১
জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা
লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
মুখবন্ধ
সকল প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্যে। তাঁর কাছে সাহায্য ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি। তাঁরই কাছে তওবা করছি। আমাদের অন্তরের অনিষ্টতা থেকে তাঁর কাছে আশ্রয় চাই আরও আশ্রয় চাই আমাদের কর্মের খারাপ পরিণতি হতে। নিশ্চয় তিনি যাকে হেদায়াত দান করেন কেউ তাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে না এবং যাকে পথভ্রষ্ট করেন কেউ তাকে হেদায়াত দিতে পারে না। আমি এ সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, তিনি ছাড়া সত্য কোন মাবুদ নেই, তাঁর কোন শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রেরীত রাসূল ও বান্দা। আল্লাহ তাঁর প্রতি তাঁর পরিবারবর্গ এবং সাহাবীদের প্রতি অসংখ্য শান্তি বর্ষণ করুন।
এ সংক্ষিপ্ত পুস্তিকাটি জামাআতের সাথে নামায আদায়ের ফযীলত ও তার উপকারিতা সম্পর্কে। এতে আমি চল্লিশটি উপকারিতা একত্রিত করেছি। এগুলোর স্বপক্ষে কুরআন ও হাদীস হতে সঠিক প্রমাণ উল্লেখ করেছি এবং এ দুটি প্রমাণই যেহেতু ওহী তাই দলীল হিসেবে এ দুটিকেই যথেষ্ট মনে করেছি। এ দুটি দলীল ব্যতীত অন্য দলীল এ জন্যে উল্লেখ করিনি যাতে পুস্তিকাটি বেশি বড় না হয় এবং যাতে উপকারিতাগুলো অনুধাবন করতে অতি সহজ হয়।
আমি এ বিষয়ে পুস্তক লিখতে এ জন্যে অগ্রসর হলাম যে, বহু মুসলিম দেশে মুসলমানদের অবস্থা দেখলাম যে তারা জামাআতে নামাযের প্রতি অত্যন্ত অনিহা প্রকাশ করছে, যা মাসজিদ সমূহকে ধ্বংসের প্রতি ঠেলে দিচ্ছে এবং মাসজিদের আবাদ খুবই কমে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়; বরং মাসজিদের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। আমি আরব রাষ্ট্রের কোন একটি শহর পরিদর্শন করে দেখলাম তাতে প্রায় ত্রিশ হাজার লোক বাস করছে কিন্তু তাতে মাত্র চারটি মাসজিদ রয়েছে। তা সত্বেও জুমআর দিনও মাসজিদ মুছল্লি দ্বারা পূর্ণতা লাভ করে না । আল্লাহ আমাদের সহায়তা করুন।
এ সংক্ষিপ্ত পুস্তিকাটি জামাআতের সাথে নামায আদায়ের ফযীলত ও তার উপকারিতা সম্পর্কে। এতে আমি চল্লিশটি উপকারিতা একত্রিত করেছি। এগুলোর স্বপক্ষে কুরআন ও হাদীস হতে সঠিক প্রমাণ উল্লেখ করেছি এবং এ দুটি প্রমাণই যেহেতু ওহী তাই দলীল হিসেবে এ দুটিকেই যথেষ্ট মনে করেছি। এ দুটি দলীল ব্যতীত অন্য দলীল এ জন্যে উল্লেখ করিনি যাতে পুস্তিকাটি বেশি বড় না হয় এবং যাতে উপকারিতাগুলো অনুধাবন করতে অতি সহজ হয়।
আমি এ বিষয়ে পুস্তক লিখতে এ জন্যে অগ্রসর হলাম যে, বহু মুসলিম দেশে মুসলমানদের অবস্থা দেখলাম যে তারা জামাআতে নামাযের প্রতি অত্যন্ত অনিহা প্রকাশ করছে, যা মাসজিদ সমূহকে ধ্বংসের প্রতি ঠেলে দিচ্ছে এবং মাসজিদের আবাদ খুবই কমে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়; বরং মাসজিদের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। আমি আরব রাষ্ট্রের কোন একটি শহর পরিদর্শন করে দেখলাম তাতে প্রায় ত্রিশ হাজার লোক বাস করছে কিন্তু তাতে মাত্র চারটি মাসজিদ রয়েছে। তা সত্বেও জুমআর দিনও মাসজিদ মুছল্লি দ্বারা পূর্ণতা লাভ করে না । আল্লাহ আমাদের সহায়তা করুন।