১
রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
শাস্তির ধমকি যেসব হাদীসে এসেছে তা শুধু ঐকমত্যের স্থানকেই শামিল করে না, বরং মতপার্থক্য রয়েছে এমন স্থানকেও শামিল করে
এখন যদি এ প্রশ্ন করা হয়, এটা কেন বলা হয় না যে, শাস্তির হাদীস শুধু যেখানে আলিমদের ঐকমত্য রয়েছে সেখানেই কার্যকর হবে, যেখানে মতপার্থক্য রয়েছে সেসব স্থানে নয়। আর ঐ সমস্ত কাজ, যার কর্তাকে লা‘নত (অভিশাপ) দেওয়া হয়েছে অথবা তাতে শাস্তি ও গজবের ভয় দেখানো হয়েছে, তা সেখানেই কার্যকর হবে যেখানে কাজটি হারাম হওয়ার ব্যাপারে সবাই একমত। যাতে করে কোনো মুজতাহিদকে, যিনি কোনো বস্তু হালাল বিশ্বাস করে তা করে বসেন, তাকে যেন সে লা‘নত কিংবা আযাব বা গযবের ধমকিতে পতিত হওয়ার মুখোমুখি হতে না হয়। বরং হারাম বিষয়কে হালাল বলে বিশ্বাসী তো হারাম কাজের কর্তার চেয়েও বেশি দায়ী। কেননা সে হারাম কাজের আদেশদাতা। সুতরাং সেটা অনুসারে তাকেও শাস্তির, গজবের ও লা‘নতের অন্তর্ভুক্ত হতে হয় [সুতরাং যে সব হাদীসে শাস্তির ধমকি এসেছে সেগুলোকে সর্বাবস্থায় প্রযোজ্য বললে যেহেতু মুজতাহিদকে গযব, লা‘নত ও আযাবের সম্মুখীন হতে হয়, সেহেতু কেন এটা বলা হবে না যে, যেখানে কাজটি হারাম হওয়ার ব্যাপারে সকল আলেম ঐকমত্য পোষণ করেছেন কেবল সেখানেই সেই ধমকিটি কার্যকর হবে, যেখানে কোনো মুজতাহিদ হালাল বিশ্বাসে এ ধরণের কাজ করে বসেছে সেখানে কার্যকর হবে না? এটি একটি মৌলিক প্রশ্ন, যার উত্তর শাইখুল ইসলাম পরবর্তীতে দিচ্ছেন। [সম্পাদক]]। (তাই শুধুমাত্র যেখানে কাজটি হারাম হওয়ার ব্যাপারে সকল আলিম একমত হয়েছে কেবল সেখানেই শাস্তির ধমকি পতিত হবে সেটা বলা কেন হয় না?)
আমরা বলি, এর জবাব নিম্নলিখিত উপায়ে দেওয়া যেতে পারে।
আমরা বলি, এর জবাব নিম্নলিখিত উপায়ে দেওয়া যেতে পারে।