১
রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
প্রথম কারণ: হয়ত হাদীসটি তাঁর নিকট পৌঁছে নি
হয়ত হাদীসটি তাঁর নিকট পৌঁছে নি, আর যার কাছে হাদীস পৌঁছে নি তাকে হাদীস যা চায় সেটা জানতে বাধ্য করা যায় না। তাঁর নিকট ঐ হাদীস না পৌঁছার কারণে কোনো ব্যাপারে আয়াতের প্রকাশ্য বক্তব্য (যা উক্ত অর্থ প্রকাশের জন্য আনা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয় নি এবং যাতে অন্য অর্থ হওয়ার সম্ভাবনাও বিদ্যমান) কিংবা অন্য হাদীস অথবা কিয়াসের চাহিদা অথবা ইসতেসহাবের (কোন বস্তুর মৌল গুণ) দ্বারা রায় প্রদান করতেই পারে, আর তখন সেটা ঐ হাদীসের অনুকুলেও হতে পারে, আবার কখনও তার প্রতিকুলেও যায়। সালাফে সালেহীনের কোনো কোনো হাদীস বিরোধী বক্তব্যের জন্য উপরোক্ত কারণটি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য কারণ হিসেবে বিবেচিত।
কেননা উম্মতের কোনো এক ব্যক্তির পক্ষে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমস্ত হাদীস পূর্ণরূপে আয়ত্ব করা সম্ভব নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, বিচার করতেন, কোনো বিষয়ে ফাতওয়া দিতেন অথবা কোনো কাজ করতেন, তখন উপস্থিত লোকগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী শ্রবণ করতেন কিংবা অবলোকন করতেন। অতঃপর উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকেই কিংবা কেউ কেউ শ্রুত বা পরিদৃষ্ট হাদীসটি অপরের নিকট পৌঁছাতেন। তারপর উক্ত হাদীসটি বিজ্ঞ সাহাবী, তাবেঈন ও তাদের পরবর্তীগণের মধ্যে যাদের কাছে আল্লাহ ইচ্ছা করতেন তাদের কাছে পৌঁছাতেন।
এরপর অন্য একটি মজলিসে হাদীস বর্ণিত হত, সিদ্ধান্ত হত, বিচার করা হত অথবা কোনো কাজ করা হত। যারা পূর্বের মজলিসে অনুপস্থিত ছিলেন, তাদের কেউ কেউ পরবর্তী মজলিসে উপস্থিত থাকতেন। যাঁদের পক্ষে সম্ভব হত তারা শ্রুত হাদীসটি প্রচার করতেন। অতএব, পূর্বের মজলিসে উপস্থিত লোকদের যে জ্ঞান লাভ হয়, তা পরবর্তী মজলিসে উপস্থিত লোকদের হয় নি, আবার পরবর্তী মজলিসের লোকদের যে জ্ঞান লাভ হয় তা র্পূববর্তী লোকদের হয় নি।
কেননা উম্মতের কোনো এক ব্যক্তির পক্ষে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমস্ত হাদীস পূর্ণরূপে আয়ত্ব করা সম্ভব নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, বিচার করতেন, কোনো বিষয়ে ফাতওয়া দিতেন অথবা কোনো কাজ করতেন, তখন উপস্থিত লোকগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী শ্রবণ করতেন কিংবা অবলোকন করতেন। অতঃপর উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকেই কিংবা কেউ কেউ শ্রুত বা পরিদৃষ্ট হাদীসটি অপরের নিকট পৌঁছাতেন। তারপর উক্ত হাদীসটি বিজ্ঞ সাহাবী, তাবেঈন ও তাদের পরবর্তীগণের মধ্যে যাদের কাছে আল্লাহ ইচ্ছা করতেন তাদের কাছে পৌঁছাতেন।
এরপর অন্য একটি মজলিসে হাদীস বর্ণিত হত, সিদ্ধান্ত হত, বিচার করা হত অথবা কোনো কাজ করা হত। যারা পূর্বের মজলিসে অনুপস্থিত ছিলেন, তাদের কেউ কেউ পরবর্তী মজলিসে উপস্থিত থাকতেন। যাঁদের পক্ষে সম্ভব হত তারা শ্রুত হাদীসটি প্রচার করতেন। অতএব, পূর্বের মজলিসে উপস্থিত লোকদের যে জ্ঞান লাভ হয়, তা পরবর্তী মজলিসে উপস্থিত লোকদের হয় নি, আবার পরবর্তী মজলিসের লোকদের যে জ্ঞান লাভ হয় তা র্পূববর্তী লোকদের হয় নি।