১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৬
তওবার শর্তাবলী
তওবা করার জন্য কিছু শর্ত অনুসরণ করতে হবে। সেগুলো হল :
১. বর্তমানে যে গুনাহে লিপ্ত রয়েছে, তা অবিলম্বে বর্জন করতে হবে।
২. অতীতের কৃত গুনাহের জন্য আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করে অনুতপ্ত হতে হবে।
৩. ভবিষ্যতে আর কখনো উক্ত পাপ কাজ না করার সুদৃঢ় অঙ্গীকার করতে হবে।
৪. যেসব ফরজ ও ওয়াজিবের কাজা আদায় করা ওয়াজিব সেগুলোর কাজা আদায় করা।
৫. তওবাকারীর গুনাহের সাথে যদি বান্দার হক সম্পৃক্ত থাকে, তবে তার মীমাংসা করতে হবে। প্রাপক জীবিত থাকলে তাকে তার হক ফেরত দিতে হবে অথবা মাফ চেয়ে নিতে হবে। প্রাপক জীবিত না থাকলে তার ওয়ারিসদেরকে তা ফেরত দিতে হবে।
৬. কাউকে হাত বা মুখ দিয়ে কষ্ট দিয়ে থাকলে বা গালি দিয়ে থাকলে বা কারো গীবত করে থাকলে যেভাবে সম্ভব তাকে সন্তুষ্ট করে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।
৭. এসব শর্ত ছাড়াও আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। আর তা হল, শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য পাপ ছেড়ে দেয়া এবং তাঁর জন্যই তওবা করা, অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।
১. বর্তমানে যে গুনাহে লিপ্ত রয়েছে, তা অবিলম্বে বর্জন করতে হবে।
২. অতীতের কৃত গুনাহের জন্য আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করে অনুতপ্ত হতে হবে।
৩. ভবিষ্যতে আর কখনো উক্ত পাপ কাজ না করার সুদৃঢ় অঙ্গীকার করতে হবে।
৪. যেসব ফরজ ও ওয়াজিবের কাজা আদায় করা ওয়াজিব সেগুলোর কাজা আদায় করা।
৫. তওবাকারীর গুনাহের সাথে যদি বান্দার হক সম্পৃক্ত থাকে, তবে তার মীমাংসা করতে হবে। প্রাপক জীবিত থাকলে তাকে তার হক ফেরত দিতে হবে অথবা মাফ চেয়ে নিতে হবে। প্রাপক জীবিত না থাকলে তার ওয়ারিসদেরকে তা ফেরত দিতে হবে।
৬. কাউকে হাত বা মুখ দিয়ে কষ্ট দিয়ে থাকলে বা গালি দিয়ে থাকলে বা কারো গীবত করে থাকলে যেভাবে সম্ভব তাকে সন্তুষ্ট করে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।
৭. এসব শর্ত ছাড়াও আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। আর তা হল, শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য পাপ ছেড়ে দেয়া এবং তাঁর জন্যই তওবা করা, অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।