১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৯
মোহরানা
মোহরানা স্ত্রীর হক। তাই সামর্থ্য অনুযায়ী মোহরানা ধার্য করা এবং তা পরিশোধ করা স্বামীর একান্ত দায়িত্ব। বিয়ের সময়ই মোহরানার টাকা স্ত্রীর হাতে দিয়ে দেয়া উচিত। না হলে বিয়ের প্রথম রাত্রে তা পরিশোধ করবে। কিন্তু সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে মোহরানার টাকা ক্ষমা চেয়ে নেয়, এটা মোটেই উচিত নয়। এটা এক প্রকার ধোঁকা। প্রথম রাত্রে লাজুক স্ত্রী ক্ষমা করলেও বাস্তবে তা ক্ষমা হয় না। আবার অনেকেই এ দেনা পরিশোধ না করে হজ্বে যায়। যা একেবারেই অনুচিত। সন্তুষ্টচিত্তে স্ত্রীর মোহরানা আদায় করে দেয়া ফরজ। আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে বলেন-
وَاٰتُوا النِّسَاءَ صَدُقَاتِهِنَّ نِحْلَةً فَاِنْ طِبْنَ لَكُمْ عَنْ شَيْءٍ مِنْهُ نَفْسًا فَكُلُوْهُ هَنِيْئًا مَرِيْئًا
‘‘নারীদেরকে তাদের মোহরানা সন্তুষ্টচিত্তে দিয়ে দাও। যদি তারা সন্তুষ্টিচিত্তে তা থেকে কিছু অংশ ছেড়ে দেয়, তাহলে তোমরা তা নিঃসঙ্কোচে খেতে পার। (সূরা নিসা- ৪)
এ ব্যাপারেও পদ্ধতি এটাই অবলম্বন করতে হবে যে, তাদের মোহরানা তাদের হাতে দিয়ে দিতে হবে। অতঃপর তারা সন্তুষ্টচিত্তে তা সম্পূর্ণ বা কিছু অংশ যদি স্বামীকে দিয়ে দেয় তবে তা নিঃসঙ্কোচে গ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু বাধ্য করে তা গ্রহণ করা যাবে না।
প্রচলিত প্রথায় স্ত্রীর কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়ার দ্বারা ক্ষমা হয়ে যায় না, যতক্ষণ না সে অন্তরের সন্তুষ্টির সাথে ক্ষমা করে দেয়। যদি সে এ মনে করে মৌখিকভাবে ক্ষমা করে দেয় যে, আমি ক্ষমা করি বা না করি কোনভাবেই তো তা পাব না, তাহলে এ ক্ষমা গ্রহণযোগ্য নয়। স্ত্রীর মোহরানা আদায় না করে কেউ মারা গেলে সেজন্য সে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
কন্যা সন্তানদেরকে বিবাহ দিয়ে তাদের মোহরানা কোন অভিভাবক আদায় করে নেয়। যদি মেয়ের হক সংরক্ষণ করার প্রয়োজন হয় তবে অভিভাবকরা তা করবেন। কিন্তু কন্যাকে জিজ্ঞেস করা ছাড়াই তার সম্পদ নিজের কাজে ব্যবহার করা এবং নিজের মনে করে নেয়া মোটেই জায়েয নয়।
وَاٰتُوا النِّسَاءَ صَدُقَاتِهِنَّ نِحْلَةً فَاِنْ طِبْنَ لَكُمْ عَنْ شَيْءٍ مِنْهُ نَفْسًا فَكُلُوْهُ هَنِيْئًا مَرِيْئًا
‘‘নারীদেরকে তাদের মোহরানা সন্তুষ্টচিত্তে দিয়ে দাও। যদি তারা সন্তুষ্টিচিত্তে তা থেকে কিছু অংশ ছেড়ে দেয়, তাহলে তোমরা তা নিঃসঙ্কোচে খেতে পার। (সূরা নিসা- ৪)
এ ব্যাপারেও পদ্ধতি এটাই অবলম্বন করতে হবে যে, তাদের মোহরানা তাদের হাতে দিয়ে দিতে হবে। অতঃপর তারা সন্তুষ্টচিত্তে তা সম্পূর্ণ বা কিছু অংশ যদি স্বামীকে দিয়ে দেয় তবে তা নিঃসঙ্কোচে গ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু বাধ্য করে তা গ্রহণ করা যাবে না।
প্রচলিত প্রথায় স্ত্রীর কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়ার দ্বারা ক্ষমা হয়ে যায় না, যতক্ষণ না সে অন্তরের সন্তুষ্টির সাথে ক্ষমা করে দেয়। যদি সে এ মনে করে মৌখিকভাবে ক্ষমা করে দেয় যে, আমি ক্ষমা করি বা না করি কোনভাবেই তো তা পাব না, তাহলে এ ক্ষমা গ্রহণযোগ্য নয়। স্ত্রীর মোহরানা আদায় না করে কেউ মারা গেলে সেজন্য সে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
কন্যা সন্তানদেরকে বিবাহ দিয়ে তাদের মোহরানা কোন অভিভাবক আদায় করে নেয়। যদি মেয়ের হক সংরক্ষণ করার প্রয়োজন হয় তবে অভিভাবকরা তা করবেন। কিন্তু কন্যাকে জিজ্ঞেস করা ছাড়াই তার সম্পদ নিজের কাজে ব্যবহার করা এবং নিজের মনে করে নেয়া মোটেই জায়েয নয়।