১
সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান
লেখকঃ আশরাফুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
ইমাম শাফেঈ (রহ) ও সূরা আ‘রাফের ২০৪ নং আয়াত
ইমাম মুনযিরি (রহ) বর্ণনা করেন:
وَقَدْ كَانَ الشَّافِعِيُّ إِذْ هُوَ بِالْعِرَاقِ يَقُولُ : وَمَنْ كَانَ خَلْفَ الْإِمَامِ فِيمَا يَجْهَرُ فِيهِ الْإِمَامُ بِالْقِرَاءَةِ فَإِنَّ اللهَ عز وجل يَقُولُ : وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا [ الأعراف : ٢٠٤ ] ، فَهَذَا عِنْدَنَا عَلَى الْقِرَاءَةِ الَّتِي يَسْمَعُ خَاصَّةً، فَكَيْفَ يُنْصِتُ لِمَا لَا يَسْمَعُ؟ .
‘‘যখন ইমাম শাফেঈ ইরাক্বে ছিলেন তখন (ইরাক্বীদের/হানাফীদের জবাবে) বলতেন: যে ইমামের পিছনে আছে আর ইমাম তাতে জাহরি ক্বিরাআত করেন, এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘যখন কুরআন পড়া হয় তখন মনোযোগের সাথে শোনো ও চুপ থাকো।’ (সূরা আ‘রাফ: ২০৪) আমাদের নিকট ক্বিরাআত শোনার বিষয়টি এখানে খাস (সুনির্দিষ্ট)। তা হলে যখন সে (কুরআন তিলাওয়াত) শুনতে পায় না, তখন কিভাবে চুপ থাকবে ?’’ [আল-আওসাত লিলমুনযিরি (শামেলা) ৩/২৬১। অথচ আমাদের এই পর্যালোচনাকৃত পুস্তিকাটির লেখক আবূ আব্দিল্লাহ আব্দুর রাজ্জাকের কাছে আয়াতটির দাবি ‘আম।]
وَقَدْ كَانَ الشَّافِعِيُّ إِذْ هُوَ بِالْعِرَاقِ يَقُولُ : وَمَنْ كَانَ خَلْفَ الْإِمَامِ فِيمَا يَجْهَرُ فِيهِ الْإِمَامُ بِالْقِرَاءَةِ فَإِنَّ اللهَ عز وجل يَقُولُ : وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا [ الأعراف : ٢٠٤ ] ، فَهَذَا عِنْدَنَا عَلَى الْقِرَاءَةِ الَّتِي يَسْمَعُ خَاصَّةً، فَكَيْفَ يُنْصِتُ لِمَا لَا يَسْمَعُ؟ .
‘‘যখন ইমাম শাফেঈ ইরাক্বে ছিলেন তখন (ইরাক্বীদের/হানাফীদের জবাবে) বলতেন: যে ইমামের পিছনে আছে আর ইমাম তাতে জাহরি ক্বিরাআত করেন, এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘যখন কুরআন পড়া হয় তখন মনোযোগের সাথে শোনো ও চুপ থাকো।’ (সূরা আ‘রাফ: ২০৪) আমাদের নিকট ক্বিরাআত শোনার বিষয়টি এখানে খাস (সুনির্দিষ্ট)। তা হলে যখন সে (কুরআন তিলাওয়াত) শুনতে পায় না, তখন কিভাবে চুপ থাকবে ?’’ [আল-আওসাত লিলমুনযিরি (শামেলা) ৩/২৬১। অথচ আমাদের এই পর্যালোচনাকৃত পুস্তিকাটির লেখক আবূ আব্দিল্লাহ আব্দুর রাজ্জাকের কাছে আয়াতটির দাবি ‘আম।]