১
সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান
লেখকঃ আশরাফুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
২) ইমাম তিরমিযী (রহ)-এর অভিমত
ইমাম তিরমিযী (রহ) উবাদাহ (রা) ও আবূ হুরায়রা (রা)-এর পরস্পর বিরোধী হাদীসের মধ্যে সমন্বয় করতে গিয়ে লিখেছেন:
واختار أكثر أصحاب الْحديث أن لا يقرأ الرجل إذا جهر الإمام بالقراءة وقالوا يتتبع سكتات الإمام
‘‘অধিকাংশ আসহাবুল হাদীস (হাদীসবেত্তাগণ) ইমাম জোরে ক্বিরাআতকালে মুক্তাদির ক্বিরআত না করার মত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন: ইমামের ক্বিরাআতের সাকতাতে বা চুপ থাকার সময়ে তা করা হবে।’’
[তিরমিযী - কিতাবুস সালাত - باب ماجاء في ترك القراءة خلف الإمام إذا جهر الإمام بالقراءة (অনুচ্ছেদ: ইমাম যখন জাহরি ক্বিরাআত করেন তখন তাঁর পিছনে মুক্তাদির ক্বিরাআত না করা)]
তেমনি সুনানে তিরমিযীতে সাহাবী সামুরাহ (রা) বর্ণিত দু’টি সাকতার হাদীস বর্ণনার পর উল্লিখিত হয়েছে:
قال أبو عيسى حديث سمرة حديث حسن وهو قول غير واحد من أهل العلم ستحبون للإمام أن يسكت بعد ما يفتتح الصلاة وبعد الفراغ من القراءة وبه يقول أحمد و إسحق وأصحابنا
‘‘আবূ ঈসা (তিরমিযী রহ.) বলেন: সামুরাহ (রা)-এর হাদীসটি হাসান। একাধিক আলিম এই কথা বলেছেন। তাঁরা সালাত শুরুর পর এবং ক্বিরাআত শেষে কিছুক্ষণ নীরব থাকা ইমামের জন্য মুস্তাহাব বলে মত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম আহমাদ, ইসহাক্ব ও আমাদের উস্তাযগণের অভিমত এ-ই। [তিরমিযী ‘কিতাবুস সালাত’ باب ما جاء في السكتتين ]
واختار أكثر أصحاب الْحديث أن لا يقرأ الرجل إذا جهر الإمام بالقراءة وقالوا يتتبع سكتات الإمام
‘‘অধিকাংশ আসহাবুল হাদীস (হাদীসবেত্তাগণ) ইমাম জোরে ক্বিরাআতকালে মুক্তাদির ক্বিরআত না করার মত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন: ইমামের ক্বিরাআতের সাকতাতে বা চুপ থাকার সময়ে তা করা হবে।’’
[তিরমিযী - কিতাবুস সালাত - باب ماجاء في ترك القراءة خلف الإمام إذا جهر الإمام بالقراءة (অনুচ্ছেদ: ইমাম যখন জাহরি ক্বিরাআত করেন তখন তাঁর পিছনে মুক্তাদির ক্বিরাআত না করা)]
তেমনি সুনানে তিরমিযীতে সাহাবী সামুরাহ (রা) বর্ণিত দু’টি সাকতার হাদীস বর্ণনার পর উল্লিখিত হয়েছে:
قال أبو عيسى حديث سمرة حديث حسن وهو قول غير واحد من أهل العلم ستحبون للإمام أن يسكت بعد ما يفتتح الصلاة وبعد الفراغ من القراءة وبه يقول أحمد و إسحق وأصحابنا
‘‘আবূ ঈসা (তিরমিযী রহ.) বলেন: সামুরাহ (রা)-এর হাদীসটি হাসান। একাধিক আলিম এই কথা বলেছেন। তাঁরা সালাত শুরুর পর এবং ক্বিরাআত শেষে কিছুক্ষণ নীরব থাকা ইমামের জন্য মুস্তাহাব বলে মত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম আহমাদ, ইসহাক্ব ও আমাদের উস্তাযগণের অভিমত এ-ই। [তিরমিযী ‘কিতাবুস সালাত’ باب ما جاء في السكتتين ]