১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫০
পাপের জন্য ক্রন্দন করা
عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ مَا النَّجَاةُ ؟ قَالَ أمْسِكْ عَلَيْكَ لِسَانِكَ وَلْيَسَعْكَ بَيْتُكَ وَابْكِ عَلٰى خَطِيْئَتِكَ
উকবা ইবনে আমের (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল ﷺ এর সাথে সাক্ষাতের সময় আমি বললাম, নাজাতের পথ কী? তিনি বললেন তুমি তোমার জিহবাকে আয়ত্তে রাখবে, তোমার গৃহে যেন তোমার অবস্থান থাকে এবং তুমি তোমার পাপের জন্য কান্নাকাটি করতে থাকবে।
(তিরমিযী হা: ২৪০৬)
অত্র হাদীসে নবী ﷺ মানবজাতির মুক্তি লাভের কয়েকটি দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রথমে তিনি গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম যবানকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে বলেছেন যে, যাতে করে জিহবা দ্বারা কোন রকম গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সুযোগ না থাকে।
তারপর তিনি গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার একটি সুন্দর পরামর্শ দিয়েছেন। আর তা হল, সর্বদা নিজের গৃহে অবস্থান করা। কেননা বাইরে লোক সমাজে গেলেই জিহবার দ্বারা পাপ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই যদি প্রয়োজন ছাড়া বাকি সময় নিজ ঘরে অবস্থান করা হয় তবে গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
সর্বশেষে তিনি পাপ মোচনের জন্য কান্নাকাটি করতে বলেছেন। উপরের উল্লেখিত দু’টি ব্যবস্থার পরও যদি পাপ সংঘটিত হয়ে যায়, তবে ঐ পাপ মোচনের জন্য নিজেকে অপরাধী ভেবে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করতে হবে। পাপ সংঘটিত হলে কান্নাকাটি করা তওবার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যে ব্যক্তিই আল্লাহকে ভয় করে এবং পাপের দরুন কান্নাকাটি করে নিজের পাপ মার্জনা করার চেষ্টা করে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দেন।
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ : سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ يَقُوْلُ عَيْنَانِ لَا تَمُسُّهُمَا النَّارُ عَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللهِ وَعَيْنٌ بَاتَتْ تَحْرِسُ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন, দু’টি চক্ষু এমন যে, তাদেরকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। একটি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা‘আলার ভয়ে ক্রন্দন করেছে এবং দ্বিতীয়টি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা‘আলার রাস্তায় পাহারাদার হিসেবে রাত্রি অতিবাহিত করেছে।
(তিরমিযী হা: ১৬৩৯)
একদা রাসূল ﷺ নামায পড়তেছিলেন এবং তার বক্ষ হতে চাক্কি পেষার শব্দের ন্যায় ক্রন্দনের তীব্র শব্দ অনুভূত হচ্ছিল। কোন কোন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, ফুটন্ত হাঁড়ি হতে যেরূপ টগবগ শব্দ শুনা যায়, তদ্রূপ শব্দ শুনা যাচ্ছিল। (নাসাঈ হা: ১২১৪)
রাসূল ﷺ তো সম্পূর্ণ নিষ্পাপ ছিলেন। তা সত্ত্বেও তার কান্নাকাটির এ অবস্থা ছিল। আমাদের মত পাপীদেরকে যে কত বেশি কান্নাকাটি করতে হবে, তা আমাদের নিজেদেরই চিন্তা করা উচিত।
যে ব্যক্তি পৃথিবীতে তার গুনাহের জন্য নিজেকে অপরাধী ভেবে তা মোচনের জন্য কান্নাকাটি করবে; আল্লাহ তা‘আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং মৃত্যুর পর তাকে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
উকবা ইবনে আমের (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল ﷺ এর সাথে সাক্ষাতের সময় আমি বললাম, নাজাতের পথ কী? তিনি বললেন তুমি তোমার জিহবাকে আয়ত্তে রাখবে, তোমার গৃহে যেন তোমার অবস্থান থাকে এবং তুমি তোমার পাপের জন্য কান্নাকাটি করতে থাকবে।
(তিরমিযী হা: ২৪০৬)
অত্র হাদীসে নবী ﷺ মানবজাতির মুক্তি লাভের কয়েকটি দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রথমে তিনি গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম যবানকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে বলেছেন যে, যাতে করে জিহবা দ্বারা কোন রকম গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সুযোগ না থাকে।
তারপর তিনি গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার একটি সুন্দর পরামর্শ দিয়েছেন। আর তা হল, সর্বদা নিজের গৃহে অবস্থান করা। কেননা বাইরে লোক সমাজে গেলেই জিহবার দ্বারা পাপ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই যদি প্রয়োজন ছাড়া বাকি সময় নিজ ঘরে অবস্থান করা হয় তবে গুনাহ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
সর্বশেষে তিনি পাপ মোচনের জন্য কান্নাকাটি করতে বলেছেন। উপরের উল্লেখিত দু’টি ব্যবস্থার পরও যদি পাপ সংঘটিত হয়ে যায়, তবে ঐ পাপ মোচনের জন্য নিজেকে অপরাধী ভেবে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করতে হবে। পাপ সংঘটিত হলে কান্নাকাটি করা তওবার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যে ব্যক্তিই আল্লাহকে ভয় করে এবং পাপের দরুন কান্নাকাটি করে নিজের পাপ মার্জনা করার চেষ্টা করে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দেন।
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ : سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ يَقُوْلُ عَيْنَانِ لَا تَمُسُّهُمَا النَّارُ عَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللهِ وَعَيْنٌ بَاتَتْ تَحْرِسُ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন, দু’টি চক্ষু এমন যে, তাদেরকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। একটি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা‘আলার ভয়ে ক্রন্দন করেছে এবং দ্বিতীয়টি সেই চক্ষু যা আল্লাহ তা‘আলার রাস্তায় পাহারাদার হিসেবে রাত্রি অতিবাহিত করেছে।
(তিরমিযী হা: ১৬৩৯)
একদা রাসূল ﷺ নামায পড়তেছিলেন এবং তার বক্ষ হতে চাক্কি পেষার শব্দের ন্যায় ক্রন্দনের তীব্র শব্দ অনুভূত হচ্ছিল। কোন কোন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, ফুটন্ত হাঁড়ি হতে যেরূপ টগবগ শব্দ শুনা যায়, তদ্রূপ শব্দ শুনা যাচ্ছিল। (নাসাঈ হা: ১২১৪)
রাসূল ﷺ তো সম্পূর্ণ নিষ্পাপ ছিলেন। তা সত্ত্বেও তার কান্নাকাটির এ অবস্থা ছিল। আমাদের মত পাপীদেরকে যে কত বেশি কান্নাকাটি করতে হবে, তা আমাদের নিজেদেরই চিন্তা করা উচিত।
যে ব্যক্তি পৃথিবীতে তার গুনাহের জন্য নিজেকে অপরাধী ভেবে তা মোচনের জন্য কান্নাকাটি করবে; আল্লাহ তা‘আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং মৃত্যুর পর তাকে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।