১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
আল্লাহ যেকোন ব্যক্তিকে ক্ষমা করতে পারেন
আল্লাহ তা‘আলার ঘোষণা অনুযায়ী তিনি যেকোন ব্যক্তির তওবাই কবুল করতে পারেন। বান্দা যখনই নিজ অপরাধ স্বীকার করে আল্লাহর কাছে তওবা করে তখনই আল্লাহ তা‘আলা তার তওবা কবুল করে তাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ جُنْدَبٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ اَنَّ رَسُولَ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ َ وَسَلَّمَ - حَدَّثَ - اَنَّ رَجُلاً قَالَ وَاللهِ لَا يَغْفِرُ اللهُ لِفُلَانٍ وَاِنَّ اللهَ تَعَالٰى قَالَ مَنْ ذَا الَّذِىْ يَتَاَلّٰى عَلَىَّ اَن لَّااَغْفِرَ لِفُلَانٍ فَاِنِّى قَدْ غَفَرْتُ لِفُلَانٍ وَاَحْبَطْتُ عَمَلَكَ
জুনদুব (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, জনৈক ব্যক্তি কোন এক গুনাহগার ব্যক্তি সম্পর্কে বলল যে, আল্লাহর কসম! অমুক ব্যক্তিকে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। অথচ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, কে সেই ব্যক্তি যে আমার সম্পর্কে শপথ করে বলছে যে, আমি অমুক ব্যক্তিকে ক্ষমা করব না? তুমি জেনে রাখ, আমি অমুক ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছি, আর তোমার আমলকে বরবাদ করে দিয়েছি। (মুসলিম হা: ৬৮৪৭)
এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, আল্লাহ ও তাঁর বান্দার মাঝখানে হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়। ব্যক্তি যখন বিধি মোতাবেক তওবা করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার তওবা কবুল করবেন। কেউ কেউ বলে বসে যে, অমুক ব্যক্তিকে কেমন করে ক্ষমা করা হবে? এসব কথা ঈমানের পরিপন্থি। প্রত্যেকেরই তার নিজ সম্পর্কে চিন্তা করা আবশ্যক। নিজের ইবাদাত ও তাকওয়ার উপর অহংকার করা এবং স্বীয় মাগফেরাত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া, আর অন্যের পাপের প্রতি দৃষ্টিপাত করা এবং এরূপ মনে করা যে, অমুক ব্যক্তিকে কেমন করে ক্ষমা করা হবে, এসব মুমিনের কাজ নয়।
عَنْ جُنْدَبٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ اَنَّ رَسُولَ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ َ وَسَلَّمَ - حَدَّثَ - اَنَّ رَجُلاً قَالَ وَاللهِ لَا يَغْفِرُ اللهُ لِفُلَانٍ وَاِنَّ اللهَ تَعَالٰى قَالَ مَنْ ذَا الَّذِىْ يَتَاَلّٰى عَلَىَّ اَن لَّااَغْفِرَ لِفُلَانٍ فَاِنِّى قَدْ غَفَرْتُ لِفُلَانٍ وَاَحْبَطْتُ عَمَلَكَ
জুনদুব (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, জনৈক ব্যক্তি কোন এক গুনাহগার ব্যক্তি সম্পর্কে বলল যে, আল্লাহর কসম! অমুক ব্যক্তিকে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। অথচ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, কে সেই ব্যক্তি যে আমার সম্পর্কে শপথ করে বলছে যে, আমি অমুক ব্যক্তিকে ক্ষমা করব না? তুমি জেনে রাখ, আমি অমুক ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছি, আর তোমার আমলকে বরবাদ করে দিয়েছি। (মুসলিম হা: ৬৮৪৭)
এ হাদীস দ্বারা জানা গেল যে, আল্লাহ ও তাঁর বান্দার মাঝখানে হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়। ব্যক্তি যখন বিধি মোতাবেক তওবা করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার তওবা কবুল করবেন। কেউ কেউ বলে বসে যে, অমুক ব্যক্তিকে কেমন করে ক্ষমা করা হবে? এসব কথা ঈমানের পরিপন্থি। প্রত্যেকেরই তার নিজ সম্পর্কে চিন্তা করা আবশ্যক। নিজের ইবাদাত ও তাকওয়ার উপর অহংকার করা এবং স্বীয় মাগফেরাত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া, আর অন্যের পাপের প্রতি দৃষ্টিপাত করা এবং এরূপ মনে করা যে, অমুক ব্যক্তিকে কেমন করে ক্ষমা করা হবে, এসব মুমিনের কাজ নয়।