১
জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা
লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৭
৪০) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবীদের অবস্থানে থাকার অনুভূতি রাখা
আল্লামা শাইখ মুহাম্মদ বিন ছালেহ আল ওসাইমীন (রহ:) বলেছেন, জামাআতে নামাযের একটি মহান উপকারিতা হল, তাতে উপলব্ধি করা যে, শেষ যামানার উম্মত পূর্ব যামানার উম্মতের (সাহাবীদের) অবস্থানে অবস্থান করছে। অর্থাৎ ইমাম যেন ইমামতির ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্থানে অবস্থান করছে। আর মুছল্লীগণ যেন জামাআতের ক্ষেত্রে ইমামের পিছনে সাহাবীদের স্থানে অবস্থানে করছে।
নি:সন্দেহে শেষ যামানার উম্মত সালাফে সালেহীনদের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া মুসলিম উম্মাহকে সালাফে সালেহীনদের নির্দেশীত পথের অনুসরণ-অনুকরণ করার ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে। আমরা যখনই শরীয়ত সম্মত কোন কাজ সম্পাদন করি তখন এ কথা উপলদ্ধি করি যেন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবীদের অনুসরণ করি। এতে নিঃসন্দেহে মানুষ সালাফে সালেহীনের কাতারে শরীক হওয়ার জন্য মনের মধ্যে গভীর প্রেরণা অনুভব করে। ফলে সে আকীদা, আমল, চরিত্র এবং আদর্শগতভাবে খাঁটি সালাফিতে পরিণত হয়।
নি:সন্দেহে শেষ যামানার উম্মত সালাফে সালেহীনদের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া মুসলিম উম্মাহকে সালাফে সালেহীনদের নির্দেশীত পথের অনুসরণ-অনুকরণ করার ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে। আমরা যখনই শরীয়ত সম্মত কোন কাজ সম্পাদন করি তখন এ কথা উপলদ্ধি করি যেন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবীদের অনুসরণ করি। এতে নিঃসন্দেহে মানুষ সালাফে সালেহীনের কাতারে শরীক হওয়ার জন্য মনের মধ্যে গভীর প্রেরণা অনুভব করে। ফলে সে আকীদা, আমল, চরিত্র এবং আদর্শগতভাবে খাঁটি সালাফিতে পরিণত হয়।