১
সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান
লেখকঃ আশরাফুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
সূরা মুযযাম্মিলের ২০ নং আয়াতের ভুল দাবি গ্রহণ
আবু আব্দিল্লাহ আব্দুর রাজ্জাক - ২: (পৃ. ৩)
অপর দিকে রয়েছে সুন্নাতে নববীর অনুসারী আলেমগণ। তাদের মতে ইমামের পিছনে চুপে চুপে মুক্তাদীর সূরা ফাতিহা পাঠ অবশ্য কর্তব্য। তারা দলিল হিসেবে পেশ করে থাকেন আল-কুরআনের সূরা মুযযাম্মিলের ২০ নং আয়াত যেখানে বলা হয়েছে “অতঃপর তোমরা পড় কুরআন থেকে যা সহজ মনে কর” ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদীস, যেখানে বলা হয়েছে “যে ব্যক্তি সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ল না, তার সালাত হলো না”। সুন্নাতে নববীর অনুসারী মুসলিমগণের মধ্যেও তদনুযায়ী আমল বিদ্যমান রয়েছে।
পর্যালোচনা - ২: পুস্তিকাটির লেখক সূরা মুযযাম্মিলের ২০ নং আয়াত ও পরবর্তী হাদীসটি দ্বারা মুক্তাদির জন্য সূরা ফাতিহা পাঠকে অবশ্য কর্তব্য বা ফরয হিসেবে গণ্য করেছেন। অথচ আয়াতটি ফরয হওয়ার দলিল নয়, বরং পাঠের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা থাকার দলিল। পক্ষান্তরে হাদীসটি নিশ্চিত ফরয হওয়ার দলিল।
এক্ষণে হাদীসের ব্যাখ্যা নিলে আয়াতটিতে বর্ণিত স্বাধীনতাটি সূরা ফাতিহার জন্য নয় বরং পরবর্তী ক্বিরাআতের ক্ষেত্রেই বিশেষভাবে প্রযোজ্য হয়। যেমন:
নবী (স) ভুল সালাত আদায়কারীকে বলেছিলেন:
اِذَا قُمْتُ اِلَى الصَّلوةِ فَأَسْبِغِ الْوُضُوْءَ ـ ثَمَّ اسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ فَكَبِّرْ ـ ثُمَّ اقْرَأَ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ
‘‘তুমি যখন সালাতে দাঁড়াও (প্রস্ত্ততি নাও) তখন পরিপূর্ণভাবে অযু করে নেবে। তারপর ক্বিবলামুখী হয়ে তাকবীর বলবে। এরপর কুরআনের যে অংশ তোমার কাছে সহজ মনে হয় সেখান থেকে ক্বিরাআত করবে।’’ [.সহীহ: ইবনে মাজাহ - কিতাবুস সালাত باب اتّمام الصلاة ...। এর বর্ণনাকারীগণ সিক্বাহ [তাক্বরীব, মিনহাজুল মুসলিমীন (করাচী) পৃ. ১৭০]। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [তাহক্বীক্বসহ ইবনে মাজাহ হা/৮৬২]।]
অন্য বর্ণনায় আছে:
إذا استقبلت القبلة فكبر ثُم اقرأ بأم القرآن ثُم اقرأ بِما شئت
‘‘যখন তুমি কেবলামুখী হও তখন তাকবির বল। অতঃপর উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পড় এবং তোমার যতটুকু ইচ্ছা ক্বিরাআত কর।’’ [.হাসান: আহমাদ, ইবনে হিব্বান। আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন (সহীহ জামেউস সগীর হা/৩২৪ )। শু‘আয়েব আরনাউতও হাদীসটির সনদকে শক্তিশালী ( قوي ) বলেছেন। (তাহক্বীক্বকৃত সহীহ ইবনে হিব্বান ৫/৮৮/১৭৮৭)]
অপর দিকে রয়েছে সুন্নাতে নববীর অনুসারী আলেমগণ। তাদের মতে ইমামের পিছনে চুপে চুপে মুক্তাদীর সূরা ফাতিহা পাঠ অবশ্য কর্তব্য। তারা দলিল হিসেবে পেশ করে থাকেন আল-কুরআনের সূরা মুযযাম্মিলের ২০ নং আয়াত যেখানে বলা হয়েছে “অতঃপর তোমরা পড় কুরআন থেকে যা সহজ মনে কর” ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদীস, যেখানে বলা হয়েছে “যে ব্যক্তি সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ল না, তার সালাত হলো না”। সুন্নাতে নববীর অনুসারী মুসলিমগণের মধ্যেও তদনুযায়ী আমল বিদ্যমান রয়েছে।
পর্যালোচনা - ২: পুস্তিকাটির লেখক সূরা মুযযাম্মিলের ২০ নং আয়াত ও পরবর্তী হাদীসটি দ্বারা মুক্তাদির জন্য সূরা ফাতিহা পাঠকে অবশ্য কর্তব্য বা ফরয হিসেবে গণ্য করেছেন। অথচ আয়াতটি ফরয হওয়ার দলিল নয়, বরং পাঠের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা থাকার দলিল। পক্ষান্তরে হাদীসটি নিশ্চিত ফরয হওয়ার দলিল।
এক্ষণে হাদীসের ব্যাখ্যা নিলে আয়াতটিতে বর্ণিত স্বাধীনতাটি সূরা ফাতিহার জন্য নয় বরং পরবর্তী ক্বিরাআতের ক্ষেত্রেই বিশেষভাবে প্রযোজ্য হয়। যেমন:
নবী (স) ভুল সালাত আদায়কারীকে বলেছিলেন:
اِذَا قُمْتُ اِلَى الصَّلوةِ فَأَسْبِغِ الْوُضُوْءَ ـ ثَمَّ اسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ فَكَبِّرْ ـ ثُمَّ اقْرَأَ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ
‘‘তুমি যখন সালাতে দাঁড়াও (প্রস্ত্ততি নাও) তখন পরিপূর্ণভাবে অযু করে নেবে। তারপর ক্বিবলামুখী হয়ে তাকবীর বলবে। এরপর কুরআনের যে অংশ তোমার কাছে সহজ মনে হয় সেখান থেকে ক্বিরাআত করবে।’’ [.সহীহ: ইবনে মাজাহ - কিতাবুস সালাত باب اتّمام الصلاة ...। এর বর্ণনাকারীগণ সিক্বাহ [তাক্বরীব, মিনহাজুল মুসলিমীন (করাচী) পৃ. ১৭০]। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [তাহক্বীক্বসহ ইবনে মাজাহ হা/৮৬২]।]
অন্য বর্ণনায় আছে:
إذا استقبلت القبلة فكبر ثُم اقرأ بأم القرآن ثُم اقرأ بِما شئت
‘‘যখন তুমি কেবলামুখী হও তখন তাকবির বল। অতঃপর উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পড় এবং তোমার যতটুকু ইচ্ছা ক্বিরাআত কর।’’ [.হাসান: আহমাদ, ইবনে হিব্বান। আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন (সহীহ জামেউস সগীর হা/৩২৪ )। শু‘আয়েব আরনাউতও হাদীসটির সনদকে শক্তিশালী ( قوي ) বলেছেন। (তাহক্বীক্বকৃত সহীহ ইবনে হিব্বান ৫/৮৮/১৭৮৭)]