hadith book logo

আল-ফাতাওয়া আল-মাক্কীয়্যাহ

লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৭

প্রশ্ন (৫): যমযমের পানি পানের ফযীলত সম্পর্কে সহীহ হাদীস রয়েছে কি? সেগুলো কি? আর যমযমের পানি পান করার সময় কোন দো‘আর বিধান আছে কি? যমযমের পানি বহন করে দেশে নিয়ে যাওয়া বৈধ কি? অপবিত্রতা ও জানাবাত দুরীকরণে যমযমের পানি ব্যবহার বৈধ কি?

উত্তর (৫) : যমযমের পানি সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসসমূহ হতে যা জানতে পেরেছি তন্মধ্যে উত্তমটি হচ্ছে নিম্নোক্ত হাদীস,

«ماء زمزم لما شرب له»

“যমযমের পানি যে জন্য পান করা হয় সেটার কাজে লাগে”।

আর যমযমের পানি পান করার সময় দো‘আর কোনো সহীহ হাদীস আমার মনে আসছে না। কিন্তু তাতেও অন্যান্য পানি পানের নিয়ম মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ পানি পানের সময় শুরুতে তাসমিয়া এবং শেষে হামদালাহ বলবে। অর্থাৎ তুমি পান করার সময় বলবে বিসমিল্লাহ এবং পান শেষে বলবে আল-হামদুলিল্লাহ।

আর সেটা বহন করে মক্কার বাইরে নিয়ে যাওয়াতে কোনো অসুবিধা নেই। কেননা পূর্বে এ ধরণের কাজ হয়েছিল। তাছাড়া এ সম্পর্কিত হাদীসটি

«ماء زمزم لما شرب له»

“যমযমের পানি যে জন্য পান করা হয় সেটার কাজে লাগে” তা মক্কায় পান করা এবং মক্কার বাহিরে পান করা উভয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

আর আপবিত্রতা ও জানাবত বা বড় নাপাকী জানাগত দূর করাও এর দ্বারা বৈধ।