১
রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
নবম জবাব
নবম জবাব এই যে, যে কারণে এসব হাদীসে উল্লিখিত ভীতিপ্রদর্শনকে ব্যাপকতা দেওয়া হচ্ছে না তার উদ্দেশ্য হচ্ছে, ওযর রয়েছে এমন ব্যক্তিকে লা‘নতের সম্মুখীন না করা। ইতোপূর্বে আমরা বলেছি যে, শাস্তির ধমকি আসা হাদীসগুলোর দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে এটা বর্ণনা করা যে, এসব কাজ লা‘নতের কারণ। অর্থাৎ এ কাজ লা‘নতের কারণ।
সুতরাং যদি তা বলা হয়, তাহলে এর দ্বারা প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যই সে হুকুম প্রযোজ্য হওয়া অপরিহার্য হয় না। হ্যাঁ, এর দ্বারা আবশ্যক হয় যে, (কোনো কারণে) হুকুম(টি) প্রযোজ্য না হলেও এতে হুকুমের কারণটি অবশ্যই রয়েছে। আর এটা থাকাতে কোনো দোষের কিছু নেই।
আর ইতোপূর্বে আমরা উল্লেখ করেছি যে, মুজতাহিদ ভর্ৎসনা বা লাঞ্ছনার সম্মুখীন হবে না। এমনকি আমরা এটাও বলি যে, হারামকে হালালকারী ব্যক্তি সেটার ওপর আমলকারীর (যিনি হারামকে হালাল বলে মনে করেন নি তার) চেয়ে অধিকতর বড় অপরাধী, তারপরেও অপারগ ও অক্ষম ব্যক্তিকে আমরা অক্ষম হিসেবে দেখব। (অর্থাৎ মুজতাহিদ যদি সঠিক রায় দিতে না পারে, তবে আমরা তাকে অক্ষম বা অপারগই বলব। সুতরাং তিনি শাস্তির সম্মুখীন হবেন না।)
সুতরাং যদি তা বলা হয়, তাহলে এর দ্বারা প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যই সে হুকুম প্রযোজ্য হওয়া অপরিহার্য হয় না। হ্যাঁ, এর দ্বারা আবশ্যক হয় যে, (কোনো কারণে) হুকুম(টি) প্রযোজ্য না হলেও এতে হুকুমের কারণটি অবশ্যই রয়েছে। আর এটা থাকাতে কোনো দোষের কিছু নেই।
আর ইতোপূর্বে আমরা উল্লেখ করেছি যে, মুজতাহিদ ভর্ৎসনা বা লাঞ্ছনার সম্মুখীন হবে না। এমনকি আমরা এটাও বলি যে, হারামকে হালালকারী ব্যক্তি সেটার ওপর আমলকারীর (যিনি হারামকে হালাল বলে মনে করেন নি তার) চেয়ে অধিকতর বড় অপরাধী, তারপরেও অপারগ ও অক্ষম ব্যক্তিকে আমরা অক্ষম হিসেবে দেখব। (অর্থাৎ মুজতাহিদ যদি সঠিক রায় দিতে না পারে, তবে আমরা তাকে অক্ষম বা অপারগই বলব। সুতরাং তিনি শাস্তির সম্মুখীন হবেন না।)