১
শিরক
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
গাইরুল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া শিরক
‘আল ইস্তি‘আযা’ বা আশ্রয় কামনা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। শুধুমাত্র আল্লাহ তা‘আলা তার বান্দাকে আশ্রয় দেয়ার মালিক। এ জন্য সূরা নাস এবং ফালাকে তাঁর কাছেই আশ্রয় চাইতে বলা হয়েছে। সুতরাং কেউ যদি আল্লাহর আশ্রয়ের পরিবর্তে অন্য কারো আশ্রয় কামনা করে, সে আল্লাহর সাথে অন্যকে অংশীদার বানালো। আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নিকট আশ্রয় চাওয়ার নিন্দা করেছেন। ইরশাদ হচ্ছে:
﴿وَأَنَّهٗ كَانَ رِجَالٌ مِنَ الْإِنْسِ يَعُوْذُوْنَ بِرِجَالٍ مِّنَ الْجِنِّ فَزَادُوْهُمْ رَهَقًا ﴾
মানুষের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক লোক কতিপয় জ্বিনের কাছে আশ্রয় চাইছিল, এর ফলে তাদের (জ্বিনদের) গর্ব ও আহমিকা আরো বেড়ে গিয়েছিল। (সূরা জ্বীন ৭২:৬)
হাদীসে ইরশাদ হয়েছে,
عَنْ خَوْلَةَ بِنْتِ حَكِيْمٍ السُّلَمِيَّةِ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُوْلَ اللهِ - يَقُوْلُ : إِذَا نَزَلَ أَحَدُكُمْ مَنْزِلًا فَلْيَقُلْ أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ . فَإِنَّهٗ لَا يَضُرُّهٗ شَىْءٌ حَتّٰى يَرْتَحِلَ مِنْهُ
খাওলা বিনতে হাকীম আস-সুলামিয়্যাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে শুনেছেন যে, যে ব্যক্তি কোন বাড়িতে প্রবেশ করে বললো- ‘‘আমি আল্লাহ তা‘আলা এর পূর্ণাঙ্গ কালামের মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির সকল অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাই’’- তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত সে ঐ মঞ্জিল ত্যাগ না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোন কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।
(সহীহ মুসলিম ৭০৫৪)
﴿وَأَنَّهٗ كَانَ رِجَالٌ مِنَ الْإِنْسِ يَعُوْذُوْنَ بِرِجَالٍ مِّنَ الْجِنِّ فَزَادُوْهُمْ رَهَقًا ﴾
মানুষের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক লোক কতিপয় জ্বিনের কাছে আশ্রয় চাইছিল, এর ফলে তাদের (জ্বিনদের) গর্ব ও আহমিকা আরো বেড়ে গিয়েছিল। (সূরা জ্বীন ৭২:৬)
হাদীসে ইরশাদ হয়েছে,
عَنْ خَوْلَةَ بِنْتِ حَكِيْمٍ السُّلَمِيَّةِ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُوْلَ اللهِ - يَقُوْلُ : إِذَا نَزَلَ أَحَدُكُمْ مَنْزِلًا فَلْيَقُلْ أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ . فَإِنَّهٗ لَا يَضُرُّهٗ شَىْءٌ حَتّٰى يَرْتَحِلَ مِنْهُ
খাওলা বিনতে হাকীম আস-সুলামিয়্যাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে শুনেছেন যে, যে ব্যক্তি কোন বাড়িতে প্রবেশ করে বললো- ‘‘আমি আল্লাহ তা‘আলা এর পূর্ণাঙ্গ কালামের মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির সকল অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাই’’- তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত সে ঐ মঞ্জিল ত্যাগ না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোন কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।
(সহীহ মুসলিম ৭০৫৪)