১
রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩১
কোনো ব্যক্তি হাদীসে আমল না করলে তা তিন প্রকারের বহির্ভূত নয়
আর এর ব্যাখ্যা হচ্ছে এই যে, কোনো ব্যক্তি যখন কোনো হাদীসের ওপর আমল ছেড়ে দেয়, তখন সে নিম্নোক্ত তিন প্রকার থেকে মুক্ত নয়:
প্রথম প্রকার
হয়তবা এই পরিত্যাগ মুসলিমগণের সম্মিলিত মত অনুযায়ী জায়েয। যেমন, যার কাছে হাদীস পৌঁছে নি এবং ফাতওয়া বা হুকুমের প্রতি প্রয়োজনীয়তা সত্বেও হাদীস সন্ধানে ত্রুটি করেনি, তার জন্য হাদীস ত্যাগ করা। যেমন, আমরা খুলাফায়ে রাশেদীন সম্পর্কে পূর্বে উল্লেখ করেছি যে, তাদের কাছেও বহু হাদীস পৌঁছে নি। এ অবস্থায় হাদীস পরিত্যাগকারী গুনাহগার হবে না। এ বিষয়ে কোনো মুসলিম সন্দেহ করতে পারে না।
দ্বিয়ীয় প্রকার
যে অবস্থাতে হাদীসটি পরিত্যাগ করা জায়েয নেই। এরূপ পরিত্যাগ ইমামগণের পক্ষ হতে কখনও হতে পারে না ইনশা-আল্লাহ্।
তৃতীয় প্রকার
তবে কোনো কোনো আলিম থেকে এটা আশংকা করা হয়ে থাকে যে, কোনো আলিম উক্ত মাসআলার হুকুম বুঝতে অক্ষম। এমতাবস্থায় রায় প্রদানের কারণ না থাকা সত্বেও রায় প্রদান করে। যদিও উক্ত মাসআলায় তার চিন্তা ভাবনা ও গবেষণা ছিল অথবা দলীল গ্রহণ কিংবা প্রদানে অক্ষম হওয়া সত্বেও চিন্তার শেষ প্রান্তে পৌঁছার পূর্বেই রায় প্রদান করে বসে, যদিও সে দলীল আঁকড়ে থাকে কিংবা কোনো অভ্যাস তার ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে ফলে সে অভ্যাসবশতঃ ফাতওয়া দিয়ে বসে অথবা কোনো উদ্দেশ্য তার ওপর জয়লাভ করে, যার ফলে সে তার কাছে যে দলীল রয়েছে সেটার বিপরীত যা আছে তাতে পূর্ণ চিন্তা ভাবনা কাজে লাগাতে অপারগ হয়ে পড়ে। যদিও সে যা বলে তা ইজতিহাদ ও দলীল গ্রহণের মাধ্যমেই বলে থাকে। কারণ, ইজতেহাদের যে চূড়ান্ত সীমা রয়েছে, মুজতাহিদ কখনও কখনও সেটা ভালো করে আয়ত্ব করতে অক্ষম থেকে যায়।
প্রথম প্রকার
হয়তবা এই পরিত্যাগ মুসলিমগণের সম্মিলিত মত অনুযায়ী জায়েয। যেমন, যার কাছে হাদীস পৌঁছে নি এবং ফাতওয়া বা হুকুমের প্রতি প্রয়োজনীয়তা সত্বেও হাদীস সন্ধানে ত্রুটি করেনি, তার জন্য হাদীস ত্যাগ করা। যেমন, আমরা খুলাফায়ে রাশেদীন সম্পর্কে পূর্বে উল্লেখ করেছি যে, তাদের কাছেও বহু হাদীস পৌঁছে নি। এ অবস্থায় হাদীস পরিত্যাগকারী গুনাহগার হবে না। এ বিষয়ে কোনো মুসলিম সন্দেহ করতে পারে না।
দ্বিয়ীয় প্রকার
যে অবস্থাতে হাদীসটি পরিত্যাগ করা জায়েয নেই। এরূপ পরিত্যাগ ইমামগণের পক্ষ হতে কখনও হতে পারে না ইনশা-আল্লাহ্।
তৃতীয় প্রকার
তবে কোনো কোনো আলিম থেকে এটা আশংকা করা হয়ে থাকে যে, কোনো আলিম উক্ত মাসআলার হুকুম বুঝতে অক্ষম। এমতাবস্থায় রায় প্রদানের কারণ না থাকা সত্বেও রায় প্রদান করে। যদিও উক্ত মাসআলায় তার চিন্তা ভাবনা ও গবেষণা ছিল অথবা দলীল গ্রহণ কিংবা প্রদানে অক্ষম হওয়া সত্বেও চিন্তার শেষ প্রান্তে পৌঁছার পূর্বেই রায় প্রদান করে বসে, যদিও সে দলীল আঁকড়ে থাকে কিংবা কোনো অভ্যাস তার ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে ফলে সে অভ্যাসবশতঃ ফাতওয়া দিয়ে বসে অথবা কোনো উদ্দেশ্য তার ওপর জয়লাভ করে, যার ফলে সে তার কাছে যে দলীল রয়েছে সেটার বিপরীত যা আছে তাতে পূর্ণ চিন্তা ভাবনা কাজে লাগাতে অপারগ হয়ে পড়ে। যদিও সে যা বলে তা ইজতিহাদ ও দলীল গ্রহণের মাধ্যমেই বলে থাকে। কারণ, ইজতেহাদের যে চূড়ান্ত সীমা রয়েছে, মুজতাহিদ কখনও কখনও সেটা ভালো করে আয়ত্ব করতে অক্ষম থেকে যায়।