১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
গীবতে লিপ্ত হওয়ার কারণ
গীবত মূলত শয়তানের ওয়াসওয়াসা। এ কারণে মানুষ অনিচ্ছায় গীবতে লিপ্ত হয়। কিন্তু খুব কম লোকই তা ধরতে পারে। তাছাড়া মানুষ সাধারণভাবে যেসব কারণে গীবতে লিপ্ত হয়ে থাকে তা হল :
১. ক্রোধের কারণে :
গীবতের সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে ক্রোধ। মানুষ যখন কোন কারণে কারো উপর রাগান্বিত হয় তখনই তার গীবত শুরু করে দেয়। কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তির প্রতি রুষ্ট হলে উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে মনের ঝাল মিটানোর জন্য অপরের দোষচর্চা করে থাকে।
২. শত্রুতার কারণে :
শত্রুতা হচ্ছে গীবত সংঘটিত হওয়ার অন্যতম কারণ। যখন কেউ কারো উপর শত্রুতা পোষণ করে তখনই সে তার শত্রুর গীবতে লিপ্ত হয়।
৩. কাউকে অপমান করার জন্য :
যখন কোন ব্যক্তি কারো উপর নাখোশ হয় তখনই তাকে সে অপমান করার ইচ্ছা পোষণ করে। কোন ব্যক্তিকে অপমান করার উদ্দেশ্যে মানুষ গীবতে লিপ্ত হয়ে পড়ে।
৪. কথার তাল মিলানোর জন্য :
কাউকে গীবত করতে দেখলে অনেক সময় কথার তাল মিলাতে গিয়ে অন্যরাও গীবতে লিপ্ত হয়ে পড়ে।
৫. অহংকার ও আত্মগর্বের কারণে :
গীবতের আরেকটি বড় উৎস হচ্ছে গর্ব ও অহংকার। অহংকারের কারণেই মানুষ নিজেকে বড় ও অন্যকে ছোট ভাবতে শুরু করে। নিজের সব কিছুকেই মনে করে গুণ, আর অন্যের সবকিছুই মনে করে দোষ। যেমন কারো এ কথা বলা যে, অমুক ব্যক্তি একবারেই মূর্খ, তার কোন বোধশক্তি নেই। এ কথার দ্বারা সে বুঝাতে চায় যে, সেই সত্যিকারের জ্ঞানী এবং অন্যরা খুব কমই জ্ঞাত। এভাবে ব্যক্তি নিজের এহেন অহংকার ও আত্মগর্বের কারণে গীবতের মত নিকৃষ্ট কাজে জড়িয়ে পড়ে।
৬. হিংসার কারণে :
হিংসার কারণেও মানুষ গীবত করে থাকে। কোন ব্যক্তির মধ্যে যখন কোন ভাল গুণ থাকে এবং এর মাধ্যমে সে সমাজে খ্যাতি লাভ করে তখন তার হিংসুকরা তার সমালোচনা শুরু করে দেয়।
৯. হাসি-তামাশা ও ঠাট্টাচ্ছলে :
হাসি-তামাশা ও ঠাট্টাচ্ছলে মানুষ গীবতে লিপ্ত হতে পারে। তবে সময় কাটানোই এর মূল লক্ষ্য হয়ে থাকে।
১০. অন্যের কাজকে খারাপ মনে করার কারণে :
অন্যের কোন কাজ খারাপ লাগলে মানুষ ঐ কাজের সমালোচানা করতে গিয়ে গীবতে লিপ্ত হয়ে পড়ে।
১১. পার্থিব সম্মান লাভের আশায় :
কারো কাছে প্রিয় পাত্র হওয়ার জন্যও মানুষ অনেক সময় অন্যের গীবতে লিপ্ত হয়ে থাকে।
১. ক্রোধের কারণে :
গীবতের সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে ক্রোধ। মানুষ যখন কোন কারণে কারো উপর রাগান্বিত হয় তখনই তার গীবত শুরু করে দেয়। কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তির প্রতি রুষ্ট হলে উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে মনের ঝাল মিটানোর জন্য অপরের দোষচর্চা করে থাকে।
২. শত্রুতার কারণে :
শত্রুতা হচ্ছে গীবত সংঘটিত হওয়ার অন্যতম কারণ। যখন কেউ কারো উপর শত্রুতা পোষণ করে তখনই সে তার শত্রুর গীবতে লিপ্ত হয়।
৩. কাউকে অপমান করার জন্য :
যখন কোন ব্যক্তি কারো উপর নাখোশ হয় তখনই তাকে সে অপমান করার ইচ্ছা পোষণ করে। কোন ব্যক্তিকে অপমান করার উদ্দেশ্যে মানুষ গীবতে লিপ্ত হয়ে পড়ে।
৪. কথার তাল মিলানোর জন্য :
কাউকে গীবত করতে দেখলে অনেক সময় কথার তাল মিলাতে গিয়ে অন্যরাও গীবতে লিপ্ত হয়ে পড়ে।
৫. অহংকার ও আত্মগর্বের কারণে :
গীবতের আরেকটি বড় উৎস হচ্ছে গর্ব ও অহংকার। অহংকারের কারণেই মানুষ নিজেকে বড় ও অন্যকে ছোট ভাবতে শুরু করে। নিজের সব কিছুকেই মনে করে গুণ, আর অন্যের সবকিছুই মনে করে দোষ। যেমন কারো এ কথা বলা যে, অমুক ব্যক্তি একবারেই মূর্খ, তার কোন বোধশক্তি নেই। এ কথার দ্বারা সে বুঝাতে চায় যে, সেই সত্যিকারের জ্ঞানী এবং অন্যরা খুব কমই জ্ঞাত। এভাবে ব্যক্তি নিজের এহেন অহংকার ও আত্মগর্বের কারণে গীবতের মত নিকৃষ্ট কাজে জড়িয়ে পড়ে।
৬. হিংসার কারণে :
হিংসার কারণেও মানুষ গীবত করে থাকে। কোন ব্যক্তির মধ্যে যখন কোন ভাল গুণ থাকে এবং এর মাধ্যমে সে সমাজে খ্যাতি লাভ করে তখন তার হিংসুকরা তার সমালোচনা শুরু করে দেয়।
৯. হাসি-তামাশা ও ঠাট্টাচ্ছলে :
হাসি-তামাশা ও ঠাট্টাচ্ছলে মানুষ গীবতে লিপ্ত হতে পারে। তবে সময় কাটানোই এর মূল লক্ষ্য হয়ে থাকে।
১০. অন্যের কাজকে খারাপ মনে করার কারণে :
অন্যের কোন কাজ খারাপ লাগলে মানুষ ঐ কাজের সমালোচানা করতে গিয়ে গীবতে লিপ্ত হয়ে পড়ে।
১১. পার্থিব সম্মান লাভের আশায় :
কারো কাছে প্রিয় পাত্র হওয়ার জন্যও মানুষ অনেক সময় অন্যের গীবতে লিপ্ত হয়ে থাকে।