১
রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
ফতোয়া প্রদানে সালাফে সালেহীনের সাবধানতার অন্যতম কারণ
আর এ কারণেই সালাফে সালেহীন এ ধরণের ফাতওয়া প্রদান করতে ভয় করতেন। এ আশংকায় যে, বিশেষ মাসআলার ব্যাপারে গ্রহণযোগ্য ইজতিহাদ নাও সংঘটিত হতে পারে।
উল্লিখিত বিষয়গুলো নিঃসন্দেহে গুনাহের কাজ, কিন্তু গুনাহের শাস্তি কাউকে তো তখনই দেওয়া হয়, যখন সে তাওবা করে না। আবার কখনও কখনও ইসতেগফার, ইহসান, বালা-মুসীবাত, শাফা‘আত ও রহমতের দ্বারা গুনাহ মুছে যায়।
তন্মধ্যে যারা এর মধ্যে শামিল হবে না, বিশেষ করে যার ওপর প্রবৃত্তি তার বিবেকের ওপর জয়ী হয়েছে এবং যাকে প্রবৃত্তি ধরাশায়ী করে ফেলেছে, এমনকি সে কোনো কিছুকে বাতিল জানার পরও অথবা কোনো মাসআলার হাঁ বা না বোধক দলীল সম্পর্কে সম্যকভাবে অবগত না হয়েও কোনো একটি মতকে সঠিক অথবা ভুল বলার ক্ষেত্রে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকে, তারা উভয়েই জাহান্নামের অধিবাসী। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“তিন ধরণের বিচারক (Judge) আছে। দুই প্রকারের বিচারক জাহান্নামে এবং এক প্রকারের বিচারক জান্নাতে যাবেন। যিনি জেনে শুনে বিচার করেন, তিনি জান্নাতে যাবেন। আর দুই প্রকার বিচারক যারা জাহান্নামে যাবে: তাদের মধ্যে একজন হলো, যে না জেনে বিচার করে, অন্যজন হক ও ন্যায় জানা সত্ত্বেও তদনুযায়ী বিচার করে না”। (আবু দাউদ, ইবন মাজা) [হাদীসের শব্দ হচ্ছে নিম্নরূপ: الْقُضَاةُ ثَلَاثَةٌ : وَاحِدٌ فِي الْجَنَّةِ، وَاثْنَانِ فِي النَّارِ، فَأَمَّا الَّذِي فِي الْجَنَّةِ فَرَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ فَقَضَى بِهِ، وَرَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ فَجَارَ فِي الْحُكْمِ، فَهُوَ فِي النَّارِ، وَرَجُلٌ قَضَى لِلنَّاسِ عَلَى جَهْلٍ فَهُوَ فِي النَّارِ ]।
কাজীদের (বিচারক) ন্যায় মুফতীগণেরও একই অবস্থা হয়ে থাকে: তবে নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য শাস্তির প্রযোজ্য না হওয়ার ক্ষেত্রে কতিপয় প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যা আমরা উল্লেখ করেছি।
যদি ধরে নেওয়া যায় যে, উম্মতের কাছে প্রশংসিত ও প্রসিদ্ধ কোনো আলিমের কাছ থেকে এরূপ (নিষিদ্ধ ও জাহান্নামে যাওয়ার ধমক দেওয়া হয়েছে যে দু’ কারণে সে) অবস্থার সৃষ্টি হয়, যদিও এটা অসম্ভব বা অবান্তর, তবে মনে করতে হবে উল্লিখিত (হাদীসের ওপর আমল না করার) কারণগুলোর কোনো একটি তাদের মধ্যে অবশ্যই ছিল। যদি এরূপ কিছু ঘটেও থাকে তবুও সাধারণভাবে তাদের ইমাম হওয়ার মধ্যে কিছুতেই দোষ দেওয়া যায় না।
উল্লিখিত বিষয়গুলো নিঃসন্দেহে গুনাহের কাজ, কিন্তু গুনাহের শাস্তি কাউকে তো তখনই দেওয়া হয়, যখন সে তাওবা করে না। আবার কখনও কখনও ইসতেগফার, ইহসান, বালা-মুসীবাত, শাফা‘আত ও রহমতের দ্বারা গুনাহ মুছে যায়।
তন্মধ্যে যারা এর মধ্যে শামিল হবে না, বিশেষ করে যার ওপর প্রবৃত্তি তার বিবেকের ওপর জয়ী হয়েছে এবং যাকে প্রবৃত্তি ধরাশায়ী করে ফেলেছে, এমনকি সে কোনো কিছুকে বাতিল জানার পরও অথবা কোনো মাসআলার হাঁ বা না বোধক দলীল সম্পর্কে সম্যকভাবে অবগত না হয়েও কোনো একটি মতকে সঠিক অথবা ভুল বলার ক্ষেত্রে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকে, তারা উভয়েই জাহান্নামের অধিবাসী। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“তিন ধরণের বিচারক (Judge) আছে। দুই প্রকারের বিচারক জাহান্নামে এবং এক প্রকারের বিচারক জান্নাতে যাবেন। যিনি জেনে শুনে বিচার করেন, তিনি জান্নাতে যাবেন। আর দুই প্রকার বিচারক যারা জাহান্নামে যাবে: তাদের মধ্যে একজন হলো, যে না জেনে বিচার করে, অন্যজন হক ও ন্যায় জানা সত্ত্বেও তদনুযায়ী বিচার করে না”। (আবু দাউদ, ইবন মাজা) [হাদীসের শব্দ হচ্ছে নিম্নরূপ: الْقُضَاةُ ثَلَاثَةٌ : وَاحِدٌ فِي الْجَنَّةِ، وَاثْنَانِ فِي النَّارِ، فَأَمَّا الَّذِي فِي الْجَنَّةِ فَرَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ فَقَضَى بِهِ، وَرَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ فَجَارَ فِي الْحُكْمِ، فَهُوَ فِي النَّارِ، وَرَجُلٌ قَضَى لِلنَّاسِ عَلَى جَهْلٍ فَهُوَ فِي النَّارِ ]।
কাজীদের (বিচারক) ন্যায় মুফতীগণেরও একই অবস্থা হয়ে থাকে: তবে নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য শাস্তির প্রযোজ্য না হওয়ার ক্ষেত্রে কতিপয় প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যা আমরা উল্লেখ করেছি।
যদি ধরে নেওয়া যায় যে, উম্মতের কাছে প্রশংসিত ও প্রসিদ্ধ কোনো আলিমের কাছ থেকে এরূপ (নিষিদ্ধ ও জাহান্নামে যাওয়ার ধমক দেওয়া হয়েছে যে দু’ কারণে সে) অবস্থার সৃষ্টি হয়, যদিও এটা অসম্ভব বা অবান্তর, তবে মনে করতে হবে উল্লিখিত (হাদীসের ওপর আমল না করার) কারণগুলোর কোনো একটি তাদের মধ্যে অবশ্যই ছিল। যদি এরূপ কিছু ঘটেও থাকে তবুও সাধারণভাবে তাদের ইমাম হওয়ার মধ্যে কিছুতেই দোষ দেওয়া যায় না।