১
শিরক
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
পীর-দরবেশ, ওলী-আউলিয়া এবং কবরে শায়িতদের নিকট দোয়া-প্রার্থনা করা
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿وَلَا تَدْعُ مِنْ دُوْنِ اللهِ مَا لَا يَنْفَعُكَ وَلَا يَضُرُّكَ فَإِنْ فَعَلْتَ فَإِنَّكَ إِذًا مِنَ الظَّالِمِيْنَ﴾
আল্লাহ ব্যতীত অন্য এমন কাউকে ডাকবে না, যে তোমার উপকার করতে পারবে না ও অপকারও করতে পারবে না। যদি তুমি অন্যকে ডাক, তাহলে তুমি যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। (সূরা ইউনুস ১০:১০৬)
এ আয়াতে জালিম বলতে ‘মুশরিক’ হওয়াকে বুঝানো হয়েছে। কেননা পবিত্র কুরআনে শিরককে সবচেয়ে বড় জুলুম বলে ঘোষণা করা হয়েছে (বিস্তারিত আলোচনা পূর্বে করা হয়েছে)। আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন:
﴿وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنْ يَدْعُو مِنْ دُوْنِ اللهِ مَنْ لَا يَسْتَجِيْبُ لَهٗ إِلٰى يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَهُمْ عَنْ دُعَائِهِمْ غَافِلُوْنَ وَإِذَا حُشِرَ النَّاسُ كَانُوْا لَهُمْ أَعْدَاءً وَّكَانُوْا بِعِبَادَتِهِمْ كَافِرِيْنَ ﴾
যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত এমন বস্ত্তকে ডাকে যে কিয়ামত পর্যন্ত তার ডাকে সাড়া দিবে না, তার চেয়ে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে হতে পারে? তারা তাদের ডাকা সম্পর্কে খবরও রাখে না। যখন মানুষকে হাশরের ময়দানে একত্রিত করা হবে, তখন তারা তাদের শত্রু হবে এবং তাদের ইবাদতের কথা অস্বীকার করবে। (সূরা আহকাফ ৪৬: ৫-৬)
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন:
﴿وَالَّذِيْنَ تَدْعُوْنَ مِنْ دُوْنِهٖ مَا يَمْلِكُوْنَ مِنْ قِطْمِيْرٍ ‐ إِنْ تَدْعُوْهُمْ لَا يَسْمَعُوْا دُعَاءَكُمْ وَلَوْ سَمِعُوْا مَا اسْتَجَابُوْا لَكُمْ وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ يَكْفُرُوْنَ بِشِرْكِكُمْ وَلَا يُنَبِّئُكَ مِثْلُ خَبِيْرٍ﴾
আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক, তারা তুচ্ছ খেজুর আঁটির মালিকও নয়। তোমরা তাদেরকে ডাকলে তারা তোমাদের সে ডাক শুনে না। শুনলেও তোমাদের ডাকে সাড়া দেয় না। কিয়ামতের দিন তারা তোমাদের শিরকের কথা অস্বীকার করবে। বস্ত্তত আল্লাহর ন্যায় তোমাদেরকে কেউ অবহিত করতে পারবে না। (সূরা ফাতির ৩৫:১৩-১৪)
হাদীসে বর্ণিত হয়েছে:
عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ النَّبِيُّ كَلِمَةً وَقُلْتُ أُخْرٰى قَالَ النَّبِيُّ مَنْ مَاتَ وَهُوَ يَدْعُو مِنْ دُوْنِ اللهِ نِدًّا دَخَلَ النَّارَ وَقُلْتُ أَنَا مَنْ مَاتَ وَهُوَ لَا يَدْعُو لِلّٰهِ نِدًّا دَخَلَ الْجَنَّةَ
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ একটি কথা বললেন, আর আমি তার সাথে আরেকটি কথা যোগ করলাম। নবী ﷺ বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে ডাকে, আর এ অবস্থায় মারা যায় সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে আল্লাহর শরীক হিসেবে না ডেকে মারা গেল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (সহীহ বুখারী ৪৪৯৭)
কবরবাসীরা জীবিতদের ডাকে সাড়া দিতে অক্ষম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ الْمَوْتٰى وَلَا تُسْمِعُ الصُّمَّ الدُّعَاءَ إِذَا وَلَّوْا مُدْبِرِيْنَ﴾
আপনি মৃতদেরকে শোনাতে পারবেন না, আর শোনাতে পারবেন না বধিরকেও কোন প্রকার আহবান, যখন তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যায়।
(সূরা নামল ২৭: ৮০)
যারা কথা শুনে না তারা কীভাবে অপরকে সাহায্য করবে? অপরকে সান্তনা দিবে, অপরের মাকসুদ পূর্ণ করবে? বরং তারা নিজেরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত।
﴿وَلَا تَدْعُ مِنْ دُوْنِ اللهِ مَا لَا يَنْفَعُكَ وَلَا يَضُرُّكَ فَإِنْ فَعَلْتَ فَإِنَّكَ إِذًا مِنَ الظَّالِمِيْنَ﴾
আল্লাহ ব্যতীত অন্য এমন কাউকে ডাকবে না, যে তোমার উপকার করতে পারবে না ও অপকারও করতে পারবে না। যদি তুমি অন্যকে ডাক, তাহলে তুমি যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। (সূরা ইউনুস ১০:১০৬)
এ আয়াতে জালিম বলতে ‘মুশরিক’ হওয়াকে বুঝানো হয়েছে। কেননা পবিত্র কুরআনে শিরককে সবচেয়ে বড় জুলুম বলে ঘোষণা করা হয়েছে (বিস্তারিত আলোচনা পূর্বে করা হয়েছে)। আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন:
﴿وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنْ يَدْعُو مِنْ دُوْنِ اللهِ مَنْ لَا يَسْتَجِيْبُ لَهٗ إِلٰى يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَهُمْ عَنْ دُعَائِهِمْ غَافِلُوْنَ وَإِذَا حُشِرَ النَّاسُ كَانُوْا لَهُمْ أَعْدَاءً وَّكَانُوْا بِعِبَادَتِهِمْ كَافِرِيْنَ ﴾
যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত এমন বস্ত্তকে ডাকে যে কিয়ামত পর্যন্ত তার ডাকে সাড়া দিবে না, তার চেয়ে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে হতে পারে? তারা তাদের ডাকা সম্পর্কে খবরও রাখে না। যখন মানুষকে হাশরের ময়দানে একত্রিত করা হবে, তখন তারা তাদের শত্রু হবে এবং তাদের ইবাদতের কথা অস্বীকার করবে। (সূরা আহকাফ ৪৬: ৫-৬)
আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন:
﴿وَالَّذِيْنَ تَدْعُوْنَ مِنْ دُوْنِهٖ مَا يَمْلِكُوْنَ مِنْ قِطْمِيْرٍ ‐ إِنْ تَدْعُوْهُمْ لَا يَسْمَعُوْا دُعَاءَكُمْ وَلَوْ سَمِعُوْا مَا اسْتَجَابُوْا لَكُمْ وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ يَكْفُرُوْنَ بِشِرْكِكُمْ وَلَا يُنَبِّئُكَ مِثْلُ خَبِيْرٍ﴾
আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক, তারা তুচ্ছ খেজুর আঁটির মালিকও নয়। তোমরা তাদেরকে ডাকলে তারা তোমাদের সে ডাক শুনে না। শুনলেও তোমাদের ডাকে সাড়া দেয় না। কিয়ামতের দিন তারা তোমাদের শিরকের কথা অস্বীকার করবে। বস্ত্তত আল্লাহর ন্যায় তোমাদেরকে কেউ অবহিত করতে পারবে না। (সূরা ফাতির ৩৫:১৩-১৪)
হাদীসে বর্ণিত হয়েছে:
عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ النَّبِيُّ كَلِمَةً وَقُلْتُ أُخْرٰى قَالَ النَّبِيُّ مَنْ مَاتَ وَهُوَ يَدْعُو مِنْ دُوْنِ اللهِ نِدًّا دَخَلَ النَّارَ وَقُلْتُ أَنَا مَنْ مَاتَ وَهُوَ لَا يَدْعُو لِلّٰهِ نِدًّا دَخَلَ الْجَنَّةَ
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ একটি কথা বললেন, আর আমি তার সাথে আরেকটি কথা যোগ করলাম। নবী ﷺ বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে ডাকে, আর এ অবস্থায় মারা যায় সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে আল্লাহর শরীক হিসেবে না ডেকে মারা গেল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (সহীহ বুখারী ৪৪৯৭)
কবরবাসীরা জীবিতদের ডাকে সাড়া দিতে অক্ষম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ الْمَوْتٰى وَلَا تُسْمِعُ الصُّمَّ الدُّعَاءَ إِذَا وَلَّوْا مُدْبِرِيْنَ﴾
আপনি মৃতদেরকে শোনাতে পারবেন না, আর শোনাতে পারবেন না বধিরকেও কোন প্রকার আহবান, যখন তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যায়।
(সূরা নামল ২৭: ৮০)
যারা কথা শুনে না তারা কীভাবে অপরকে সাহায্য করবে? অপরকে সান্তনা দিবে, অপরের মাকসুদ পূর্ণ করবে? বরং তারা নিজেরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত।