১
জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা
লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
একটি শিক্ষনীয় ঘটনাঃ
ঘটনাটি হল পূর্ব যুগের কোন একজন মনিষীর, সে ছিল ইবাদতে অগ্রগামী। পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে পূর্ণ পাবন্দী। যথারীতি পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাআতের সাথে আদায় করত। কোন একদিন তার বাড়িতে মেহমানের আগমন ঘটে। তাদের খেদমত আঞ্জাম দিতে যেয়ে জামাআত ছুটে যায়। সে ব্যক্তি তাতে অনুতপ্ত হয় এবং যথারিতী ঐ ছুটে যাওয়া নামাযকে সাতাইশবার আদায় করে। কারণ জামাআতে নামায পড়া হল একাকী নামায আদায় করার চেয়ে সাতাইশগুণ ছোয়াব বেশী। তাই সে ঐ ছুটে যাওয়া নামাযকে সাতাইশবার আদায় করে। একদা সে ব্যক্তি ঘূমিয়ে থাকলে সপ্নে দেখতে পেল যে, একদল অশ্বারোহী বাহিনী তড়িত গতিতে ছুটে চলছে, তিনিও অশ্বে আরোহণ করে তাদের পিছু নিলেন। তিনি যতই দ্রুত তাদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন তারাও তার চেয়ে বেশী দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। পরিশেষে তারা তাকে লক্ষ্য করে বললেন যে, তুমি যতই আমাদের সঙ্গ লাভ করতে চেষ্টা কর, তোমার পক্ষে আমাদের সঙ্গ লাভ করা সম্ভব নয়।
সম্মানীত ভাই ও বন্ধুগণ! উপরোক্ত ঘটনা থেকে প্রমাণিত হল যে, আসল জামাআত থেকে পিছে থেকে যতই চেষ্টা করুন না কেন কোন অবস্থাতেই তার মর্যাদা লাভ করা সম্ভব নয়। অতএব আসুন আমরা জামাআতের সাথে নামায আদায় করতে সচেষ্ট হই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার ভাগী হই। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে তাওফীক দান করুন।
সম্মানীত ভাই ও বন্ধুগণ! উপরোক্ত ঘটনা থেকে প্রমাণিত হল যে, আসল জামাআত থেকে পিছে থেকে যতই চেষ্টা করুন না কেন কোন অবস্থাতেই তার মর্যাদা লাভ করা সম্ভব নয়। অতএব আসুন আমরা জামাআতের সাথে নামায আদায় করতে সচেষ্ট হই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার ভাগী হই। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে তাওফীক দান করুন।