১
জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা
লেখকঃ জাহিদুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
১৪) গুনাহ মোচনের মাধ্যম
নিশ্চয়ই জামাআতের সাথে নামায আদায় করা হল গুনাহসমূহ ক্ষমা হওয়ার একটি কারণ। এর মাধ্যমে পিছনের সকল গুনাহ ক্ষমা হয়ে যায়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
إِذَا قَالَ الْإِمَامُ { غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ } فَقُولُوا آمِينَ فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
যখন ইমাম ওগাইরীল মাগযুবি আলাইহিম ওয়ালায্যোয়াল্লীনহ বলে তখন তোমরা স্বশব্দে আমীন বল। কেননা যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে মিলে যাবে তার পিছনের সমস্ত গুনাহ মোচন হয়ে যাবে। [- বুখারী ও মুসলিম, অধ্যায়: মুক্তাদীর জোরে আমীন বলা।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
إِذَا قَالَ الْإِمَامُ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
যখন ইমাম বলবে ওসামিআল্লাহু লিমান হামিদাহতোমরা বলবে ওআল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ্হ কেননা যার এ কথাটি ফেরেশতার কথার সাথে মিলে যাবে তার পিছনের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [- বুখারী ও মুসলিম, অধ্যায় ‘রববানা লাকাল হামদ্’ বলার ফযীলত। লু’লু’ ওয়াল মারজান ২২৯পৃ:।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
مَنْ تَوَضَّأَ لِلصَّلَاةِ فَأَسْبَغَ الْوُضُوءَ ثُمَّ مَشَى إِلَى الصَّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ فَصَلَّاهَا مَعَ النَّاسِ أَوْ مَعَ الْجَمَاعَةِ أَوْ فِي الْمَسْجِدِ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ ذُنُوبَه
যে ব্যক্তি নামাযের জন্যে ওযু করবে এবং সুন্দর ভাবে তা সম্পাদন করবে, অত:পর ফরজ নামাযের উদ্দেশ্যে হেঁটে এসে লোকদের সাথে মিলে বা জামাআতের সাথে বা মাসজিদে গিয়ে নামায আদায় করে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। [- মুসলিম, অধ্যায়: ওযু ও নামায আদায় করা। মুখতাসার মুসলিম, ৭৪ পৃ: হাদীস নং ২৩৪।]
১৫) আল্লাহ তাআলার খুশির কারণ
আল্লাহর গুণাবলীর মধ্যে একটি গুণ হল খুশি হওয়া, আনন্দবোধ করা। তন্মধ্যে জামাআতে নামায আদায় করা দেখে তিনি আনন্দবোধ করেন, খুশি হন। আল্লাহ তাআলার এ বিষয় খুশি হওয়ার দ্বারা প্রমাণ করে যে, তিনি এ কাজে সন্তুষ্ট এবং যে তা করে তাকে তিনি ভালবাসেন, পছন্দ করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লা বলেছেন,
إِنَّ اللَّهَ لَيَعْجَبُ مِنْ الصَّلَاةِ فِي الْجَمِيعِ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা জামাআতে নামায পড়া দেখে আনন্দবোধ করেন। [- আহমাদ ও সহীহুল জামে ১৮২০পৃঃ।]
আল্লাহ তাআলার ওওখুশি হওয়ার গুণ প্রমাণ হওয়ার ব্যাপারে সালাফে সালেহীনগন ঐকমত্য পোষণ করেছেন। সুতরাং তা কোন প্রকার পরিবর্তন-পরিবর্ধন, ধরণ ও সাদৃশ্য-বর্ণনা ছাড়াই মেনে নিতে হবে। আর এ গুণটি প্রকৃত পক্ষেই আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত। যে ভাবে থাকা আল্লাহর জন্যে শোভা পায় সে ভাবেই আছে। [- শরহে লুমআতুল ই'তেকাদ, মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উছাইমীন পৃ:৫৯।]
إِذَا قَالَ الْإِمَامُ { غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ } فَقُولُوا آمِينَ فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
যখন ইমাম ওগাইরীল মাগযুবি আলাইহিম ওয়ালায্যোয়াল্লীনহ বলে তখন তোমরা স্বশব্দে আমীন বল। কেননা যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে মিলে যাবে তার পিছনের সমস্ত গুনাহ মোচন হয়ে যাবে। [- বুখারী ও মুসলিম, অধ্যায়: মুক্তাদীর জোরে আমীন বলা।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
إِذَا قَالَ الْإِمَامُ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
যখন ইমাম বলবে ওসামিআল্লাহু লিমান হামিদাহতোমরা বলবে ওআল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ্হ কেননা যার এ কথাটি ফেরেশতার কথার সাথে মিলে যাবে তার পিছনের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [- বুখারী ও মুসলিম, অধ্যায় ‘রববানা লাকাল হামদ্’ বলার ফযীলত। লু’লু’ ওয়াল মারজান ২২৯পৃ:।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন,
مَنْ تَوَضَّأَ لِلصَّلَاةِ فَأَسْبَغَ الْوُضُوءَ ثُمَّ مَشَى إِلَى الصَّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ فَصَلَّاهَا مَعَ النَّاسِ أَوْ مَعَ الْجَمَاعَةِ أَوْ فِي الْمَسْجِدِ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ ذُنُوبَه
যে ব্যক্তি নামাযের জন্যে ওযু করবে এবং সুন্দর ভাবে তা সম্পাদন করবে, অত:পর ফরজ নামাযের উদ্দেশ্যে হেঁটে এসে লোকদের সাথে মিলে বা জামাআতের সাথে বা মাসজিদে গিয়ে নামায আদায় করে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। [- মুসলিম, অধ্যায়: ওযু ও নামায আদায় করা। মুখতাসার মুসলিম, ৭৪ পৃ: হাদীস নং ২৩৪।]
১৫) আল্লাহ তাআলার খুশির কারণ
আল্লাহর গুণাবলীর মধ্যে একটি গুণ হল খুশি হওয়া, আনন্দবোধ করা। তন্মধ্যে জামাআতে নামায আদায় করা দেখে তিনি আনন্দবোধ করেন, খুশি হন। আল্লাহ তাআলার এ বিষয় খুশি হওয়ার দ্বারা প্রমাণ করে যে, তিনি এ কাজে সন্তুষ্ট এবং যে তা করে তাকে তিনি ভালবাসেন, পছন্দ করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লা বলেছেন,
إِنَّ اللَّهَ لَيَعْجَبُ مِنْ الصَّلَاةِ فِي الْجَمِيعِ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা জামাআতে নামায পড়া দেখে আনন্দবোধ করেন। [- আহমাদ ও সহীহুল জামে ১৮২০পৃঃ।]
আল্লাহ তাআলার ওওখুশি হওয়ার গুণ প্রমাণ হওয়ার ব্যাপারে সালাফে সালেহীনগন ঐকমত্য পোষণ করেছেন। সুতরাং তা কোন প্রকার পরিবর্তন-পরিবর্ধন, ধরণ ও সাদৃশ্য-বর্ণনা ছাড়াই মেনে নিতে হবে। আর এ গুণটি প্রকৃত পক্ষেই আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত। যে ভাবে থাকা আল্লাহর জন্যে শোভা পায় সে ভাবেই আছে। [- শরহে লুমআতুল ই'তেকাদ, মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উছাইমীন পৃ:৫৯।]