১
জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা
লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
৫) আল্লাহ তাআলা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সম্মান ও গুরত্ব প্রদানকৃত জিনিসকে সম্মান ও গুরত্ব দেয়া এবং আজীবন উহার উপর অবিচল থাকার চেষ্টা করা
জামাআতে নামায আদায় করা অতি মর্যাদা সম্পন্ন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণ পরিস্থিতিতেই শুধু নামাযের আদেশ করা হয় নি বরং যুদ্ধ ও ভয়-ভীতির সময়ও উহা আদায় করতে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেনঃ
﴿وَإِذَا كُنْتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلاةَ فَلْتَقُمْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُوا فَلْيَكُونُوا مِنْ وَرَائِكُمْ وَلْتَأْتِ طَائِفَةٌ أُخْرَى لَمْ يُصَلُّوا فَلْيُصَلُّوا مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا حِذْرَهُمْ وَأَسْلِحَتَهُمْ ..﴾
যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকেন, অতঃপর নামাযে দাঁড়ান, তখন যেন একদল আপনার সাথে দাঁড়ায় এবং তারা যেন স্বীয় অস্ত্র সাথে নেয়। অতঃপর যখন তারা সেজদাহ্ সম্পন্ন করে, তখন আপনার কাছে থেকে যেন সরে যায় এবং অন্য দল যেন আসে, যারা নামায পড়েনি, অতঃপর তারা যেন আপনার সাথে নামায পড়ে এবং আত্মরক্ষার হাতিয়ার সাথে নেয়। [-সূরা নিসা: ১০২। টিকাঃ কি কি কারণে জামাআত ছাড়া যায় বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় তা আলোচিত হয়েছে।]
এমনিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম জামাআতে নামায আদায় করার ব্যাপারে অত্যাধিক গুরুত্ব সহকারে আদেশ প্রদান করেছেন। উহার প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছেন। সফর অবস্থায় ও মৃত্যুরোগে আক্রান্ত অবস্থায়ও তিনি জামাআতে নামায আদায় করার প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। বিনা কারণে জামাআত ছাড়ার অনুমতি দেননি। একজন অন্ধ সাহাবী রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে এসে জামাআতের সাথে নামায আদায় না করার অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেন, আমার বাড়ি বহুদূরে এবং আমাকে মাসজিদে নিয়ে আসার মত কেউ নেই। তাছাড়া রাস্তাতে রয়েছে পোকা-মাকড় ও আক্রমণাত্বক প্রাণী আরও অন্যান্য কারণসমূহ। রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বললেন, তুমি কি আযান শুনতে পাও। তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমি আযান শুনতে পাই। রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বললেন, তবে তুমি তাতে সাড়া দাও। অর্থাৎ তুমি জামাআতে এসো নামায আদায় কর। অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বললেন, আমি তাঁর জন্যে কোন অনুমতি দেখতে পাই না। [- মুখতাসার মুসলিম ৩২১ পৃ:, আবু দাউদ ৫১৬ পৃ:।]
আমের বিন আবদুল্লাহ বিন যোবায়ের (রাঃ) যখন নামাযের জন্যে আযান শ্রবণ করতে পেতেন তিনি তাতে স্বয়ং যাওয়ার জন্যে চেষ্টা করতেন। না যেতে পারলে বলতেন, আমার হাত ধরে আমাকে মাসজিদে নিয়ে চল, তাকে বলা হল আপনি তো অসুস্থ? তিনি বললেন, আমি আল্লাহর প্রতি আহবানকারীর ডাক শুনতে পাব আর তাতে সাড়া দেব না? অতঃপর তাঁর হাত ধরে মাসজিদে নিয়ে যাওয়া হল এবং সে মাগরিবের নামাযে ইমামের
সাথে শরীক হয়ে এক রাকাআত নামায আদায় করার পর তাঁর মৃত্যু হয়ে গেল। [- সিয়ারু আলামিন্নুবালা (মহা মনিষীদের জীবন চরিত) ৫ম খন্ড: পৃ: ২১৯।]
﴿وَإِذَا كُنْتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلاةَ فَلْتَقُمْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُوا فَلْيَكُونُوا مِنْ وَرَائِكُمْ وَلْتَأْتِ طَائِفَةٌ أُخْرَى لَمْ يُصَلُّوا فَلْيُصَلُّوا مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا حِذْرَهُمْ وَأَسْلِحَتَهُمْ ..﴾
যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকেন, অতঃপর নামাযে দাঁড়ান, তখন যেন একদল আপনার সাথে দাঁড়ায় এবং তারা যেন স্বীয় অস্ত্র সাথে নেয়। অতঃপর যখন তারা সেজদাহ্ সম্পন্ন করে, তখন আপনার কাছে থেকে যেন সরে যায় এবং অন্য দল যেন আসে, যারা নামায পড়েনি, অতঃপর তারা যেন আপনার সাথে নামায পড়ে এবং আত্মরক্ষার হাতিয়ার সাথে নেয়। [-সূরা নিসা: ১০২। টিকাঃ কি কি কারণে জামাআত ছাড়া যায় বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় তা আলোচিত হয়েছে।]
এমনিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম জামাআতে নামায আদায় করার ব্যাপারে অত্যাধিক গুরুত্ব সহকারে আদেশ প্রদান করেছেন। উহার প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছেন। সফর অবস্থায় ও মৃত্যুরোগে আক্রান্ত অবস্থায়ও তিনি জামাআতে নামায আদায় করার প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। বিনা কারণে জামাআত ছাড়ার অনুমতি দেননি। একজন অন্ধ সাহাবী রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে এসে জামাআতের সাথে নামায আদায় না করার অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেন, আমার বাড়ি বহুদূরে এবং আমাকে মাসজিদে নিয়ে আসার মত কেউ নেই। তাছাড়া রাস্তাতে রয়েছে পোকা-মাকড় ও আক্রমণাত্বক প্রাণী আরও অন্যান্য কারণসমূহ। রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বললেন, তুমি কি আযান শুনতে পাও। তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমি আযান শুনতে পাই। রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বললেন, তবে তুমি তাতে সাড়া দাও। অর্থাৎ তুমি জামাআতে এসো নামায আদায় কর। অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বললেন, আমি তাঁর জন্যে কোন অনুমতি দেখতে পাই না। [- মুখতাসার মুসলিম ৩২১ পৃ:, আবু দাউদ ৫১৬ পৃ:।]
আমের বিন আবদুল্লাহ বিন যোবায়ের (রাঃ) যখন নামাযের জন্যে আযান শ্রবণ করতে পেতেন তিনি তাতে স্বয়ং যাওয়ার জন্যে চেষ্টা করতেন। না যেতে পারলে বলতেন, আমার হাত ধরে আমাকে মাসজিদে নিয়ে চল, তাকে বলা হল আপনি তো অসুস্থ? তিনি বললেন, আমি আল্লাহর প্রতি আহবানকারীর ডাক শুনতে পাব আর তাতে সাড়া দেব না? অতঃপর তাঁর হাত ধরে মাসজিদে নিয়ে যাওয়া হল এবং সে মাগরিবের নামাযে ইমামের
সাথে শরীক হয়ে এক রাকাআত নামায আদায় করার পর তাঁর মৃত্যু হয়ে গেল। [- সিয়ারু আলামিন্নুবালা (মহা মনিষীদের জীবন চরিত) ৫ম খন্ড: পৃ: ২১৯।]