১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪০
তওবা করার উপকারিতা
তওবার অনেক উপকারীতা রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন স্থানে তা বর্ণনা করেছেন। যেমন-
তওবাকারীদের গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দেন :
وَالَّذِيْنَ عَمِلُوْا السَّيِّئَاتِ ثُمَّ تَابُوْا مِنْ بَعْدِهَا وَاٰمَنُوْا اِنَّ رَبَّكَ مِنْ بَعْدِهَا لَغَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘‘যারা অসৎকার্য করে তারা পরে তওবা করলে ও ঈমান আনলে তোমার প্রতিপালক তো ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা আরাফ ১৫৩)
ثُمَّ اِنَّ رَبَّكَ لِلَّذِيْنَ عَمِلُوا السُّوْءَ بِجَهَالَةٍ ثُمَّ تَابُوْا مِنْ بَعْدِ ذٰلِكَ وَاَصْلَحُوْا اِنَّ رَبَّكَ مِنْ بَعْدِهَا لَغَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘‘যারা অজ্ঞতাবশত মন্দকর্ম করে অতঃপর তওবা করে ও নিজেদেরকে সংশোধন করে তাদের জন্য তোমার প্রতিপালক অবশ্যই অতি ক্ষমাশীল, ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা নাহল- ১১৯)
তাদের গুনাহ আল্লাহ নেকী দ্বারা বদলে দেন :
اِلَّا مَنْ تَابَ وَاٰمَنَ وَعَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَاُولٰئِكَ يُبَدِّلُ اللهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ وَّكَانَ اللهُ غَفُوْرًا رَّحِيْمًا
‘‘যারা তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদের পাপসমুহ্ পুর্ণ্যের দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’’
(সূরা ফুরকান- ৭০)
তাদেরকে আল্লাহ মহাপুরস্কার দেবেন :
اِلَّا الَّذِيْنَ تَابُوْا وَاَصْلَحُوْا وَاعْتَصَمُوْا بِاللهِ وَاَخْلَصُوْا دِيْنَهُمْ للهِ فَاُولٰئِكَ مَعَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَسَوْفَ يُؤْتِ اللهُ الْمُؤْمِنِيْنَ اَجْرًا عَظِيْمًا
‘‘যারা তওবা করে নিজেদেরকে সংশোধন করে, আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে অবলম্বন করে এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে তাদের দ্বীনে একনিষ্ট থাকে, তারা মুমিনদের সঙ্গে থাকবে এবং মুমিনগণকে আল্লাহ অচিরেই মহাপুরস্কার দেবেন। (সূরা নিসা- ১৪৬, ১৪৭)
পাপ থেকে ফিরে আসলে আল্লাহ আযাব দেয়া থেকে ফিরে যান :
فَمَنْ تَابَ مِنْ بَعْدِ ظُلْمِهٖ وَاَصْلَحَ فَاِنَّ اللهَ يَتُوْبُ عَلَيْهِ اِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘‘অতঃপর যে তওবা করে নিজের উপর যুলুম করার পর এবং নিজেকে শুধরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন। আল্লাহ তো অধিক ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা মায়িদা- ৩৯)
তওবাকারীরা সফল হবে
فَاَمَّا مَنْ تَابَ وَاٰمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَعَسٰى اَنْ يَّكُوْنَ مِنَ الْمُفْلِحِيْنَ
‘‘যে ব্যক্তি তওবা করবে এবং ঈমান আনবে ও সৎকর্ম করবে, সে তো সাফল্য অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’’ (সূরা কাসাস- ৬৭)
তওবাকারীদের জন্য ফেরেশতারা দো‘আ করে :
اَلَّذِيْنَ يَحْمِلُوْنَ الْعَرْشَ وَمَنْ حَوْلَهٗ يُسَبِّحُوْنَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيُؤْمِنُوْنَ بِهٖ وَيَسْتَغْفِرُوْنَ لِلَّذِيْنَ اٰمَنُوْا رَبَّنَا وَسِعْتَ كُلَّ شَيْءٍ رَّحْمَةً وَّعِلْمًا فَاغْفِرْ لِلَّذِيْنَ تَابُوْا وَاتَّبَعُوْا سَبِيْلَكَ وَقِهِمْ عَذَابَ الْجَحِيْمِ
‘‘যারা আরশ ধারণ করে আছে এবং যারা এর চতুর্পাশ্বে রয়েছে, তারা প্রশংসার সাথে তাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে এবং তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মুমিনদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে (বলে) হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি জ্ঞান ও রহমত দ্বারা সকল কিছুকেই পরিবেষ্টন করে আছেন। অতএব যারা তওবা করে এবং আপনার পথের অনুসরণ করে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হতে রক্ষা করুন।’’ (সূরা মু’মিন- ৭)
তওবাকারীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে :
اِلَّا مَنْ تَابَ وَاٰمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَاُولٰئِكَ يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُوْنَ شَيْئًا
‘‘যারা তওবা করেছে, ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে তারা তো জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রতি কোন যুলুম করা হবে না।’’ (সূরা মারইয়াম- ৬০)
তাদের জন্য কিয়ামতের দিন বিশেষ নূর থাকবে :
يَا اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا تُوْبُوْا اِلَى اللهِ تَوْبَةً نَّصُوْحًا عَسٰى رَبُّكُمْ اَنْ يُّكَفِّرَ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيُدْخِلَكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِهَا الْاَنْهَارُ يَوْمَ لَا يُخْزِيْ اللهُ النَّبِيَّ وَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مَعَهٗ نُوْرُهُمْ يَسْعٰى بَيْنَ اَيْدِيْهِمْ وَبِاَيْمَانِهِمْ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا اَتْمِمْ لَنَا نُوْرَنَا وَاغْفِرْ لَنَا اِنَّكَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
‘‘হে মুমিনগণ! তোমরা একান্ত বিশুদ্ধভাবে আল্লাহর নিকট তওবা কর; এতে আশা করা যায়, তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের গুনাহগুলোকে ক্ষমা করে দেবেন এবং তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত। সেই দিন আল্লাহ নবী ও তাঁর মুমিন বান্দাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন না। তাদের নূর তাদের সম্মুখে ও ডান পার্শ্বে ধাবিত হবে, তাঁরা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আপনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান।’’ (সূরা তাহরীম- ৮)
তওবা আল্লাহর আযাব থেকে মুক্তি দেয় :
وَمَا كَانَ اللهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَاَنْتَ فِيْهِمْ وَمَا كَانَ اللهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ
‘‘আল্লাহ এমন নন যে, তুমি তাদের মধ্যে থাকবে অথচ তিনি তাদেরকে শাস্তি দেবেন। আর আল্লাহ এমনও নন যে, তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করবে আর তিনি তাদেরকে শাস্তি দেবেন।’’ (সূরা আনফাল- ৩৩)
তওবাকারীদের গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দেন :
وَالَّذِيْنَ عَمِلُوْا السَّيِّئَاتِ ثُمَّ تَابُوْا مِنْ بَعْدِهَا وَاٰمَنُوْا اِنَّ رَبَّكَ مِنْ بَعْدِهَا لَغَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘‘যারা অসৎকার্য করে তারা পরে তওবা করলে ও ঈমান আনলে তোমার প্রতিপালক তো ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা আরাফ ১৫৩)
ثُمَّ اِنَّ رَبَّكَ لِلَّذِيْنَ عَمِلُوا السُّوْءَ بِجَهَالَةٍ ثُمَّ تَابُوْا مِنْ بَعْدِ ذٰلِكَ وَاَصْلَحُوْا اِنَّ رَبَّكَ مِنْ بَعْدِهَا لَغَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘‘যারা অজ্ঞতাবশত মন্দকর্ম করে অতঃপর তওবা করে ও নিজেদেরকে সংশোধন করে তাদের জন্য তোমার প্রতিপালক অবশ্যই অতি ক্ষমাশীল, ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা নাহল- ১১৯)
তাদের গুনাহ আল্লাহ নেকী দ্বারা বদলে দেন :
اِلَّا مَنْ تَابَ وَاٰمَنَ وَعَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَاُولٰئِكَ يُبَدِّلُ اللهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ وَّكَانَ اللهُ غَفُوْرًا رَّحِيْمًا
‘‘যারা তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদের পাপসমুহ্ পুর্ণ্যের দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’’
(সূরা ফুরকান- ৭০)
তাদেরকে আল্লাহ মহাপুরস্কার দেবেন :
اِلَّا الَّذِيْنَ تَابُوْا وَاَصْلَحُوْا وَاعْتَصَمُوْا بِاللهِ وَاَخْلَصُوْا دِيْنَهُمْ للهِ فَاُولٰئِكَ مَعَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَسَوْفَ يُؤْتِ اللهُ الْمُؤْمِنِيْنَ اَجْرًا عَظِيْمًا
‘‘যারা তওবা করে নিজেদেরকে সংশোধন করে, আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে অবলম্বন করে এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে তাদের দ্বীনে একনিষ্ট থাকে, তারা মুমিনদের সঙ্গে থাকবে এবং মুমিনগণকে আল্লাহ অচিরেই মহাপুরস্কার দেবেন। (সূরা নিসা- ১৪৬, ১৪৭)
পাপ থেকে ফিরে আসলে আল্লাহ আযাব দেয়া থেকে ফিরে যান :
فَمَنْ تَابَ مِنْ بَعْدِ ظُلْمِهٖ وَاَصْلَحَ فَاِنَّ اللهَ يَتُوْبُ عَلَيْهِ اِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘‘অতঃপর যে তওবা করে নিজের উপর যুলুম করার পর এবং নিজেকে শুধরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন। আল্লাহ তো অধিক ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা মায়িদা- ৩৯)
তওবাকারীরা সফল হবে
فَاَمَّا مَنْ تَابَ وَاٰمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَعَسٰى اَنْ يَّكُوْنَ مِنَ الْمُفْلِحِيْنَ
‘‘যে ব্যক্তি তওবা করবে এবং ঈমান আনবে ও সৎকর্ম করবে, সে তো সাফল্য অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’’ (সূরা কাসাস- ৬৭)
তওবাকারীদের জন্য ফেরেশতারা দো‘আ করে :
اَلَّذِيْنَ يَحْمِلُوْنَ الْعَرْشَ وَمَنْ حَوْلَهٗ يُسَبِّحُوْنَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيُؤْمِنُوْنَ بِهٖ وَيَسْتَغْفِرُوْنَ لِلَّذِيْنَ اٰمَنُوْا رَبَّنَا وَسِعْتَ كُلَّ شَيْءٍ رَّحْمَةً وَّعِلْمًا فَاغْفِرْ لِلَّذِيْنَ تَابُوْا وَاتَّبَعُوْا سَبِيْلَكَ وَقِهِمْ عَذَابَ الْجَحِيْمِ
‘‘যারা আরশ ধারণ করে আছে এবং যারা এর চতুর্পাশ্বে রয়েছে, তারা প্রশংসার সাথে তাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে এবং তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মুমিনদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে (বলে) হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি জ্ঞান ও রহমত দ্বারা সকল কিছুকেই পরিবেষ্টন করে আছেন। অতএব যারা তওবা করে এবং আপনার পথের অনুসরণ করে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হতে রক্ষা করুন।’’ (সূরা মু’মিন- ৭)
তওবাকারীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে :
اِلَّا مَنْ تَابَ وَاٰمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَاُولٰئِكَ يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُوْنَ شَيْئًا
‘‘যারা তওবা করেছে, ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে তারা তো জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রতি কোন যুলুম করা হবে না।’’ (সূরা মারইয়াম- ৬০)
তাদের জন্য কিয়ামতের দিন বিশেষ নূর থাকবে :
يَا اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا تُوْبُوْا اِلَى اللهِ تَوْبَةً نَّصُوْحًا عَسٰى رَبُّكُمْ اَنْ يُّكَفِّرَ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيُدْخِلَكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِيْ مِنْ تَحْتِهَا الْاَنْهَارُ يَوْمَ لَا يُخْزِيْ اللهُ النَّبِيَّ وَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مَعَهٗ نُوْرُهُمْ يَسْعٰى بَيْنَ اَيْدِيْهِمْ وَبِاَيْمَانِهِمْ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا اَتْمِمْ لَنَا نُوْرَنَا وَاغْفِرْ لَنَا اِنَّكَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
‘‘হে মুমিনগণ! তোমরা একান্ত বিশুদ্ধভাবে আল্লাহর নিকট তওবা কর; এতে আশা করা যায়, তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের গুনাহগুলোকে ক্ষমা করে দেবেন এবং তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত। সেই দিন আল্লাহ নবী ও তাঁর মুমিন বান্দাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন না। তাদের নূর তাদের সম্মুখে ও ডান পার্শ্বে ধাবিত হবে, তাঁরা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আপনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান।’’ (সূরা তাহরীম- ৮)
তওবা আল্লাহর আযাব থেকে মুক্তি দেয় :
وَمَا كَانَ اللهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَاَنْتَ فِيْهِمْ وَمَا كَانَ اللهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ
‘‘আল্লাহ এমন নন যে, তুমি তাদের মধ্যে থাকবে অথচ তিনি তাদেরকে শাস্তি দেবেন। আর আল্লাহ এমনও নন যে, তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করবে আর তিনি তাদেরকে শাস্তি দেবেন।’’ (সূরা আনফাল- ৩৩)