১
জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা
লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
১৬) জামাআতে নামাযের উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে যাওয়া অফুরন্ত ছোয়াব লাভের মাধ্যম
জামাআতে নামায একজন মুসলিম ব্যক্তিকে মাসজিদে যাওয়ার জন্যে বাধ্য করে। আর এ ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় মানুষ মাসজিদে পায়ে হেঁটে গিয়ে থাকে। পায়ে হেঁটে পথ চললে অনেক পদক্ষেপ ফেলতে হয়। আর ইহাতে আল্লাহ তাআলা তাকে মহা প্রতিদান ও ব্যাপক ছোয়াব দান করেন যা আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না। পায়ে হেঁটে মাসজিদে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাহির হওয়া এবং তাতে হেঁটে হেঁটে যাওয়ার ব্যাপারে বহু সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
مَنْ تَوَضَّأَ لِلصَّلَاةِ فَأَسْبَغَ الْوُضُوءَ ثُمَّ مَشَى إِلَى الصَّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ فَصَلَّاهَا مَعَ النَّاسِ أَوْ مَعَ الْجَمَاعَةِ أَوْ فِي الْمَسْجِدِ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ ذُنُوبَهُ
ওওযে নামাযের জন্যে ওযু করে এবং সুন্দর ভাবে তা সম্পাদন করে অত:পর ফরজ নামায পড়ার উদ্দেশ্যে হেঁটে এসে মানুষের সাথে মিলে নামায আদায় করে বা জামাআতে শরীক হয়ে বা মাসজিদে গিয়ে নামায আদায় করে আল্লাহ তাআলা তার গুনাহ সমূহ দূর করে দেন। [- মুসলিম, অধ্যায়: ওযু করে তার সাথে নামায আদায় করার ফযীলত।]
বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
أَعْظَمُ النَّاسِ أَجْرًا فِي الصَّلَاةِ أَبْعَدُهُمْ فَأَبْعَدُهُمْ مَمْشًى وَالَّذِي يَنْتَظِرُ الصَّلَاةَ حَتَّى يُصَلِّيَهَا مَعَ الْإِمَامِ أَعْظَمُ أَجْرًا مِنْ الَّذِي يُصَلِّي ثُمَّ يَنَامُ
নামাযের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ছোয়াব লাভ করে সে ব্যক্তি যে মাসজিদ থেকে বেশী দূরে অবস্থান করে তারপর ঐ ব্যক্তি যে তার থেকেও দূরে অবস্থান করে। আর যে ব্যক্তি নামাযের জন্যে অপেক্ষায় থেকে ইমামের সাথে নামায আদায় করে সে ঐ ব্যক্তির চেয়ে অধিক ছোয়াব লাভকারী যে নামায (একাকী) আদায় করে ঘুমিয়ে যায়। [- বুখারী, অধ্যায়: ফজরের নামায জামাআতের সাথে পড়ার ফযীলত। ল’লু’ ওয়াল মারজান:৩৮৮পৃ:।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا يَمْحُو اللَّهُ بِهِ الْخَطَايَا وَيَرْفَعُ بِهِ الدَّرَجَاتِ قَالُوا بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ إِسْبَاغُ الْوُضُوءِ عَلَى الْمَكَارِهِ وَكَثْرَةُ الْخُطَا إِلَى الْمَسَاجِدِ وَانْتِظَارُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ فَذَلِكُمْ الرِّبَاطُ
আমি কি তোমাদেরকে বলে দিব না যা দ্বারা আল্লাহ তোমাদের ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিবেন এবং তোমাদের মর্যাদা বাড়িয়ে দিবেন? সাহাবায়ে কেরাম (রা:) বললেন, হাঁ হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, কষ্টের সময় পরিপূর্ণরূপে ওযু সম্পাদন করা, অধিক পরিমাণে মাসজিদে হেটে যাওয়া এবং এক নামায আদায় করে অন্য নামাযের জন্যে অপেক্ষা করা। আর এটাই হল রিবাত অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় নিজেকে ব্যস্ত রাখা। [- বুখারী ও মুসলিম, অধ্যায়: কষ্টের সময় পরিপূর্ণরূপে ওযু করা। ল’লু’ ওয়াল মারজান:৩৯০পৃ:।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
مَنْ غَدَا إِلَى الْمَسْجِدِ أَوْ رَاحَ أَعَدَّ اللَّهُ لَهُ فِي الْجَنَّةِ نُزُلًا كُلَّمَا غَدَا أَوْ رَاحَ
যে ব্যক্তি সকাল অথবা সন্ধ্যায় মাসজিদে যাবে আল্লাহ তাআলা তার জন্যে প্রতিবারের বিনিময়ে জান্নাতে মেহমানদারীর ব্যবস্থা করবেন। [- মুসলিম, অধ্যায়: নামাযের জন্যে হেঁটে যাওয়া গুনাহ দূর হওয়ার মাধ্যম।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
مَنْ تَطَهَّرَ فِي بَيْتِهِ ثُمَّ مَشَى إِلَى بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللَّهِ لِيَقْضِيَ فَرِيضَةً مِنْ فَرَائِضِ اللَّهِ كَانَتْ خَطْوَتَاهُ إِحْدَاهُمَا تَحُطُّ خَطِيئَةً وَالْأُخْرَى تَرْفَعُ دَرَجَةً
ওওযে ব্যক্তি তার বাড়ি থেকে সুন্দরভাবে ওযু করে আল্লাহর কোন ঘরে (মাসজিদে) এসে আল্লাহর কোন ফরয আদায় করে তবে তার জন্যে প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ের একটি দ্বারা একটি গুনাহ ক্ষমা করা হয় এবং অপরটি দ্বারা একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়। [- মুসলিম, অধ্যায়: নামাযের জন্যে হেঁটে যাওয়া গুনাহ দূর হওয়ার মাধ্যম।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
بَشِّرْ الْمَشَّائِينَ فِي الظُّلَمِ إِلَى الْمَسَاجِدِ بِالنُّورِ التَّامِّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
ওওযে ব্যক্তি অন্ধকারে পথ চলে মাসজিদে আসে কিয়ামতের দিন তাকে পরিপূর্ণ নূরের সুসংবাদ প্রদান করুন। [- আবু দাউদ, মাসজিদে হেঁটে যাওয়ার ফযীলত।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
যে ব্যক্তি জামাআতের সাথে ফরয নামায আদায়ের লক্ষ্যে মাসজিদে আসে তার ছোয়াব হল একটি হজ্জের ন্যায়। আর যে ব্যক্তি নফল নামায আদায়ের লক্ষ্যে মাসজিদে আসে তার ছোয়াব হল একটি ওমরার ন্যায়। [- আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ ও সহীহুল জামে’ ৬৫৫৬ নং।]
مَنْ تَوَضَّأَ لِلصَّلَاةِ فَأَسْبَغَ الْوُضُوءَ ثُمَّ مَشَى إِلَى الصَّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ فَصَلَّاهَا مَعَ النَّاسِ أَوْ مَعَ الْجَمَاعَةِ أَوْ فِي الْمَسْجِدِ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ ذُنُوبَهُ
ওওযে নামাযের জন্যে ওযু করে এবং সুন্দর ভাবে তা সম্পাদন করে অত:পর ফরজ নামায পড়ার উদ্দেশ্যে হেঁটে এসে মানুষের সাথে মিলে নামায আদায় করে বা জামাআতে শরীক হয়ে বা মাসজিদে গিয়ে নামায আদায় করে আল্লাহ তাআলা তার গুনাহ সমূহ দূর করে দেন। [- মুসলিম, অধ্যায়: ওযু করে তার সাথে নামায আদায় করার ফযীলত।]
বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
أَعْظَمُ النَّاسِ أَجْرًا فِي الصَّلَاةِ أَبْعَدُهُمْ فَأَبْعَدُهُمْ مَمْشًى وَالَّذِي يَنْتَظِرُ الصَّلَاةَ حَتَّى يُصَلِّيَهَا مَعَ الْإِمَامِ أَعْظَمُ أَجْرًا مِنْ الَّذِي يُصَلِّي ثُمَّ يَنَامُ
নামাযের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ছোয়াব লাভ করে সে ব্যক্তি যে মাসজিদ থেকে বেশী দূরে অবস্থান করে তারপর ঐ ব্যক্তি যে তার থেকেও দূরে অবস্থান করে। আর যে ব্যক্তি নামাযের জন্যে অপেক্ষায় থেকে ইমামের সাথে নামায আদায় করে সে ঐ ব্যক্তির চেয়ে অধিক ছোয়াব লাভকারী যে নামায (একাকী) আদায় করে ঘুমিয়ে যায়। [- বুখারী, অধ্যায়: ফজরের নামায জামাআতের সাথে পড়ার ফযীলত। ল’লু’ ওয়াল মারজান:৩৮৮পৃ:।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا يَمْحُو اللَّهُ بِهِ الْخَطَايَا وَيَرْفَعُ بِهِ الدَّرَجَاتِ قَالُوا بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ إِسْبَاغُ الْوُضُوءِ عَلَى الْمَكَارِهِ وَكَثْرَةُ الْخُطَا إِلَى الْمَسَاجِدِ وَانْتِظَارُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ فَذَلِكُمْ الرِّبَاطُ
আমি কি তোমাদেরকে বলে দিব না যা দ্বারা আল্লাহ তোমাদের ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিবেন এবং তোমাদের মর্যাদা বাড়িয়ে দিবেন? সাহাবায়ে কেরাম (রা:) বললেন, হাঁ হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, কষ্টের সময় পরিপূর্ণরূপে ওযু সম্পাদন করা, অধিক পরিমাণে মাসজিদে হেটে যাওয়া এবং এক নামায আদায় করে অন্য নামাযের জন্যে অপেক্ষা করা। আর এটাই হল রিবাত অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় নিজেকে ব্যস্ত রাখা। [- বুখারী ও মুসলিম, অধ্যায়: কষ্টের সময় পরিপূর্ণরূপে ওযু করা। ল’লু’ ওয়াল মারজান:৩৯০পৃ:।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
مَنْ غَدَا إِلَى الْمَسْجِدِ أَوْ رَاحَ أَعَدَّ اللَّهُ لَهُ فِي الْجَنَّةِ نُزُلًا كُلَّمَا غَدَا أَوْ رَاحَ
যে ব্যক্তি সকাল অথবা সন্ধ্যায় মাসজিদে যাবে আল্লাহ তাআলা তার জন্যে প্রতিবারের বিনিময়ে জান্নাতে মেহমানদারীর ব্যবস্থা করবেন। [- মুসলিম, অধ্যায়: নামাযের জন্যে হেঁটে যাওয়া গুনাহ দূর হওয়ার মাধ্যম।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
مَنْ تَطَهَّرَ فِي بَيْتِهِ ثُمَّ مَشَى إِلَى بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللَّهِ لِيَقْضِيَ فَرِيضَةً مِنْ فَرَائِضِ اللَّهِ كَانَتْ خَطْوَتَاهُ إِحْدَاهُمَا تَحُطُّ خَطِيئَةً وَالْأُخْرَى تَرْفَعُ دَرَجَةً
ওওযে ব্যক্তি তার বাড়ি থেকে সুন্দরভাবে ওযু করে আল্লাহর কোন ঘরে (মাসজিদে) এসে আল্লাহর কোন ফরয আদায় করে তবে তার জন্যে প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ের একটি দ্বারা একটি গুনাহ ক্ষমা করা হয় এবং অপরটি দ্বারা একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়। [- মুসলিম, অধ্যায়: নামাযের জন্যে হেঁটে যাওয়া গুনাহ দূর হওয়ার মাধ্যম।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
بَشِّرْ الْمَشَّائِينَ فِي الظُّلَمِ إِلَى الْمَسَاجِدِ بِالنُّورِ التَّامِّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
ওওযে ব্যক্তি অন্ধকারে পথ চলে মাসজিদে আসে কিয়ামতের দিন তাকে পরিপূর্ণ নূরের সুসংবাদ প্রদান করুন। [- আবু দাউদ, মাসজিদে হেঁটে যাওয়ার ফযীলত।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
যে ব্যক্তি জামাআতের সাথে ফরয নামায আদায়ের লক্ষ্যে মাসজিদে আসে তার ছোয়াব হল একটি হজ্জের ন্যায়। আর যে ব্যক্তি নফল নামায আদায়ের লক্ষ্যে মাসজিদে আসে তার ছোয়াব হল একটি ওমরার ন্যায়। [- আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ ও সহীহুল জামে’ ৬৫৫৬ নং।]