১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০
তওবার গুরুত্ব
বান্দা কর্তৃক পাপ সংঘটিত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু পাপ সংঘটিত হয়ে গেলে লজ্জিত হয়ে আল্লাহ তা’আলার নিকট ক্ষমা চেয়ে পাপ থেকে ফিরে আসতে হবে তাহলে আল্লাহ তা’আলা বান্দার সেই পাপকে ক্ষমা করে দেবেন। এজন্য তওবার গুরুত্ব অপরিসীম।
যেসব বান্দারা আল্লাহর কাছে তওবা করে না আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন না। বরং তিনি সেসব বান্দাদের বেশি ভালবাসেন, যারা সর্বদা নিজেদের ভুল স্বীকার করে এবং বেশি বেশি তওবা করে থাকে।
আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন-
كُلُّ بَنِي اٰدَمَ خَطَّاءٌ ، وَخَيْرُ الْخَطَّائِينَ التَّوَّابُونَ
‘‘প্রত্যেক লোকই পাপী। আর সর্বোত্তম পাপী হচ্ছে যারা বেশি বেশি তওবা করে থাকে।’’ (তিরমিযী হা: ২৪৯৯)
পাপ মোচনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে তওবা। এমন কোন পাপ নেই যা আল্লাহ তা‘আলা তওবার মাধ্যমে ক্ষমা করেন না। বান্দার পাপের পরিমাণ যদি আকাশচুম্বী হয় তবুও তিনি তওবার কারণে তাকে ক্ষমা করে দেন। তিনি বলেন-
قُلْ يَا عِبَادِيْ الَّذِيْنَ اَسْرَفُوْا عَلٰى اَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوْا مِنْ رَّحْمَةِ اللهِ اِنَّ اللهَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ جَمِيْعًا اِنَّهٗ هُوْ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ
‘‘বল হে আমার বান্দারা! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ তারা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না; আল্লাহ সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা যুমার- ৫৩)
তওবা হচ্ছে একটি ইবাদাত। কেননা এর দ্বারা আল্লাহর আদেশকে মান্য করা হয়। আর যা দ্বারা আল্লাহর আদেশ মান্য করা হয় তাই ইবাদাত।
সর্বোপরি বান্দার পাপকর্মের শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তওবার গুরুত্ব অপরিসীম। যেহেতু আল্লাহ তা‘আলা নিজেই তওবা কবুলের ঘোষণা দিয়েছেন, সেহেতু প্রত্যেক মুমিন বান্দার কর্তব্য হল সবসময় তওবা ও ইস্তেগফার করা। কেননা জীবনের কোন নিশ্চয়তা নেই। মানুষ হিসেবে তাকে যেকোন সময় মৃত্যুবরণ করতে হবে। আর সে যদি তওবা না করেই মৃত্যুবরণ করে তাহলে কবরে ভীষণ আযাব ভোগ করতে হবে।
আর পরকালেও এজন্য ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। তাই সকল মুসলিম নর-নারীর জন্য প্রতিদিনই খালিস নিয়তে তওবা করা অতীব জরুরি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা আমাদেরকে সে তাওফীক দান করুন। আমীন!
যেসব বান্দারা আল্লাহর কাছে তওবা করে না আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন না। বরং তিনি সেসব বান্দাদের বেশি ভালবাসেন, যারা সর্বদা নিজেদের ভুল স্বীকার করে এবং বেশি বেশি তওবা করে থাকে।
আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন-
كُلُّ بَنِي اٰدَمَ خَطَّاءٌ ، وَخَيْرُ الْخَطَّائِينَ التَّوَّابُونَ
‘‘প্রত্যেক লোকই পাপী। আর সর্বোত্তম পাপী হচ্ছে যারা বেশি বেশি তওবা করে থাকে।’’ (তিরমিযী হা: ২৪৯৯)
পাপ মোচনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে তওবা। এমন কোন পাপ নেই যা আল্লাহ তা‘আলা তওবার মাধ্যমে ক্ষমা করেন না। বান্দার পাপের পরিমাণ যদি আকাশচুম্বী হয় তবুও তিনি তওবার কারণে তাকে ক্ষমা করে দেন। তিনি বলেন-
قُلْ يَا عِبَادِيْ الَّذِيْنَ اَسْرَفُوْا عَلٰى اَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوْا مِنْ رَّحْمَةِ اللهِ اِنَّ اللهَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ جَمِيْعًا اِنَّهٗ هُوْ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ
‘‘বল হে আমার বান্দারা! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ তারা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না; আল্লাহ সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা যুমার- ৫৩)
তওবা হচ্ছে একটি ইবাদাত। কেননা এর দ্বারা আল্লাহর আদেশকে মান্য করা হয়। আর যা দ্বারা আল্লাহর আদেশ মান্য করা হয় তাই ইবাদাত।
সর্বোপরি বান্দার পাপকর্মের শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তওবার গুরুত্ব অপরিসীম। যেহেতু আল্লাহ তা‘আলা নিজেই তওবা কবুলের ঘোষণা দিয়েছেন, সেহেতু প্রত্যেক মুমিন বান্দার কর্তব্য হল সবসময় তওবা ও ইস্তেগফার করা। কেননা জীবনের কোন নিশ্চয়তা নেই। মানুষ হিসেবে তাকে যেকোন সময় মৃত্যুবরণ করতে হবে। আর সে যদি তওবা না করেই মৃত্যুবরণ করে তাহলে কবরে ভীষণ আযাব ভোগ করতে হবে।
আর পরকালেও এজন্য ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। তাই সকল মুসলিম নর-নারীর জন্য প্রতিদিনই খালিস নিয়তে তওবা করা অতীব জরুরি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা আমাদেরকে সে তাওফীক দান করুন। আমীন!