১
জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা
লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
২৬) উত্তম আমল হল, সময়মত নামায আদায় করা এবং তার প্রতি যত্নবান হওয়া
জামাআতের সাথে নামায আদায় করার একটি মহান উপকারিতা হল, তা প্রথম ওয়াক্তে আদায় করা বা তা ঠিক সময় আদায় করার ব্যাপারে সাহায্যকারী একটি বিষয়। আর ইহা আল্লাহ তাআলা কাছে অত্যাধিক পছন্দনীয় কাজ।
আবু দাউদ ও তিরমিযী (রহঃ) উম্মে ফারওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে,
أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ الصَّلَاةُ فِي أَوَّلِ وَقْتِهَا
কোন কাজটি আল্লাহ তাআলার কাছে অধিক প্রিয়? তিনি বলেছেন, প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করা। [- আবু দাউদ, তিরমিযী। অধ্যায়: সময়মত নামায আদায় করা।]
মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
أَفْضَلُ الْأَعْمَالِ الصَّلَاةُ لِوَقْتِهَا وَبِرُّ الْوَالِدَيْنِ
সর্বাধিক উত্তম আমল হল সময়ের মধ্যে নামায আদায় করা এবং পিতা-মাতার সেবা করা। [- মুসলিম, অধ্যায়: আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার বর্ণনা।]
জামাআতের সাথে নামায আদায় করা একজন মুসলিম ব্যক্তিকে নামাযে ভুল-ত্রুটি করা, অবহেলা করা, নামায পড়তে ভুলে যাওয়া এবং তার নির্ধারিত সময় থেকে বিলম্ব করা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখে। অধিকাংশ লোক জামাআত থেকে বিরত থাকার কারণে নামাযই ছেড়ে দিয়েছে। এ কারণে আমাদের প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ যে, পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাআতের সাথে আদায় করা আমাদের জন্যে শরীয়তসম্মত করে দিয়েছেন।
যারা নামাযের নির্ধারিত সময় থেকে বিলম্ব করে নামায আদায় করে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে চরম ভীতি প্রদর্শন করেছেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
فَوَيْلٌ لِلْمُصَلِّينَ - الَّذِينَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ- الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ - وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ
সুতরাং ধ্বংস সে নামায আদায়কারীদের জন্যে, যারা তাদের নামাযে অমনোযোগী। যারা লোক দেখানোর জন্যে তাহ করে এবং প্রয়োজনীয় গৃহসামগ্রী দানের ছোট খাট সাহায্য করা থেকেও বিরত থাকে। [- সূরা আল-মাউন: ৪-৭।]
আবু দাউদ ও তিরমিযী (রহঃ) উম্মে ফারওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে,
أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ الصَّلَاةُ فِي أَوَّلِ وَقْتِهَا
কোন কাজটি আল্লাহ তাআলার কাছে অধিক প্রিয়? তিনি বলেছেন, প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করা। [- আবু দাউদ, তিরমিযী। অধ্যায়: সময়মত নামায আদায় করা।]
মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
أَفْضَلُ الْأَعْمَالِ الصَّلَاةُ لِوَقْتِهَا وَبِرُّ الْوَالِدَيْنِ
সর্বাধিক উত্তম আমল হল সময়ের মধ্যে নামায আদায় করা এবং পিতা-মাতার সেবা করা। [- মুসলিম, অধ্যায়: আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার বর্ণনা।]
জামাআতের সাথে নামায আদায় করা একজন মুসলিম ব্যক্তিকে নামাযে ভুল-ত্রুটি করা, অবহেলা করা, নামায পড়তে ভুলে যাওয়া এবং তার নির্ধারিত সময় থেকে বিলম্ব করা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখে। অধিকাংশ লোক জামাআত থেকে বিরত থাকার কারণে নামাযই ছেড়ে দিয়েছে। এ কারণে আমাদের প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ যে, পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাআতের সাথে আদায় করা আমাদের জন্যে শরীয়তসম্মত করে দিয়েছেন।
যারা নামাযের নির্ধারিত সময় থেকে বিলম্ব করে নামায আদায় করে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে চরম ভীতি প্রদর্শন করেছেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
فَوَيْلٌ لِلْمُصَلِّينَ - الَّذِينَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ- الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ - وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ
সুতরাং ধ্বংস সে নামায আদায়কারীদের জন্যে, যারা তাদের নামাযে অমনোযোগী। যারা লোক দেখানোর জন্যে তাহ করে এবং প্রয়োজনীয় গৃহসামগ্রী দানের ছোট খাট সাহায্য করা থেকেও বিরত থাকে। [- সূরা আল-মাউন: ৪-৭।]