১
রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
আলিমগণের সাথে সাধারণ মুসলিমের সম্পর্ক
কুরআনের ঘোষণা অনুযায়ী আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির পর মুমিনদের, বিশেষতঃ আলিমগণের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা মুসলিমদের অবশ্য করণীয়। কেননা আলিম সমাজ নবীকুলের উত্তরাধিকারী, আল্লাহ যাদেরকে নক্ষত্রের ন্যায় উজ্জ্বলতা ও নির্দিষ্ট অবস্থান দান করেছেন। তাদের দ্বারা জল-স্থলের তমাসার মধ্যে হিদায়াতের আলোপ্রাপ্ত হওয়া যায়। ঐ সকল আলিমগণের হিদায়াতের ওপর পরিচালিত হওয়া এবং ধর্মীয় বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হওয়ার ব্যাপারে মুসলিমগণ ঐকমত্য (ইজমা) পোষণ করেছেন।
বস্তুতঃ আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আবির্ভারের পূর্বে প্রত্যেক জাতির আলিমগণই তাদের কাওমের মধ্যে নিকৃষ্ট ছিল। কিন্তু মুসলিম জাতির আলিম সম্প্রদায় এ জাতির সর্বোৎকৃষ্ট অংশ। উম্মতে মুহাম্মদীর মধ্যে তারাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খলিফা এবং তাঁর সুন্নতের পুনর্জীবিতকারী। তাদের প্রচেষ্টায়ই কুরআন মজীদ সুপ্রতিষ্ঠিত অবস্থায় আছে এবং কুরআনের কারণে তারাও দীনের ওপর কায়েম আছেন। কুরআন তাদের সম্পর্কে বর্ণনামুখর। আর তারাও কুরআন মজীদ অনুযায়ী কথা বলে।
বস্তুতঃ আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আবির্ভারের পূর্বে প্রত্যেক জাতির আলিমগণই তাদের কাওমের মধ্যে নিকৃষ্ট ছিল। কিন্তু মুসলিম জাতির আলিম সম্প্রদায় এ জাতির সর্বোৎকৃষ্ট অংশ। উম্মতে মুহাম্মদীর মধ্যে তারাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খলিফা এবং তাঁর সুন্নতের পুনর্জীবিতকারী। তাদের প্রচেষ্টায়ই কুরআন মজীদ সুপ্রতিষ্ঠিত অবস্থায় আছে এবং কুরআনের কারণে তারাও দীনের ওপর কায়েম আছেন। কুরআন তাদের সম্পর্কে বর্ণনামুখর। আর তারাও কুরআন মজীদ অনুযায়ী কথা বলে।