১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
আল্লাহর ক্ষমাপরায়ণতা
আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তাঁর ক্ষমা ও দয়া মানুষ কল্পনাও করতে পারে না। কুরআনের মধ্যে আল্লাহ তা’আলা বলেন-
وَاِنْ تَعُدُوْا نِعْمَةَ اللهِ لَا تُحْصُوْهَا اِنَّ اللهَ لَغَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘‘তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করলে এর সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ অধিক ক্ষমাপরায়ণ ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা নাহল- ১৮)
نَبِّئْ عِبَادِيْ اَنِّيْ اَنَا الْغَفُوْرُ الرَّحِيْم ---- - وَاَنَّ عَذَابِي هُوَ الْعَذَابُ الْاَلِيمُ ُ
‘‘আমার বান্দাদেরকে বলে দাও যে, আমি তো অধিক ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। আর নিশ্চয় আমার শাসিত্মও যন্ত্রণাদায়ক ’’ (সূরা হিজর- ৪৯)
وَاِنَّ رَبَّكَ لَذُوْ مَغْفِرَةٍ لِّلنَّاسِ عَلٰى ظُلْمِهِمْ وَاِنَّ رَبَّكَ لَشَدِيْدُ الْعِقَابِ
‘‘মানুষের সীমালঙ্ঘন সত্ত্বেও তোমার প্রতিপালক মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল এবং তোমার প্রতিপালক শাসিত্ম দানেও কঠোর।’’ (সূরা রা‘দ্- ৬)
وَرَبُّكَ الْغَفُوْرُ ذُوْ الرَّحْمَةِ لَوْ يُؤَاخِذُهُمْ بِمَا كَسَبُوْا لَعَجَّلَ لَهُمُ الْعَذَابَ بَلْ لَهُمْ مَوْعِدٌ لَّنْ يَّجِدُوْا مِنْ دُوْنِهٖ مَوْئِلًا
‘‘তোমার প্রতিপালক পরম ক্ষমাশীল ও দয়াবান। তাদের (মানুষের) কৃতকর্মের জন্য যদি তিনি তাদেরকে পাকড়াও করতে চাইতেন, তবে তিনি অবশ্যই তাদের শাসিত্ম ত্বরান্বিত করতেন। কিন্তু তাদের জন্য রয়েছে এক প্রতিশ্রুতি মুহুর্ত, যা হতে তারা কখনই কোন আশ্রয়স্থল পাবে না।’’
(সূরা কাহ্ফ- ৫৮)
اِنَّ رَبَّكَ وَاسِعُ الْمَغْفِرَةِ هُوْ اَعْلَمُ بِكُمْ اِذْ اَنْشَاَكُمْ مِنَ الْاَرْضِ وَاِذْ اَنْتُمْ اَجِنَّةٌ فِيْ بُطُوْنِ اُمَّهَاتِكُمْ فَلَا تُزَكُوْا اَنْفُسَكُمْ هُوْ اَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقٰى
‘‘তোমার প্রতিপালকের ক্ষমা অপরিসীম; তিনি তোমাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত, যখন তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছিলেন মাটি হতে এবং এক সময় তোমরা মাতৃগর্ভে ভ্রুণরূপে ছিলে। অতএব তোমরা আত্মপ্রশংসা করো না; তিনিই ভাল জানেন কে মুত্তাকী ।’’ (সূরা নাজম- ৩২)
আল্লাহর ক্ষমা সীমাহীন :
حَدَّثَنَا اَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ َ وَسَلَّمَ - يَقُولُ - قَالَ اللهُ يَا ابْنَ اٰدَمَ إِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِى وَرَجَوْتَنِى غَفَرْتُ لَكَ عَلٰى مَا كَانَ فِيكَ وَلَا اُبَالِى يَا ابْنَ اَدَمَ لَوْ بَلَغَتْ ذُنُوبُكَ عَنَانَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِى غَفَرْتُ لَكَ وَلَا اُبَالِى يَا ابْنَ اُدَمَ إِنَّكَ لَوْ أَتَيْتَنِى بِقُرَابِ الْاَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيتَنِى لَاتُشْرِكُ بِى شَيْئًا لَأَتَيْتُكَ بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً
আনাস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল ﷺ কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, হে আদমসন্তান! তুমি যতক্ষণ আমার নিকট প্রার্থনা করতে থাকবে এবং আমার প্রতি আশা পোষণ করতে থাকবে, আমি তোমাকে ক্ষমা করতে থাকব। তোমার পাপের পরিমাণ যতই হোক না কেন আমি পরোওয়া করি না। হে আদমসন্তান! যদি তোমার পাপ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়, আর তুমি আমার নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা কর তাহলেও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব। হে আদমসন্তান! তুমি যদি আমার নিকট এতবেশি পাপ নিয়ে আগমন কর যে, তার দ্বারা সমগ্র পৃথিবী ভরেও যায়, আর তুমি কাউকে আমার সাথে শরীক না কর, তা হলে আমিও পৃথিবী পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার দিকে আসব। (তিরমিযী : ৩৫৪০)
এ হাদীসটি মুমিন বান্দাদের জন্য একটি সাধারণ ঘোষণা বিশেষ। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মাগফেরাতের জন্য এমন ব্যবস্থা করে রেখেছেন যে, তারা বিনয় ও নম্রতা সহকারে তাঁর দরবারে দৃঢ় প্রত্যাশী হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করলে আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে এত ক্ষমা উপহার দেবেন যে, বান্দা তা কল্পনাও করতে পারবে না।
وَاِنْ تَعُدُوْا نِعْمَةَ اللهِ لَا تُحْصُوْهَا اِنَّ اللهَ لَغَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ
‘‘তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করলে এর সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ অধিক ক্ষমাপরায়ণ ও পরম দয়ালু।’’ (সূরা নাহল- ১৮)
نَبِّئْ عِبَادِيْ اَنِّيْ اَنَا الْغَفُوْرُ الرَّحِيْم ---- - وَاَنَّ عَذَابِي هُوَ الْعَذَابُ الْاَلِيمُ ُ
‘‘আমার বান্দাদেরকে বলে দাও যে, আমি তো অধিক ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। আর নিশ্চয় আমার শাসিত্মও যন্ত্রণাদায়ক ’’ (সূরা হিজর- ৪৯)
وَاِنَّ رَبَّكَ لَذُوْ مَغْفِرَةٍ لِّلنَّاسِ عَلٰى ظُلْمِهِمْ وَاِنَّ رَبَّكَ لَشَدِيْدُ الْعِقَابِ
‘‘মানুষের সীমালঙ্ঘন সত্ত্বেও তোমার প্রতিপালক মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল এবং তোমার প্রতিপালক শাসিত্ম দানেও কঠোর।’’ (সূরা রা‘দ্- ৬)
وَرَبُّكَ الْغَفُوْرُ ذُوْ الرَّحْمَةِ لَوْ يُؤَاخِذُهُمْ بِمَا كَسَبُوْا لَعَجَّلَ لَهُمُ الْعَذَابَ بَلْ لَهُمْ مَوْعِدٌ لَّنْ يَّجِدُوْا مِنْ دُوْنِهٖ مَوْئِلًا
‘‘তোমার প্রতিপালক পরম ক্ষমাশীল ও দয়াবান। তাদের (মানুষের) কৃতকর্মের জন্য যদি তিনি তাদেরকে পাকড়াও করতে চাইতেন, তবে তিনি অবশ্যই তাদের শাসিত্ম ত্বরান্বিত করতেন। কিন্তু তাদের জন্য রয়েছে এক প্রতিশ্রুতি মুহুর্ত, যা হতে তারা কখনই কোন আশ্রয়স্থল পাবে না।’’
(সূরা কাহ্ফ- ৫৮)
اِنَّ رَبَّكَ وَاسِعُ الْمَغْفِرَةِ هُوْ اَعْلَمُ بِكُمْ اِذْ اَنْشَاَكُمْ مِنَ الْاَرْضِ وَاِذْ اَنْتُمْ اَجِنَّةٌ فِيْ بُطُوْنِ اُمَّهَاتِكُمْ فَلَا تُزَكُوْا اَنْفُسَكُمْ هُوْ اَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقٰى
‘‘তোমার প্রতিপালকের ক্ষমা অপরিসীম; তিনি তোমাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত, যখন তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছিলেন মাটি হতে এবং এক সময় তোমরা মাতৃগর্ভে ভ্রুণরূপে ছিলে। অতএব তোমরা আত্মপ্রশংসা করো না; তিনিই ভাল জানেন কে মুত্তাকী ।’’ (সূরা নাজম- ৩২)
আল্লাহর ক্ষমা সীমাহীন :
حَدَّثَنَا اَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ َ وَسَلَّمَ - يَقُولُ - قَالَ اللهُ يَا ابْنَ اٰدَمَ إِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِى وَرَجَوْتَنِى غَفَرْتُ لَكَ عَلٰى مَا كَانَ فِيكَ وَلَا اُبَالِى يَا ابْنَ اَدَمَ لَوْ بَلَغَتْ ذُنُوبُكَ عَنَانَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِى غَفَرْتُ لَكَ وَلَا اُبَالِى يَا ابْنَ اُدَمَ إِنَّكَ لَوْ أَتَيْتَنِى بِقُرَابِ الْاَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيتَنِى لَاتُشْرِكُ بِى شَيْئًا لَأَتَيْتُكَ بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً
আনাস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল ﷺ কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, হে আদমসন্তান! তুমি যতক্ষণ আমার নিকট প্রার্থনা করতে থাকবে এবং আমার প্রতি আশা পোষণ করতে থাকবে, আমি তোমাকে ক্ষমা করতে থাকব। তোমার পাপের পরিমাণ যতই হোক না কেন আমি পরোওয়া করি না। হে আদমসন্তান! যদি তোমার পাপ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়, আর তুমি আমার নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা কর তাহলেও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব। হে আদমসন্তান! তুমি যদি আমার নিকট এতবেশি পাপ নিয়ে আগমন কর যে, তার দ্বারা সমগ্র পৃথিবী ভরেও যায়, আর তুমি কাউকে আমার সাথে শরীক না কর, তা হলে আমিও পৃথিবী পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার দিকে আসব। (তিরমিযী : ৩৫৪০)
এ হাদীসটি মুমিন বান্দাদের জন্য একটি সাধারণ ঘোষণা বিশেষ। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মাগফেরাতের জন্য এমন ব্যবস্থা করে রেখেছেন যে, তারা বিনয় ও নম্রতা সহকারে তাঁর দরবারে দৃঢ় প্রত্যাশী হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করলে আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে এত ক্ষমা উপহার দেবেন যে, বান্দা তা কল্পনাও করতে পারবে না।