১
রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬০
উল্লিখিত পথগুলো ছাড়া দু’টি খবিস বা কুপথ রয়েছে
প্রথম পথ
এটা বলা যে, শাস্তির ধমকি আগত বিষয়ে যে কেউ ঐ কাজে লিপ্ত হবে, নির্দিষ্টভাবে প্রত্যেক ব্যক্তিই সে শাস্তির সম্মুখীন হবে। আর এরূপ দাবী করা যে, এটা বলাই হচ্ছে হাদীসের ভাষ্যের দাবী অনুযায়ী চলা।
এ জাতীয় কথা ও দাবী খারেজী ও মু‘তাযিলা সম্প্রদায়, যারা যে কোন গুনাহের দ্বারা মানুষকে কাফির মনে করে, তাদের কথার চেয়েও ঘৃণিত।
আর এ মত ও পথ যে বাতিল, তা দীনে ইসলামের অনুসারী সবার জানা রয়েছে। আর এটা বাতিল হওয়ার দলীলসমূহ অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে।
দ্বিতীয় পথ
হাদীস অনুযায়ী কথা না বলা (বিশ্বাস না করা) ও তার দাবী অনুযায়ী আমল না করা এবং দাবী করা যে, ঐ হাদীসের চাহিদা অনুযায়ী কথা বললে যারা এতে আমল না করে তাদের প্রতি দোষারোপ করা হয়।
বস্তুতঃ এ ভাবে (কথা ও আমল) পরিত্যাগ করা মানুষকে পথভ্রষ্টতার দিকে নিয়ে যায় এবং কিতাবিদের (ইয়াহূদী, খ্রিষ্টান) সাথে সংযুক্ত করে; যারা আল্লাহ ছাড়া তাদের পাদ্রী এবং রাহেবদেরকে এবং ঈসা ইবন মারইয়ামকে প্রভু হিসেবে গ্রহণ করেছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তারা পাদ্রীদের ইবাদত করে নি, বরং পাদ্রীরা তাদের জন্য হারামকে হালাল করেছে, অতঃপর তারা তাদের অনসরণ করেছে এবং হালাল বস্তুকে হারাম করেছে, পরে তারা তাদের অনুসরণ করেছে [আহমাদ, তিরমিযী, ইবন জারীর, আদী ইবন হাতেম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে।]।”
আর এটা সৃষ্টিকর্তার অবাধ্যতায় সৃষ্টজীবের আনুগত্য করার দিকে ধাবিত করে।
তাছাড়া এটি মানুষকে খারাপ পরিণামের দিকে পরিচালিত করে এবং আল্লাহর নিম্নোক্ত বাণী থেকে যা বুঝা যায় তার অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়। আল্লাহ বলেন:
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُواْ ٱلرَّسُولَ وَأُوْلِي ٱلۡأَمۡرِ مِنكُمۡۖ فَإِن تَنَٰزَعۡتُمۡ فِي شَيۡءٖ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمۡ تُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۚ ذَٰلِكَ خَيۡرٞ وَأَحۡسَنُ تَأۡوِيلًا ٥٩﴾ [ النساء : ٥٩ ]
“তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রাসূলের আনুগত্য কর এবং ইমাম ও ক্ষমতাশীনদের আনুগত্য কর। অতঃপর যদি তোমাদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে বিভেদ সৃষ্টি হয়, তা হলে আল্লাহ ও রাসূলের স্মরনাপন্ন হও, যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসে বিশ্বাস আনয়ন করে থাক। এটাই তোমাদের জন্য মংগল ও পরিণামে উৎকৃষ্টতর। [সুরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৯]
এটা বলা যে, শাস্তির ধমকি আগত বিষয়ে যে কেউ ঐ কাজে লিপ্ত হবে, নির্দিষ্টভাবে প্রত্যেক ব্যক্তিই সে শাস্তির সম্মুখীন হবে। আর এরূপ দাবী করা যে, এটা বলাই হচ্ছে হাদীসের ভাষ্যের দাবী অনুযায়ী চলা।
এ জাতীয় কথা ও দাবী খারেজী ও মু‘তাযিলা সম্প্রদায়, যারা যে কোন গুনাহের দ্বারা মানুষকে কাফির মনে করে, তাদের কথার চেয়েও ঘৃণিত।
আর এ মত ও পথ যে বাতিল, তা দীনে ইসলামের অনুসারী সবার জানা রয়েছে। আর এটা বাতিল হওয়ার দলীলসমূহ অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে।
দ্বিতীয় পথ
হাদীস অনুযায়ী কথা না বলা (বিশ্বাস না করা) ও তার দাবী অনুযায়ী আমল না করা এবং দাবী করা যে, ঐ হাদীসের চাহিদা অনুযায়ী কথা বললে যারা এতে আমল না করে তাদের প্রতি দোষারোপ করা হয়।
বস্তুতঃ এ ভাবে (কথা ও আমল) পরিত্যাগ করা মানুষকে পথভ্রষ্টতার দিকে নিয়ে যায় এবং কিতাবিদের (ইয়াহূদী, খ্রিষ্টান) সাথে সংযুক্ত করে; যারা আল্লাহ ছাড়া তাদের পাদ্রী এবং রাহেবদেরকে এবং ঈসা ইবন মারইয়ামকে প্রভু হিসেবে গ্রহণ করেছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তারা পাদ্রীদের ইবাদত করে নি, বরং পাদ্রীরা তাদের জন্য হারামকে হালাল করেছে, অতঃপর তারা তাদের অনসরণ করেছে এবং হালাল বস্তুকে হারাম করেছে, পরে তারা তাদের অনুসরণ করেছে [আহমাদ, তিরমিযী, ইবন জারীর, আদী ইবন হাতেম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে।]।”
আর এটা সৃষ্টিকর্তার অবাধ্যতায় সৃষ্টজীবের আনুগত্য করার দিকে ধাবিত করে।
তাছাড়া এটি মানুষকে খারাপ পরিণামের দিকে পরিচালিত করে এবং আল্লাহর নিম্নোক্ত বাণী থেকে যা বুঝা যায় তার অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়। আল্লাহ বলেন:
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَأَطِيعُواْ ٱلرَّسُولَ وَأُوْلِي ٱلۡأَمۡرِ مِنكُمۡۖ فَإِن تَنَٰزَعۡتُمۡ فِي شَيۡءٖ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمۡ تُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۚ ذَٰلِكَ خَيۡرٞ وَأَحۡسَنُ تَأۡوِيلًا ٥٩﴾ [ النساء : ٥٩ ]
“তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রাসূলের আনুগত্য কর এবং ইমাম ও ক্ষমতাশীনদের আনুগত্য কর। অতঃপর যদি তোমাদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে বিভেদ সৃষ্টি হয়, তা হলে আল্লাহ ও রাসূলের স্মরনাপন্ন হও, যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসে বিশ্বাস আনয়ন করে থাক। এটাই তোমাদের জন্য মংগল ও পরিণামে উৎকৃষ্টতর। [সুরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৯]