১
রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫০
সপ্তম জবাব
সপ্তম জবাব এই যে, (ঐ সকল হাদীসে বর্ণিত শব্দগুলোর চাহিদা) ( عموم ) বা ব্যাপক হওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত বিষয়। পক্ষান্তরে সেটার চাহিদার বিপরীত যে যৌক্তিকতা প্রদর্শন করা হয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে বিপরীতে দাঁড়ানোর যোগ্যই নয়। কেননা সে যুক্তির শেষ কথা হচ্ছে এই যে, এতে সাধারণ অবস্থায় মতৈক্য ও মতানৈক্য উভয় অবস্থাতে এমন কিছু লোকও লা‘নতের অন্তর্ভুক্ত হবে, যারা প্রকৃত লা‘নতের যোগ্য নয়।
তার উত্তরে বলা হবে, যেভাবে ব্যাপককে নির্দিষ্ট করা মূল নিয়মের বিপরীত কাজ, তেমনিভাবে সেটাতে অতিরিক্ত করাও মৌলিক নিয়মের পরিপন্থী কাজ। অতএব, হাদীসে বর্ণিত সাধারণ হুকুম হতে ঐ সব লোক বাদ পড়বে, যারা অজ্ঞতা, ইজতিহাদ ও তাকলিদ বা অনুকরণের কারণে অপারগ ও অক্ষম। যদিও ঐ ব্যাপক হুকুম যারা অক্ষম নয় তাদেরকে এমনভাবে শামিল করে যেমন মতৈক্যের স্থানের সবাইকে শামিল করে। কারণ এ ধরণের নির্দিষ্টকরণ অত্যন্ত কম। সুতরাং এটাই উত্তম।
তার উত্তরে বলা হবে, যেভাবে ব্যাপককে নির্দিষ্ট করা মূল নিয়মের বিপরীত কাজ, তেমনিভাবে সেটাতে অতিরিক্ত করাও মৌলিক নিয়মের পরিপন্থী কাজ। অতএব, হাদীসে বর্ণিত সাধারণ হুকুম হতে ঐ সব লোক বাদ পড়বে, যারা অজ্ঞতা, ইজতিহাদ ও তাকলিদ বা অনুকরণের কারণে অপারগ ও অক্ষম। যদিও ঐ ব্যাপক হুকুম যারা অক্ষম নয় তাদেরকে এমনভাবে শামিল করে যেমন মতৈক্যের স্থানের সবাইকে শামিল করে। কারণ এ ধরণের নির্দিষ্টকরণ অত্যন্ত কম। সুতরাং এটাই উত্তম।