১
শিরক
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৮
রাশিচক্র সম্বন্ধে ইসলামের রায়
ইসলামের দৃষ্টিতে জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চা শুধু হারামই নয়; বরং কোন জ্যোতিষবিদের কাছে যাওয়া এবং তার ভবিষ্যদ্বাণী শোনা, জ্যোতিষশাস্ত্রের উপর বই কেনা অথবা কারো কোষ্ঠী যাচাই সম্পূর্ণ নিষেধ। হাদীসে এসেছে,
عَنْ صَفِيَّةَ عَنْ بَعْضِ أَزْوَاجِ النَّبِىِّ - عَنِ النَّبِىِّ - قَالَ : مَنْ أَتٰى عَرَّافًا فَسَأَلَهٗ عَنْ شَىْءٍ لَمْ تُقْبَلْ لَهٗ صَلَاةٌ أَرْبَعِيْنَ لَيْلَةً
সাফিয়্যা (রাঃ) নবী ﷺ এর কতক স্ত্রীর কাছ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, যদি কেউ গণকের কাছে যায় এবং তাকে কিছু জিজ্ঞেস করে, তাহলে ৪০ দিন রাত পর্যন্ত তার সালাত কবুল করা হবে না।
(সহীহ মুসলিম ৫৯৫৭; মুসনাদে আহমদ ১৬৬৩৮)
এই হাদীসের বর্ণিত শাস্তি শুধুমাত্র গণকের কাছে যাওয়ার এবং তাকে কৌতুহলবশত কোন কিছু জিজ্ঞেস করার করণেই।
জ্যোতিষের বক্তব্যের সত্যতায় সন্দিহান হওয়া সত্ত্বেও একজনের শুধু তার কাছে যাওয়া এবং প্রশ্ন করার শাস্তি এই হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। যদি কেউ জ্যোতিষ সংক্রান্ত তথ্যাদির সত্য মিথ্যায় সন্দিহান হয়, তবে সে আল্লাহর পাশাপাশি অন্যরাও হয়তো অদৃশ্য এবং ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে জানে বলে সন্দেহ পোষণ করলো। এটা এক ধরনের শিরক। কেউ তার রাশিচক্রে প্রদত্ত ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্বাস করলে সে সরাসরি কুফরি (অবিশ্বাস) করলো। কারণ হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَالْحَسَنِ عَنْ النَّبِيِّ قَالَ مَنْ أَتٰى كَاهِنًا أَوْ عَرَّافًا فَصَدَّقَهٗ بِمَا يَقُوْلُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلٰى مُحَمَّدٍ
আবু হুরায়রা এবং হাসান (রাঃ) নবী ﷺ থেকে বর্ণনা করেন, যে গণকের নিকট যায় এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করে সে মুহাম্মদ এর উপর যা নাজিল হয়েছে তা অবিশ্বাস করল। (মুসনাদে আহমদ ৯৫৩৬; সুনানে ইবনে মাজাহ ৬৩৯)
পূর্বে বর্ণিত হাদীসের মত এই হাদিসে শাব্দিকভাবে গণকের সম্বন্ধে উল্লেখ করা হলেও জ্যোতিষবিদদের জন্যও সমভাবে প্রযোজ্য। উভয়ই ভবিষ্যতের জ্ঞানের অধিকারী বলে দাবি করে। কোন পুরুষ অথবা মহিলা কর্তৃক খবরের কাগজের রাশিচক্রের কলাম পড়া অথবা পড়তে শোনাও সম্পূর্ণ নিষেধ।
عَنْ صَفِيَّةَ عَنْ بَعْضِ أَزْوَاجِ النَّبِىِّ - عَنِ النَّبِىِّ - قَالَ : مَنْ أَتٰى عَرَّافًا فَسَأَلَهٗ عَنْ شَىْءٍ لَمْ تُقْبَلْ لَهٗ صَلَاةٌ أَرْبَعِيْنَ لَيْلَةً
সাফিয়্যা (রাঃ) নবী ﷺ এর কতক স্ত্রীর কাছ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, যদি কেউ গণকের কাছে যায় এবং তাকে কিছু জিজ্ঞেস করে, তাহলে ৪০ দিন রাত পর্যন্ত তার সালাত কবুল করা হবে না।
(সহীহ মুসলিম ৫৯৫৭; মুসনাদে আহমদ ১৬৬৩৮)
এই হাদীসের বর্ণিত শাস্তি শুধুমাত্র গণকের কাছে যাওয়ার এবং তাকে কৌতুহলবশত কোন কিছু জিজ্ঞেস করার করণেই।
জ্যোতিষের বক্তব্যের সত্যতায় সন্দিহান হওয়া সত্ত্বেও একজনের শুধু তার কাছে যাওয়া এবং প্রশ্ন করার শাস্তি এই হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। যদি কেউ জ্যোতিষ সংক্রান্ত তথ্যাদির সত্য মিথ্যায় সন্দিহান হয়, তবে সে আল্লাহর পাশাপাশি অন্যরাও হয়তো অদৃশ্য এবং ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে জানে বলে সন্দেহ পোষণ করলো। এটা এক ধরনের শিরক। কেউ তার রাশিচক্রে প্রদত্ত ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্বাস করলে সে সরাসরি কুফরি (অবিশ্বাস) করলো। কারণ হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَالْحَسَنِ عَنْ النَّبِيِّ قَالَ مَنْ أَتٰى كَاهِنًا أَوْ عَرَّافًا فَصَدَّقَهٗ بِمَا يَقُوْلُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلٰى مُحَمَّدٍ
আবু হুরায়রা এবং হাসান (রাঃ) নবী ﷺ থেকে বর্ণনা করেন, যে গণকের নিকট যায় এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করে সে মুহাম্মদ এর উপর যা নাজিল হয়েছে তা অবিশ্বাস করল। (মুসনাদে আহমদ ৯৫৩৬; সুনানে ইবনে মাজাহ ৬৩৯)
পূর্বে বর্ণিত হাদীসের মত এই হাদিসে শাব্দিকভাবে গণকের সম্বন্ধে উল্লেখ করা হলেও জ্যোতিষবিদদের জন্যও সমভাবে প্রযোজ্য। উভয়ই ভবিষ্যতের জ্ঞানের অধিকারী বলে দাবি করে। কোন পুরুষ অথবা মহিলা কর্তৃক খবরের কাগজের রাশিচক্রের কলাম পড়া অথবা পড়তে শোনাও সম্পূর্ণ নিষেধ।