১
জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা
লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
৯) প্রদর্শিত পথের সুন্নত
জামাআতের সাথে নামায আদায় করা হল রাসূলুল্লাহ এর প্রদর্শিত পথের সুন্নাত যা তিনি আমাদেরকে শিক্ষা দান করেছেন। উহাকে ছেড়ে দেয়া হল পথভ্রষ্টতা ও মুনাফেকী। আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আগামীকাল আল্লাহ তাআলার সাথে মুসলিম অবস্থায় সাক্ষাৎ করাকে ভালবাসে সে যেন এসমস্ত নামাযসমূহকে হেফাযত করে। এগুলো দ্বারা তিনি কাল কিয়ামতে আহবান করবেন। কেননা আল্লাহ তাআলা তোমাদের নবীর জন্যে হেদায়াতের পথকে সিদ্ধ করেছেন। যদি তোমরা তোমাদের বাড়ি-ঘরে নামায পড় যেমন ভাবে অলস ব্যক্তিগণ পড়ে থাকে তাহলে তোমরা তোমাদের নবীর সুন্নত ছেড়ে দিলে। আর তোমরা যদি তোমাদের নবীর সুন্নতকে ছেড়ে দাও তবে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।
যে কোন ব্যক্তি সুন্দর ভাবে ওযু করে নামাযের উদ্দেশ্যে মাসজিদে আসে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে একটি করে ছোয়াব লিখা হয়, একটি করে গুনাহ ক্ষমা করা হয় এবং একটি করে মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়া হয়। আমরা দেখেছি স্পষ্ট মুনাফেক ছাড়া কেউ জামাআতে নামায পড়া থেকে পিছে থাকতো না। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ দুই ব্যক্তির কাঁধের উপর ভর করে নামাযের কাতারে শরীক হত। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে প্রদর্শিত পথ কোনটা তা শিক্ষা দিয়েছেন। আর তার প্রদর্শিত পথের একটি পথ হল, যে মাসজিদে নামাযের আযান হয় সেখানে এসে নামায আদায় করা। [- মুসলিম, শরহে নববী: ৫ম খন্ড ১৫৬ পৃ:।]
যে কোন ব্যক্তি সুন্দর ভাবে ওযু করে নামাযের উদ্দেশ্যে মাসজিদে আসে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে একটি করে ছোয়াব লিখা হয়, একটি করে গুনাহ ক্ষমা করা হয় এবং একটি করে মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়া হয়। আমরা দেখেছি স্পষ্ট মুনাফেক ছাড়া কেউ জামাআতে নামায পড়া থেকে পিছে থাকতো না। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ দুই ব্যক্তির কাঁধের উপর ভর করে নামাযের কাতারে শরীক হত। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে প্রদর্শিত পথ কোনটা তা শিক্ষা দিয়েছেন। আর তার প্রদর্শিত পথের একটি পথ হল, যে মাসজিদে নামাযের আযান হয় সেখানে এসে নামায আদায় করা। [- মুসলিম, শরহে নববী: ৫ম খন্ড ১৫৬ পৃ:।]