যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে ভয় করে।

চিন্তা করে দেখুন, আল্লাম শাবির মত এমন একজন মহা মণীষি সে তার নিজের ব্যাপারে কি ধরনের চিন্তা করেন এবং মানুষকে তাদের সম্পর্কে কি জানিয়ে দেন [হুলিয়াতুল আওলিয়া ৩১১.]।

নীচে তোমাদের জন্য আমাদের সালফে সালেহীনদের তাকওয়া ও দ্বীনদারির কিছু দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হল: