১
রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫১
অষ্টম জবাব
অষ্টম জবাব এই যে, ব্যাপক শব্দটিকে যখন আমরা ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করে যারা সে কাজ করবে তাদের সবাইকে তা শামিল করলে, হাদীসের মধ্যেই সে লা‘নত বা অভিশাপের কারণ উল্লেখ হয়েছে বলে ধর্তব্য হবে। আর তখন যাদেরকে তা থেকে ব্যতিক্রম ধরা হবে তাদের ব্যাপারে বলা হবে যে, প্রতিবন্ধকতার কারণে তাদের ওপর সেটা প্রযোজ্য হয় নি। আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, যে ব্যক্তি ওয়াদা দেয় অথবা ভীতি প্রদর্শন করে, সে ওয়াদা কিংবা ভীতিপ্রদর্শন কারও জন্য কোনো কারণে বাদ পড়ে গেলে, সেটাকে ব্যতিক্রম বলে নেওয়া জরুরী নয়। ফলে বাক্য তার সঠিক পদ্ধতিতে চলমান থাকবে।
কিন্তু যখন আমরা লা‘নত বা অভিশাপ এমন কাজের নিমিত্তে করব যা হারাম হওয়ার ব্যাপারে ইজমা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অথবা লা‘নতের কারণ ইজমা‘ বিরোধী বিশ্বাস পোষণকে ধরব, তখন তা থেকে বুঝা যাবে যে হাদীসে লা‘নতের কারণ বর্ণিত হয় নি। অবশ্য এসব ব্যাপক শব্দ বিশিষ্ট হাদীসগলোকে কোনো না কোনোভাবে নির্দিষ্টকরণ করতেই হয়।
সুতরাং যদি উভয় দিক থেকেই সে সব হাদীসের ব্যাপকাতে নিদিষ্টকরণ করতেই হচ্ছে, তাহলে প্রথম অবস্থাতেই তা কার্যকর করা শ্রেয়। কারণ তা বাক্যের রীতি অনুযায়ী হয়, আর তাতে কিছু উহ্য রাখার প্রয়োজন হয় না।
কিন্তু যখন আমরা লা‘নত বা অভিশাপ এমন কাজের নিমিত্তে করব যা হারাম হওয়ার ব্যাপারে ইজমা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অথবা লা‘নতের কারণ ইজমা‘ বিরোধী বিশ্বাস পোষণকে ধরব, তখন তা থেকে বুঝা যাবে যে হাদীসে লা‘নতের কারণ বর্ণিত হয় নি। অবশ্য এসব ব্যাপক শব্দ বিশিষ্ট হাদীসগলোকে কোনো না কোনোভাবে নির্দিষ্টকরণ করতেই হয়।
সুতরাং যদি উভয় দিক থেকেই সে সব হাদীসের ব্যাপকাতে নিদিষ্টকরণ করতেই হচ্ছে, তাহলে প্রথম অবস্থাতেই তা কার্যকর করা শ্রেয়। কারণ তা বাক্যের রীতি অনুযায়ী হয়, আর তাতে কিছু উহ্য রাখার প্রয়োজন হয় না।