১
শিরক
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
‘রিয়া’ থেকে বাঁচার উপায়
আমরা জানতে পেরেছি যে, ‘রিয়া’ করার মূল কারণ হচ্ছে ঈমানের দূর্বলতা। তাই যে সকল আমলের দ্বারা একজন ব্যক্তির ঈমান বৃদ্ধি পায়, ঐ সকল আমলের দ্বারাই ‘রিয়া’ এর প্রভাব কমানো সম্ভব। এর মধ্য থেকে কিছু বিষয় এখানে উল্লেখ করা হলো-
১. জ্ঞান বৃদ্ধি করা :
তাওহীদ সম্পর্কে ইলম বৃদ্ধি করা, ‘রিয়া’ এর ক্ষতিকর দিকগুলো চিন্তা করা, আর মনে মনে এ ধারণা করা যে, আল্লাহ আমাকে দেখতে পাচ্ছেন।
২. জিকির">দু’আ করা :
একদা সাহাবায়ে কিরামগণ রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে জিজ্ঞেস করলেন যে, শিরক যখন পিপড়ার চলার চেয়েও সূক্ষ্ম, তাহলে আমাদের জন্য তার থেকে বাঁচার উপায় কি? রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন তোমরা আল্লাহর কাছে এই দু‘আ কর :
اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ نُّشْرِكَ بِكَ شَيْئًا نَعْلَمُهٗ وَنَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا نَعْلَمُ
হে আল্লাহ! আমাদের জানা অবস্থায় তোমার সাথে শিরক থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থণা করছি। আর অজানা অবস্থায় (শিরক) হয়ে গেলে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। (মুসনাদে আহমেদ ১৯৬০৬)
৩. ভালো আমল গোপন রাখা :
আহলে সুন্নাহর কিছু আলেমগণ বলেছেন, আমাদের পূর্বের লোকেরা এমনভাবে ইবাদত করতে পছন্দ করতেন যে, তাদের স্ত্রী অথবা ঘনিষ্ট বন্ধুরাও এ বিষয় জানতে পারত না।
৪. নিজের দোষ ত্রুটির ব্যাপারে অনুতপ্ত হওয়া :
৫. জ্ঞানী বা আল্লাহ্ভীরু ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকা :
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَكُوْنُوْا مَعَ الصَّادِقِيْنَ﴾
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমরা সত্যবাদীদের সাথে থাক। (সূরা তাওবা ৯:১১৯)
১. জ্ঞান বৃদ্ধি করা :
তাওহীদ সম্পর্কে ইলম বৃদ্ধি করা, ‘রিয়া’ এর ক্ষতিকর দিকগুলো চিন্তা করা, আর মনে মনে এ ধারণা করা যে, আল্লাহ আমাকে দেখতে পাচ্ছেন।
২. জিকির">দু’আ করা :
একদা সাহাবায়ে কিরামগণ রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে জিজ্ঞেস করলেন যে, শিরক যখন পিপড়ার চলার চেয়েও সূক্ষ্ম, তাহলে আমাদের জন্য তার থেকে বাঁচার উপায় কি? রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন তোমরা আল্লাহর কাছে এই দু‘আ কর :
اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ نُّشْرِكَ بِكَ شَيْئًا نَعْلَمُهٗ وَنَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا نَعْلَمُ
হে আল্লাহ! আমাদের জানা অবস্থায় তোমার সাথে শিরক থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থণা করছি। আর অজানা অবস্থায় (শিরক) হয়ে গেলে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। (মুসনাদে আহমেদ ১৯৬০৬)
৩. ভালো আমল গোপন রাখা :
আহলে সুন্নাহর কিছু আলেমগণ বলেছেন, আমাদের পূর্বের লোকেরা এমনভাবে ইবাদত করতে পছন্দ করতেন যে, তাদের স্ত্রী অথবা ঘনিষ্ট বন্ধুরাও এ বিষয় জানতে পারত না।
৪. নিজের দোষ ত্রুটির ব্যাপারে অনুতপ্ত হওয়া :
৫. জ্ঞানী বা আল্লাহ্ভীরু ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকা :
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَكُوْنُوْا مَعَ الصَّادِقِيْنَ﴾
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমরা সত্যবাদীদের সাথে থাক। (সূরা তাওবা ৯:১১৯)