১
জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা
লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
১৯) আল্লাহ তাআলার হেফাযত
জামাআতে নামায পড়া হল আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাকে হেফাযত করার একটি কারণ। আল্লাহ তাআলা তাকে তাঁর যিম্মায় রাখেন অর্থাৎ তাকে তাঁর প্রতিশ্রুতি ও তাঁর আমানতে রাখেন। এর একমাত্র কারণ হল ফজর নামায জামাআতের সাথে আদায় করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
مَنْ صَلَّى صَلَاةَ الصُّبْحِ فَهُوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ
ওওযে ব্যক্তি ফজরের নামায আদায় করবে সে আল্লাহর তাআলার যিম্মায় থাকবে। [- মুসলিম, অধ্যায়: ফজর ও ইশার নামাযের ফযীলত।]
ইবনু মাজাহ ও ত্ববরানীর বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ওওযে ব্যক্তি ফজরের নামায জামাআতের সাথে আদায় করবে সে আল্লাহ তাআলার যিম্মায় থাকবে। [- ইবনু মাজাহ অধ্যায়: মুসলমানগণ আল্লাহর যিম্মায়। ত্ববরানী, দ্বিতীয় খন্ড: ২১৫পৃঃ। সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব: ৪৬১।]
مَنْ صَلَّى صَلَاةَ الصُّبْحِ فَهُوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ
ওওযে ব্যক্তি ফজরের নামায আদায় করবে সে আল্লাহর তাআলার যিম্মায় থাকবে। [- মুসলিম, অধ্যায়: ফজর ও ইশার নামাযের ফযীলত।]
ইবনু মাজাহ ও ত্ববরানীর বর্ণনায় এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ওওযে ব্যক্তি ফজরের নামায জামাআতের সাথে আদায় করবে সে আল্লাহ তাআলার যিম্মায় থাকবে। [- ইবনু মাজাহ অধ্যায়: মুসলমানগণ আল্লাহর যিম্মায়। ত্ববরানী, দ্বিতীয় খন্ড: ২১৫পৃঃ। সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব: ৪৬১।]