১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
প্রথম অধ্যায় গীবত
ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে গীবত করা এবং তা শ্রবণ করা উভয়টিই হারাম। স্বয়ং আল্লাহ তা‘আলাই গীবকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন এবং এটাকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছেন যা সকলের কাছে অপছন্দনীয় এবং ঘৃণীত।
আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেন-
وَلَا تَجَسَّسُوْا وَلَا يَغْتَبْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا اَيُحِبُّ اَحَدُكُمْ اَنْ يّأْكُلَ لَحْمَ اَخِيْهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوْهُ وَاتَّقُوا اللهَ اِنَّ اللهَ تَوَّابٌ رَّحِيْمٌ
‘‘তোমরা একে অপরের গোপন বিষয় তালাশ করো না এবং তোমাদের মধ্যে কেউ যেন কারো গীবত না করে। তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে যে, তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করে? তোমরা তো তা ঘৃণা করে থাক। আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ বড়ই তওবা কবুলকারী ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা হুজরাত- ১২)
গীবতকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে উপমা দেয়ার কারণ
আল্লাহ তা‘আলা গীবতকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছেন। এর কিছু কারণ নিম্নে আলোচনা করা হল :
১. কারো সামনে তার দোষ বর্ণনা করা হলে সে তা প্রতিরোধ করতে পারে। কিন্তু গীবতের সময় ব্যক্তি উপস্থিত না থাকায় তা প্রতিরোধ করতে পারে না। যেমন মৃত ব্যক্তির গোশত খাওয়া হলে সে প্রতিরোধ করতে পারে না।
২. মৃত মানুষের গোশত খাওয়া যেমন নিকৃষ্ট কাজ, অনুরূপভাবে কারো গীবত করাও তেমন নিকৃষ্ট কাজ।
عَنْ اَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ -صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- « لَا تَحَاسَدُوْا وَلَا تَنَاجَشُوْا وَلَا تَبَاغَضُوْا وَلَا تَدَابَرُوْا وَلَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلٰى بَيْعِ بَعْضٍ وَكُوْنُوْا عِبَادَ اللهِ اِخْوَانًا . اَلْمُسْلِمُ اَخُو الْمُسْلِمِ لَا يَظْلِمُهٗ وَلَا يَخْذُلُهٗ وَلَا يَحْقِرُهٗ . اَلتَّقْوٰى هَا هُنَا . وَيُشِيْرُ اِلٰى صَدْرِه ثَلَاثَ مَرَّاتٍ بِحَسْبِ امْرِئٍ مِّنَ الشَّرِّ اَنْ يَّحْقِرَ اَخَاهُ الْمُسْلِمَ كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ دَمُهٗ وَمَالُهٗ وَعِرْضُهٗ »
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন- ‘‘তোমরা পরস্পর হিংসা করো না, দোষ অন্বেষণ করো না, ক্রোধ প্রকাশ করো না, একে অপরের উপর গর্ব করো না, ক্রয়-বিক্রয়ে এক জনের দামের উপর দাম করো না। আর তোমরা সকলে আল্লাহর বান্দা হিসেবে পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও। এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাইস্বরূপ। কাজেই সে তার ভাইয়ের প্রতি যুলুম করবে না, তাকে হেয় প্রতিপন্ন করবে না এবং তাকে তুচ্ছজ্ঞান করবে না। তাকওয়া এখানে, একথা বলে তিনি নিজের বক্ষের দিকে তিনবার ইঙ্গিত করলেন। (তারপর নবী ﷺ বললেন) কোন ব্যক্তি খারাপ হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার অপর মুসলিম ভাইকে হেয় প্রতিপনণ করে। আর প্রত্যেক মুসলমানের রক্ত, সম্পদ ও সম্মান অপর মুসলমানের উপর হারাম। অর্থাৎ সম্মানীত। তাই এগুলোর সম্মান রক্ষা করতে হবে।’’
(মুসলিম হা: ৬৭০৬)
কাজেই, গীবত কী? গীবত কেন হয়, কীভাবে হয়? গীবত আমাদের জন্য কী কী ক্ষতি করে? কীভাবে আমরা গীবত থেকে বাঁচতে পারি? গীবত সংক্রান্ত এসব বিষয় নিয়ে নিম্নে আলোচনা করা হল :
আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেন-
وَلَا تَجَسَّسُوْا وَلَا يَغْتَبْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا اَيُحِبُّ اَحَدُكُمْ اَنْ يّأْكُلَ لَحْمَ اَخِيْهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوْهُ وَاتَّقُوا اللهَ اِنَّ اللهَ تَوَّابٌ رَّحِيْمٌ
‘‘তোমরা একে অপরের গোপন বিষয় তালাশ করো না এবং তোমাদের মধ্যে কেউ যেন কারো গীবত না করে। তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে যে, তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করে? তোমরা তো তা ঘৃণা করে থাক। আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ বড়ই তওবা কবুলকারী ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা হুজরাত- ১২)
গীবতকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে উপমা দেয়ার কারণ
আল্লাহ তা‘আলা গীবতকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছেন। এর কিছু কারণ নিম্নে আলোচনা করা হল :
১. কারো সামনে তার দোষ বর্ণনা করা হলে সে তা প্রতিরোধ করতে পারে। কিন্তু গীবতের সময় ব্যক্তি উপস্থিত না থাকায় তা প্রতিরোধ করতে পারে না। যেমন মৃত ব্যক্তির গোশত খাওয়া হলে সে প্রতিরোধ করতে পারে না।
২. মৃত মানুষের গোশত খাওয়া যেমন নিকৃষ্ট কাজ, অনুরূপভাবে কারো গীবত করাও তেমন নিকৃষ্ট কাজ।
عَنْ اَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ -صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- « لَا تَحَاسَدُوْا وَلَا تَنَاجَشُوْا وَلَا تَبَاغَضُوْا وَلَا تَدَابَرُوْا وَلَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلٰى بَيْعِ بَعْضٍ وَكُوْنُوْا عِبَادَ اللهِ اِخْوَانًا . اَلْمُسْلِمُ اَخُو الْمُسْلِمِ لَا يَظْلِمُهٗ وَلَا يَخْذُلُهٗ وَلَا يَحْقِرُهٗ . اَلتَّقْوٰى هَا هُنَا . وَيُشِيْرُ اِلٰى صَدْرِه ثَلَاثَ مَرَّاتٍ بِحَسْبِ امْرِئٍ مِّنَ الشَّرِّ اَنْ يَّحْقِرَ اَخَاهُ الْمُسْلِمَ كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ دَمُهٗ وَمَالُهٗ وَعِرْضُهٗ »
আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন- ‘‘তোমরা পরস্পর হিংসা করো না, দোষ অন্বেষণ করো না, ক্রোধ প্রকাশ করো না, একে অপরের উপর গর্ব করো না, ক্রয়-বিক্রয়ে এক জনের দামের উপর দাম করো না। আর তোমরা সকলে আল্লাহর বান্দা হিসেবে পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও। এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাইস্বরূপ। কাজেই সে তার ভাইয়ের প্রতি যুলুম করবে না, তাকে হেয় প্রতিপন্ন করবে না এবং তাকে তুচ্ছজ্ঞান করবে না। তাকওয়া এখানে, একথা বলে তিনি নিজের বক্ষের দিকে তিনবার ইঙ্গিত করলেন। (তারপর নবী ﷺ বললেন) কোন ব্যক্তি খারাপ হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার অপর মুসলিম ভাইকে হেয় প্রতিপনণ করে। আর প্রত্যেক মুসলমানের রক্ত, সম্পদ ও সম্মান অপর মুসলমানের উপর হারাম। অর্থাৎ সম্মানীত। তাই এগুলোর সম্মান রক্ষা করতে হবে।’’
(মুসলিম হা: ৬৭০৬)
কাজেই, গীবত কী? গীবত কেন হয়, কীভাবে হয়? গীবত আমাদের জন্য কী কী ক্ষতি করে? কীভাবে আমরা গীবত থেকে বাঁচতে পারি? গীবত সংক্রান্ত এসব বিষয় নিয়ে নিম্নে আলোচনা করা হল :