hadith book logo

জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা

লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪২

৩৫) বাহ্যিকরূপ ও অবস্থার সৌন্দর্য প্রকাশ

জামাআ'তে নামাযের একটি মহান উপকারিতা হল, সাধারণতঃ একজন মুসলিম ব্যক্তিকে তার বাহ্যিকরূপ ও তার অবস্থা সুন্দর করে তুলে। পোষাক-পরিচ্ছদে পরিস্কার থাকা ও সুগন্ধি ব্যবহার করার প্রতি সুনজর রাখা। কেননা রাত-দিনে সবাই জমায়েত হয় ও পরস্পরের সাথে সাক্ষাত করে থাকে, যা তাকে এ সকল বিষয়ের প্রতি সুনজর রাখতে বাধ্য করে।

কিন্তু যারা একাকী নামায আদায় করে তারা এ সকল বিষয় থেকে সম্পূর্ণ দূরে অবস্থান করে এবং আল্লাহ তাআলার নিন্মোক্ত বাণীর বিপরিত আমল করে থাকে। আল্লাহ তাআলা বলেন,

يَا بَنِي آَدَمَ خُذُوا زِينَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ وَكُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ

হে আদম সন্তান! তোমরা প্রত্যেক নামাযের সময় সুন্দর পোষাক-পরিচ্ছদ গ্রহণ কর, খাও এবং পান কর, তবে তাতে অপব্যয় করবে না। কেননা আল্লাহ অপব্যয়কারীদের ভালবাসেন না। [- সূরা আরাফ, ৩১।]

ইমাম শাওকানী (রহ:) বলেছেন, ওউল্লেখিত আয়াত সকল আদম সন্তানকে লক্ষ্য করে নাযিল করা হয়েছে। যদিও আয়াতটি বিশেষ কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাযিল হয়েছে কিন্তু তা সকলের ক্ষেত্রে ব্যাপকতার দাবী রাখে। কেননা বিশেষ কোন ঘটনাকে লক্ষ্য বস্তু করে আমল করা যাবে না বরং আয়াতের ব্যাপক অর্থের প্রতি লক্ষ্য রেখে আমল করতে হবে।হ

আয়াতে উল্লেখিত যিনাত শব্দের অর্থ হল, মানুষ পোষাক-পরিচ্ছদের ব্যাপারে যে ধরণের সৌন্দর্য করে থাকে। মাসজিদে গমণ করার সময় এবং কাবা গৃহ তওয়াফ করার সময় সৌন্দর্য প্রকাশ করতে আদেশ দেয়া হয়েছে। [- ফাতহুল ক্বাদীর, দ্বিতীয় খন্ড ২২৮পৃষ্ঠা।]