১
গীবত থেকে বাঁচার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
তওবার মর্যাদা
তওবা একটি মহৎ কাজ। তওবার মাহাত্ম্যের ব্যাপারে রাসূল ﷺ একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন-
لَلّٰهُ اَشَدُّ فَرَحًا بِتَوْبَةِ اَحَدِكُمْ مِنْ اَحَدِكُمْ بِضَالَّتِهٖ اِذَا وَجَدَهَا
তোমাদের কেউ হারানো জিনিস পেয়ে যে পরিমাণ খুশি হয়, আল্লাহ তা‘আলা তার চেয়ে অনেক বেশি খুশি হন যখন কোন বান্দা তাঁর কাছে তওবা করে। (মুসলিম হা: ৭১২৯)
অন্য এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন কোন বান্দা গুনাহ করে ফেলে তারপর বলে اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِىْ ذَنْبِىْ ‘‘হে আল্লাহ! আমার পাপ সমুহ্ ক্ষমা করে দাও।’’ তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমার বান্দা গুনাহ করেছে আর সে এটাও জানে যে, তার একজন রব আছেন যিনি গুনাহ ক্ষমা করে দেন! এভাবে যে বান্দা গুনাহ করে এবং আমার কাছে ক্ষমা চায় আমি আমার সে বান্দাকে ক্ষমা করে দেই। (মুসলিম হা: ৭১৬২)
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তওবার মাহাত্ম্যের কারণে এর সময়সীমাও শেষ দিন পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন। হাদীসে এসেছে-
عَنْ مُعَاوِيَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ َ وَسَلَّمَ - يَقُولُ لَا تَنْقَطِعُ الْهِجْرَةُ حَتّٰى تَنْقَطِعَ التَّوْبَةُ وَلَا تَنْقَطِعُ التَّوْبَةُ حَتّٰى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا
মুয়াবিয়া (রাঃ) রাসূল ﷺ কে বলতে শুনেছেন যে, হিজরত বন্ধ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তওবা বন্ধ না হবে। আর তওবার দরজা বন্ধ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত না হবে। (আবু দাউদ হা: ২৪৮১)
আল্লাহ তা‘আলা প্রতিদিনই বান্দার তওবা কবুল করেন :
عَنْ اَبِىْ مُوْسٰى رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِىِّ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ َ وَسَلَّمَ- قَالَ « اِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْسُطُ يَدَهٗ بِاللَّيْلِ لِيَتُوْبَ مُسِىءُ النَّهَارِ وَيَبْسُطُ يَدَهٗ بِالنَّهَارِ لِيَتُوْبَ مُسِىءُ اللَّيْلِ حَتّٰى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا » .
আবু মূসা (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা সেসব লোকের তওবা কবুল করার জন্য রাত্রিবেলায় হাত প্রসারিত করে থাকেন, যারা দিনের বেলায় পাপাচারে লিপ্ত হয়েছিল এবং সেসব লোকের তওবা কবুল করার জন্য দিনের বেলায় হাত প্রসারিত করে থাকেন, যারা রাত্রিবেলায় পাপাচারে লিপ্ত হয়েছিল। পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্য উদিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত (এরূপ হতে থাকবে)। (মুসলিম হা: ৭১৬৫)
لَلّٰهُ اَشَدُّ فَرَحًا بِتَوْبَةِ اَحَدِكُمْ مِنْ اَحَدِكُمْ بِضَالَّتِهٖ اِذَا وَجَدَهَا
তোমাদের কেউ হারানো জিনিস পেয়ে যে পরিমাণ খুশি হয়, আল্লাহ তা‘আলা তার চেয়ে অনেক বেশি খুশি হন যখন কোন বান্দা তাঁর কাছে তওবা করে। (মুসলিম হা: ৭১২৯)
অন্য এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন কোন বান্দা গুনাহ করে ফেলে তারপর বলে اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِىْ ذَنْبِىْ ‘‘হে আল্লাহ! আমার পাপ সমুহ্ ক্ষমা করে দাও।’’ তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমার বান্দা গুনাহ করেছে আর সে এটাও জানে যে, তার একজন রব আছেন যিনি গুনাহ ক্ষমা করে দেন! এভাবে যে বান্দা গুনাহ করে এবং আমার কাছে ক্ষমা চায় আমি আমার সে বান্দাকে ক্ষমা করে দেই। (মুসলিম হা: ৭১৬২)
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তওবার মাহাত্ম্যের কারণে এর সময়সীমাও শেষ দিন পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন। হাদীসে এসেছে-
عَنْ مُعَاوِيَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ َ وَسَلَّمَ - يَقُولُ لَا تَنْقَطِعُ الْهِجْرَةُ حَتّٰى تَنْقَطِعَ التَّوْبَةُ وَلَا تَنْقَطِعُ التَّوْبَةُ حَتّٰى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا
মুয়াবিয়া (রাঃ) রাসূল ﷺ কে বলতে শুনেছেন যে, হিজরত বন্ধ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তওবা বন্ধ না হবে। আর তওবার দরজা বন্ধ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত না হবে। (আবু দাউদ হা: ২৪৮১)
আল্লাহ তা‘আলা প্রতিদিনই বান্দার তওবা কবুল করেন :
عَنْ اَبِىْ مُوْسٰى رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِىِّ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ َ وَسَلَّمَ- قَالَ « اِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْسُطُ يَدَهٗ بِاللَّيْلِ لِيَتُوْبَ مُسِىءُ النَّهَارِ وَيَبْسُطُ يَدَهٗ بِالنَّهَارِ لِيَتُوْبَ مُسِىءُ اللَّيْلِ حَتّٰى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا » .
আবু মূসা (রাঃ) বলেন, রাসূল ﷺ বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা সেসব লোকের তওবা কবুল করার জন্য রাত্রিবেলায় হাত প্রসারিত করে থাকেন, যারা দিনের বেলায় পাপাচারে লিপ্ত হয়েছিল এবং সেসব লোকের তওবা কবুল করার জন্য দিনের বেলায় হাত প্রসারিত করে থাকেন, যারা রাত্রিবেলায় পাপাচারে লিপ্ত হয়েছিল। পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্য উদিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত (এরূপ হতে থাকবে)। (মুসলিম হা: ৭১৬৫)