১
অন্তরের আমল দ্বীনদারি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৯
অনুশীলনী
তোমার সামনে দুই ধরনের প্রশ্ন পেশ করা হল, এক ধরনের প্রশ্ন যে গুলোর উত্তর তুমি সাথে সাথে দিতে পারবে। আর এক ধরনের প্রশ্নের উত্তর তুমি সাথে সাথে দিতে পারবে না, বরং তোমাকে একটু চিন্তাভাবনা করে উত্তর দিতে হবে।
প্রথম প্রকার প্রশ্ন:
১. যে দ্বীনদারি অবলম্বন করা ওয়াজিব তা কি?
২ দ্বীনদারির চারটি স্তর আছে, সে গুলো কি তা উল্লেখ কর! এবং প্রতিটি স্তরের সংজ্ঞা উল্লেখ কর।
৩. দ্বীনদারি অবলম্বনের ফজিলতের উপর তিনটি হাদিস উল্লেখ কর।
৪. বিচার কাজে দ্বীনদারি থাকা শর্ত। এ শর্তটি কি কারণে আরোপ করা হয়ে থাকে।
৫. সালেহীনদের তাকওয়ার তিনটি দৃষ্টান্ত আলোচনা কর।
৬. দ্বীনদারি অবলম্বনের পাঁচটি ফায়েদা আলোচনা কর।
৭. দ্বীনদারি অবলম্বনের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি কি তা আলোচনা কর। এ বিষয়ে কয়েকটি দৃষ্টান্ত আলোচনা কর।
৮. ইমাম ইবনুল কাইয়ুম রহ. দ্বীনদারির যে সংজ্ঞা দেন, তা কি? আলোচনা কর।
৯. তাকওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের যে প্রকারভেদ আছে তা আলোচনা কর।
১০. ওয়াসওয়াসা অবলম্বনকারীদের ওয়াসওয়াসা বিষয়ে দুটি দৃষ্টান্ত আলোচনা কর।
দ্বিতীয় প্রকার প্রশ্ন:
১- দ্বীনদারির হাকীকত কি?
২- ঝগড়া-বিবাদ ছেড়ে দেয়া কিভাবে তাকওয়া অবলম্বনের কারণ হতে পারে?
৩- দ্বীনদারি অবলম্বন করা সন্দেহযুক্ত বিষয়সমূহ হতে বিরত রাখার কারণ হয়ে থাকে। বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে আলোচনা করুন।
৪- উপরে উল্লেখিত কারণগুলো ছাড়া এমন কিছু কারণ উল্লেখ কর যেগুলো অবলম্বন দ্বারা তাকওয়া অর্জন হয়।
৫- কিছু কিতাবের নাম উল্লেখ কর, যেগুলোতে দ্বীনদারি বিষয়ে আলোচনা করাকে খুব গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছে।
৬. একটি ঘটনা উল্লেখ কর, যা প্রমাণ করে যে দ্বীনদারি যেভাবে প্রকাশ্যে হয় এভাবে গোপনেও হয়ে থাকে।
৭. একজন মুসলিমের জন্য শুধু অন্তরের তাকওয়া যথেষ্ট কিনা? বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা কর।
প্রথম প্রকার প্রশ্ন:
১. যে দ্বীনদারি অবলম্বন করা ওয়াজিব তা কি?
২ দ্বীনদারির চারটি স্তর আছে, সে গুলো কি তা উল্লেখ কর! এবং প্রতিটি স্তরের সংজ্ঞা উল্লেখ কর।
৩. দ্বীনদারি অবলম্বনের ফজিলতের উপর তিনটি হাদিস উল্লেখ কর।
৪. বিচার কাজে দ্বীনদারি থাকা শর্ত। এ শর্তটি কি কারণে আরোপ করা হয়ে থাকে।
৫. সালেহীনদের তাকওয়ার তিনটি দৃষ্টান্ত আলোচনা কর।
৬. দ্বীনদারি অবলম্বনের পাঁচটি ফায়েদা আলোচনা কর।
৭. দ্বীনদারি অবলম্বনের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি কি তা আলোচনা কর। এ বিষয়ে কয়েকটি দৃষ্টান্ত আলোচনা কর।
৮. ইমাম ইবনুল কাইয়ুম রহ. দ্বীনদারির যে সংজ্ঞা দেন, তা কি? আলোচনা কর।
৯. তাকওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের যে প্রকারভেদ আছে তা আলোচনা কর।
১০. ওয়াসওয়াসা অবলম্বনকারীদের ওয়াসওয়াসা বিষয়ে দুটি দৃষ্টান্ত আলোচনা কর।
দ্বিতীয় প্রকার প্রশ্ন:
১- দ্বীনদারির হাকীকত কি?
২- ঝগড়া-বিবাদ ছেড়ে দেয়া কিভাবে তাকওয়া অবলম্বনের কারণ হতে পারে?
৩- দ্বীনদারি অবলম্বন করা সন্দেহযুক্ত বিষয়সমূহ হতে বিরত রাখার কারণ হয়ে থাকে। বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে আলোচনা করুন।
৪- উপরে উল্লেখিত কারণগুলো ছাড়া এমন কিছু কারণ উল্লেখ কর যেগুলো অবলম্বন দ্বারা তাকওয়া অর্জন হয়।
৫- কিছু কিতাবের নাম উল্লেখ কর, যেগুলোতে দ্বীনদারি বিষয়ে আলোচনা করাকে খুব গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছে।
৬. একটি ঘটনা উল্লেখ কর, যা প্রমাণ করে যে দ্বীনদারি যেভাবে প্রকাশ্যে হয় এভাবে গোপনেও হয়ে থাকে।
৭. একজন মুসলিমের জন্য শুধু অন্তরের তাকওয়া যথেষ্ট কিনা? বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা কর।