১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
গীবতের ব্যাপারে মহিলাদের সাবধানতা
গীবত হচ্ছে মহিলাদের চারণভূমি। মহিলারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অধিক হারে গীবতে জড়িয়ে পড়ে। যেমন- যখনই কয়েকজন মহিলা একত্রিত হয়, তখন তারা প্রায়ই সমালোচনা বা গীবতে লিপ্ত হয়ে যায়। তারা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে সমালোচনা করে। বিশেষ করে তাদের স্বামীদের ব্যাপারেও তারা নানা মন্তব্য করে থাকে। যেমন- একে অপরকে বলতে থাকে আমার স্বামী এরকম এরকম, আমাকে এটা দিয়েছে ওটা দেয়নি ইত্যাদি ইত্যাদি। এমনকি অনেক মহিলা তাদের স্বামীদের গোপনীয় বিষয় পর্যন্ত বলাবলি করতে লজ্জাবোধ করে না। এ কাজের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। স্বামীর অকৃতজ্ঞ হওয়া এবং বেশি বেশি অভিশাপ দেয়া, এটা মহিলাদের জাহান্নামী হওয়ার প্রধান কারণ।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ (রাঃ) قَالَ : خَرَجَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَضْحًى ـ أَوْ فِطْرٍ ـ إِلَى الْمُصَلَّى، فَمَرَّ عَلَى النِّسَاءِ فَقَالَ : يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ تَصَدَّقْنَ، فَإِنِّي أُرِيتُكُنَّ أَكْثَرَ أَهْلِ النَّارِ . فَقُلْنَ : وَبِمَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ : " تُكْثِرْنَ اللَّعْنَ، وَتَكْفُرْنَ الْعَشِيرَ
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ঈদুল আযহা অথবা ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে গেলেন। তিনি মহিলাদের নিকট আগমন করলেন, অতঃপর তাদেরকে সম্বোধন করে বললেন, হে মহিলারা! তোমরা সদকা কর, কারণ তোমাদেরকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামী হিসেবে আমাকে দেখানো হয়েছে। তখন তাঁরা আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! কী কারণে আমাদের এ অবস্থা? নবী ﷺ বললেন, তোমরা বেশি বেশি লানত (অভিশাপ) কর এবং স্বামীদের অকৃজ্ঞতা প্রকাশ কর।
(বুখারী হা : ৩০৪)
বর্তমান সময়ে দেখা যায় যে, মহিলা অভিভাবকরা যখন ছেলে-মেয়েদেরকে নিয়ে স্কুলে যায় তখন তারা অনেকে একত্রে জমা হয় এবং তারা গীবতের মত জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়ে থাকে। এভাবে তারা জীবনের অনেক মূল্যবান সময়কে গুনাহের কাজে ব্যয় করে থাকে। তাই এক্ষেত্রে মহিলাদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তারা যখন অবসর পায় তখন তাদের উচিত ইসলামী বই-পুস্তক পড়ে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা এবং নেক আমলে লিপ্ত থাকা। তাহলে তারা অনেক কল্যাণ লাভ করতে পারবে।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ (রাঃ) قَالَ : خَرَجَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَضْحًى ـ أَوْ فِطْرٍ ـ إِلَى الْمُصَلَّى، فَمَرَّ عَلَى النِّسَاءِ فَقَالَ : يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ تَصَدَّقْنَ، فَإِنِّي أُرِيتُكُنَّ أَكْثَرَ أَهْلِ النَّارِ . فَقُلْنَ : وَبِمَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ : " تُكْثِرْنَ اللَّعْنَ، وَتَكْفُرْنَ الْعَشِيرَ
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ঈদুল আযহা অথবা ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে গেলেন। তিনি মহিলাদের নিকট আগমন করলেন, অতঃপর তাদেরকে সম্বোধন করে বললেন, হে মহিলারা! তোমরা সদকা কর, কারণ তোমাদেরকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নামী হিসেবে আমাকে দেখানো হয়েছে। তখন তাঁরা আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! কী কারণে আমাদের এ অবস্থা? নবী ﷺ বললেন, তোমরা বেশি বেশি লানত (অভিশাপ) কর এবং স্বামীদের অকৃজ্ঞতা প্রকাশ কর।
(বুখারী হা : ৩০৪)
বর্তমান সময়ে দেখা যায় যে, মহিলা অভিভাবকরা যখন ছেলে-মেয়েদেরকে নিয়ে স্কুলে যায় তখন তারা অনেকে একত্রে জমা হয় এবং তারা গীবতের মত জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়ে থাকে। এভাবে তারা জীবনের অনেক মূল্যবান সময়কে গুনাহের কাজে ব্যয় করে থাকে। তাই এক্ষেত্রে মহিলাদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তারা যখন অবসর পায় তখন তাদের উচিত ইসলামী বই-পুস্তক পড়ে দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা এবং নেক আমলে লিপ্ত থাকা। তাহলে তারা অনেক কল্যাণ লাভ করতে পারবে।