১
শিরক
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
কবর-মাযার-দরগায় দান বা ভোগ দেয়া
হাদীসে বর্ণিত হয়েছে:
عَنْ سَلْمَانَ ، قَالَ : دَخَلَ رَجُلٌ الْجَنَّةَ فِي ذُبَابٍ وَدَخَلَ رَجُلٌ النَّارَ فِي ذُبَابٍ , مَرَّ رَجُلَانِ عَلٰى قَوْمٍ قَدْ عَكَفُوْا عَلٰى صَنَمٍ لَهُمْ وَقَالُوْا : لَا يَمُرُّ عَلَيْنَا الْيَوْمَ أَحَدٌ إِلَّا قَدَّمَ شَيْئًا , فَقَالُوْا لِأَحَدِهِمَا : قَدِّمْ شَيْئًا , فَأَبٰى فَقُتِلَ , وَقَالُوْا : لِلْاٰخَرِ : قَدِّمْ شَيْئًا , فَقَالُوْا : قَدِّمْ وَلَوْ ذُبَابًا ، فَقَالَ : وَأَيْشٍ ذُبَابٌ , فَقَدَّمَ ذُبَابًا فَدَخَلَ النَّارَ ، فَقَالَ سَلْمَانُ : فَهٰذَا دَخَلَ الْجَنَّةَ فِي ذُبَابٍ , وَدَخَلَ هٰذَا النَّارَ فِي ذُبَابٍ
সালমান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একটি মাছির কারণে এক ব্যক্তি জান্নাতে গিয়েছে এবং একটি মাছির কারণে এক ব্যক্তি জাহান্নামে গিয়েছে। (ঘটনাটি হলো) দু’ব্যক্তি এক গোত্রের নিকট দিয়ে যাচ্ছিল, আর তাদের একটি মূর্তি ছিল, সে মূর্তিকে কিছু না দিয়ে কেউ অতিক্রম করতে পারত না। (মূর্তির খাদেমরা) প্রথম ব্যক্তিকে বলল: তুমি কিছু দিয়ে যাও। লোকটি অস্বীকার করলো, ফলে তারা তাকে হত্যা করে ফেললো (ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করল)। তারপর তারা (মূতি পূজকরা) দ্বিতীয়জনকে বলল, কিছু দিয়ে যাও। (সে বললো: আমার নিকট কিছুই নেই, যা আমি পেশ করব।) তারা তাকে বলল: একটি মাছি হলেও দিয়ে যাও। সে বললো, মাছি কি? পরিশেষে সে একটি মাছি দান করল, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করল। আর এটি হলো ‘‘প্রথম ব্যক্তি একটি মাছির কারণে জান্নাতে প্রবেশ করলো আর দ্বিতীয় ব্যক্তি একটি মাছির কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করলো’’- এর মূল ঘটনা। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ৩৩৭০৯; বায়হাকী ফী শুআবিল ঈমান ৭৩৪৩; ইমাম নাসীরুদ্দীন আলবানী র. বলেছেন হাদীসটি সহীহ)
এ হাদীস থেকে বুঝা গেল গাইরুল্লাহর নামে কোন কিছু দান করা বা ভোগ দেয়া শিরক।
عَنْ سَلْمَانَ ، قَالَ : دَخَلَ رَجُلٌ الْجَنَّةَ فِي ذُبَابٍ وَدَخَلَ رَجُلٌ النَّارَ فِي ذُبَابٍ , مَرَّ رَجُلَانِ عَلٰى قَوْمٍ قَدْ عَكَفُوْا عَلٰى صَنَمٍ لَهُمْ وَقَالُوْا : لَا يَمُرُّ عَلَيْنَا الْيَوْمَ أَحَدٌ إِلَّا قَدَّمَ شَيْئًا , فَقَالُوْا لِأَحَدِهِمَا : قَدِّمْ شَيْئًا , فَأَبٰى فَقُتِلَ , وَقَالُوْا : لِلْاٰخَرِ : قَدِّمْ شَيْئًا , فَقَالُوْا : قَدِّمْ وَلَوْ ذُبَابًا ، فَقَالَ : وَأَيْشٍ ذُبَابٌ , فَقَدَّمَ ذُبَابًا فَدَخَلَ النَّارَ ، فَقَالَ سَلْمَانُ : فَهٰذَا دَخَلَ الْجَنَّةَ فِي ذُبَابٍ , وَدَخَلَ هٰذَا النَّارَ فِي ذُبَابٍ
সালমান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একটি মাছির কারণে এক ব্যক্তি জান্নাতে গিয়েছে এবং একটি মাছির কারণে এক ব্যক্তি জাহান্নামে গিয়েছে। (ঘটনাটি হলো) দু’ব্যক্তি এক গোত্রের নিকট দিয়ে যাচ্ছিল, আর তাদের একটি মূর্তি ছিল, সে মূর্তিকে কিছু না দিয়ে কেউ অতিক্রম করতে পারত না। (মূর্তির খাদেমরা) প্রথম ব্যক্তিকে বলল: তুমি কিছু দিয়ে যাও। লোকটি অস্বীকার করলো, ফলে তারা তাকে হত্যা করে ফেললো (ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করল)। তারপর তারা (মূতি পূজকরা) দ্বিতীয়জনকে বলল, কিছু দিয়ে যাও। (সে বললো: আমার নিকট কিছুই নেই, যা আমি পেশ করব।) তারা তাকে বলল: একটি মাছি হলেও দিয়ে যাও। সে বললো, মাছি কি? পরিশেষে সে একটি মাছি দান করল, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করল। আর এটি হলো ‘‘প্রথম ব্যক্তি একটি মাছির কারণে জান্নাতে প্রবেশ করলো আর দ্বিতীয় ব্যক্তি একটি মাছির কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করলো’’- এর মূল ঘটনা। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা ৩৩৭০৯; বায়হাকী ফী শুআবিল ঈমান ৭৩৪৩; ইমাম নাসীরুদ্দীন আলবানী র. বলেছেন হাদীসটি সহীহ)
এ হাদীস থেকে বুঝা গেল গাইরুল্লাহর নামে কোন কিছু দান করা বা ভোগ দেয়া শিরক।