১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৩
তওবার উপর অটল থাকার পদ্ধতি
১. সর্বদা পাপের প্রতি ঘৃণাবোধ জাগ্রত রাখা।
২. পাপ ও তার কুফলের কদর্যতা অনুভব করা।
৩. তাহাজ্জুদের নামায পড়ে সর্বদা আল্লাহর কাছে দু‘আ করা, যাতে করে পুনরায় পাপে জড়িয়ে না পড়তে হয়।
৪. হারাম দ্রব্যাদি যা সংগ্রহে আছে তা নষ্ট করে ফেলা। যেমন, মাদকদ্রব্য, বাদ্যযন্ত্র, মূর্তি ও প্রাণীর ছবি এবং ইসলাম বিরোধী সাহিত্য ও ভাস্কর্য ইত্যাদি। এগুলো ভেঙ্গে ফেলা, নষ্ট করা অথবা পুড়িয়ে ফেলা জরুরি।
৫. ভাল ও উপকারী কাজে নিজের সময় ব্যয় করা- যাতে শয়তানী কাজের সুযোগ হাতে না থাকে।
৬. সৎপথে অবিচল থাকার জন্য সহায়ক বন্ধু নির্বাচন করা- যারা দুষ্ট বন্ধুদের বিকল্প হবে।
৭. যে পাপ কাজে সহযোগিতা করে বা উৎসাহ দেয় তার থেকে দূরে থাকা। কেননা যে পাপ কাজে সহযোগিতা করে সে কখনো প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না। মূলত সে-ই হচ্ছে প্রকৃত শত্রু। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
اَ لْاَخِلَّاءُ يَوْمَئِذٍ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ اِلَّا الْمُتَّقِيْنَ
‘‘পরহেযগার বন্ধু ছাড়া অন্য সকল বন্ধু সেদিন শত্রু হয়ে যাবে।’’
(সূরা যুখরূফ- ৬৭)
এসব বন্ধুরা কিয়ামতের দিন একে অপরকে অভিশাপ দেবে আর উক্ত সৎ বন্ধুদের দেখে আফসোস করবে। অতএব আল্লাহর পথের পথিক হিসেবে আমাদের উচিত সেসব বন্ধুদের অনিষ্ট থেকে নিজেকে যথাসম্ভব বিরত রাখা এবং অপরকে সতর্ক করা। সম্ভব হলে তাদেরকে সংশোধন করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা। আর শয়তানের প্ররোচণা থেকে সতর্ক থাকা। কেননা অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে অনেকে পুরনো বন্ধুর সাথে সম্পর্ক গড়তে গিয়ে আবার পাপের পথে ফিরে গেছে।
২. পাপ ও তার কুফলের কদর্যতা অনুভব করা।
৩. তাহাজ্জুদের নামায পড়ে সর্বদা আল্লাহর কাছে দু‘আ করা, যাতে করে পুনরায় পাপে জড়িয়ে না পড়তে হয়।
৪. হারাম দ্রব্যাদি যা সংগ্রহে আছে তা নষ্ট করে ফেলা। যেমন, মাদকদ্রব্য, বাদ্যযন্ত্র, মূর্তি ও প্রাণীর ছবি এবং ইসলাম বিরোধী সাহিত্য ও ভাস্কর্য ইত্যাদি। এগুলো ভেঙ্গে ফেলা, নষ্ট করা অথবা পুড়িয়ে ফেলা জরুরি।
৫. ভাল ও উপকারী কাজে নিজের সময় ব্যয় করা- যাতে শয়তানী কাজের সুযোগ হাতে না থাকে।
৬. সৎপথে অবিচল থাকার জন্য সহায়ক বন্ধু নির্বাচন করা- যারা দুষ্ট বন্ধুদের বিকল্প হবে।
৭. যে পাপ কাজে সহযোগিতা করে বা উৎসাহ দেয় তার থেকে দূরে থাকা। কেননা যে পাপ কাজে সহযোগিতা করে সে কখনো প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না। মূলত সে-ই হচ্ছে প্রকৃত শত্রু। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
اَ لْاَخِلَّاءُ يَوْمَئِذٍ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ اِلَّا الْمُتَّقِيْنَ
‘‘পরহেযগার বন্ধু ছাড়া অন্য সকল বন্ধু সেদিন শত্রু হয়ে যাবে।’’
(সূরা যুখরূফ- ৬৭)
এসব বন্ধুরা কিয়ামতের দিন একে অপরকে অভিশাপ দেবে আর উক্ত সৎ বন্ধুদের দেখে আফসোস করবে। অতএব আল্লাহর পথের পথিক হিসেবে আমাদের উচিত সেসব বন্ধুদের অনিষ্ট থেকে নিজেকে যথাসম্ভব বিরত রাখা এবং অপরকে সতর্ক করা। সম্ভব হলে তাদেরকে সংশোধন করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা। আর শয়তানের প্ররোচণা থেকে সতর্ক থাকা। কেননা অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে অনেকে পুরনো বন্ধুর সাথে সম্পর্ক গড়তে গিয়ে আবার পাপের পথে ফিরে গেছে।