১
সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান
লেখকঃ আশরাফুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
তাবেঈ যুগে সাকতার আমল
ইমাম বুখারীর ‘জুযউল ক্বিরাআত’ বইটিতে আবূ হুরায়রা (রা)-এর (হা/২৭৫) দুই সাকতার বর্ণনাটির পূর্বে (হা/২৭৪) অনুরূপ মর্মে তাবেঈ আবু সালামাহ (রহ)-এর বক্তব্য রয়েছে। সেটাকেও শায়খ আলবানী তাবেঈর উক্তি হিসেবে হাসান বলেছেন। [ঐ]
আর শায়খ যুবায়ের আলী যাঈ (রহ) ‘সহীহ’ বলেছেন। [দ্র: নাসরুল বারী হা/২৭৪]
শায়খ আলবানী (রহ) লিখেছেন:
قال الحافظ : دليل استحباب تطويل هذه السكتة حديث أبي سلمة بن عبد الرحْمن أن للإمام سكتتين
‘‘হাফিয ইবনে হাজার (রহ) বলেছেন: দীর্ঘক্ষণ চুপ থাকা মুস্তাহাব হওয়ার দলিল হচ্ছে আবূ সালামাহ ইবনু আব্দির রহমানের হাদীসে - ইমামের জন্য দু’টি সাকতা।’’[সিলসিলা যঈফাহ ২য় খণ্ড, হা/৫৪৬]
অপর একজন তাবেঈর বর্ণনা লক্ষ্য করুন, সা‘ঈদ বিন জুবায়ের (রহ) বর্ণনা করেন:
لا بد أن تقرأ بأم القرآن مع الإمام ولكن من مضى كانوا إذا كبر الإمام سكت ساعة لا يقرأ قدر ما يقرؤن أم القرآن
‘‘ইমামের সাথে তুমি অবশ্যই উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পড়বে। কিন্তু সালাফদের (সাহাবীদের) আমল ছিল, যখন ইমাম তাকবীর বলতেন তখন কিছুক্ষণ সাকতা করতেন এবং কিছু পড়তেন না, যেন মুক্তাদি উম্মুল কুরআন পাঠ করতে পারে।’’
[কিতাবুল ক্বিরাআত পৃ. ৬৯, ৮৭, জুঝউল ক্বিরাআত পৃ. ৬, ২৯, আব্দুর রাজ্জাক্ব ২/১৩৪,১৩৫ পৃ., শব্দগুলো ‘আব্দুর রাজ্জাকের]
পাকিস্তানি আহলেহাদীস রিজালশাস্ত্রবীদ শায়খ ইরশাদুল হক্ব আসারি (হাফি) বর্ণনাটিকে সহীহ বলেছেন। [তাওযিহুল কালাম পৃ. ৫৮১-৫৮২]
অপর একজন পাকিস্তানি আহলেহাদীস রিজালশাস্ত্রবীদ শায়খ যুবায়ের আলী যাঈ (রহ) লিখেছেন: এই সনদটি হাসান লিযাতিহি। সাঈদ বিন জুবায়ের (রহ) জলিল ক্বদর তাবেঈ ছিলেন। তিনি সমস্ত সালফে সালেহীন থেকে এভাবেই বর্ণনা করতেন যে, তারা জাহরি সালাতের ক্ষেত্রে ইমামের সাকতাতে (ফাতিহা) পড়ে নিতেন। [নাসরুল বারি ফি তাহক্বীক্বে জুযউল ক্বিরাআত লিলবুখারী হা/২৭৩ - এর তাহক্বীক্ক]
সম্মানিত পাঠক! এরপরেও কি আপনি বলবেন: সাকতাতে সূরা ফাতিহা পাঠের উক্ত পদ্ধতিটি সাম্প্রতিক মতামত? যেভাবে লেখক আবূ আব্দিল্লাহ আব্দুর রাজ্জাক লিখেছেন!? নাকি এটা সুস্পষ্ট হয়, লেখক (আবূ আব্দিল্লাহ আব্দুর রাজ্জাক) মুহাদ্দিসগণের ঐকমত্য সিদ্ধান্ত - যার ফলে কুরআন ও সহীহ হাদীস উভয়টির মধ্যে আমল হয়, কোনো দলিলের সাথে কোনোটির বিরোধ থাকে না - সেই পরিপূর্ণ ও ত্রুটিমুক্ত সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করছেন।
আর শায়খ যুবায়ের আলী যাঈ (রহ) ‘সহীহ’ বলেছেন। [দ্র: নাসরুল বারী হা/২৭৪]
শায়খ আলবানী (রহ) লিখেছেন:
قال الحافظ : دليل استحباب تطويل هذه السكتة حديث أبي سلمة بن عبد الرحْمن أن للإمام سكتتين
‘‘হাফিয ইবনে হাজার (রহ) বলেছেন: দীর্ঘক্ষণ চুপ থাকা মুস্তাহাব হওয়ার দলিল হচ্ছে আবূ সালামাহ ইবনু আব্দির রহমানের হাদীসে - ইমামের জন্য দু’টি সাকতা।’’[সিলসিলা যঈফাহ ২য় খণ্ড, হা/৫৪৬]
অপর একজন তাবেঈর বর্ণনা লক্ষ্য করুন, সা‘ঈদ বিন জুবায়ের (রহ) বর্ণনা করেন:
لا بد أن تقرأ بأم القرآن مع الإمام ولكن من مضى كانوا إذا كبر الإمام سكت ساعة لا يقرأ قدر ما يقرؤن أم القرآن
‘‘ইমামের সাথে তুমি অবশ্যই উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পড়বে। কিন্তু সালাফদের (সাহাবীদের) আমল ছিল, যখন ইমাম তাকবীর বলতেন তখন কিছুক্ষণ সাকতা করতেন এবং কিছু পড়তেন না, যেন মুক্তাদি উম্মুল কুরআন পাঠ করতে পারে।’’
[কিতাবুল ক্বিরাআত পৃ. ৬৯, ৮৭, জুঝউল ক্বিরাআত পৃ. ৬, ২৯, আব্দুর রাজ্জাক্ব ২/১৩৪,১৩৫ পৃ., শব্দগুলো ‘আব্দুর রাজ্জাকের]
পাকিস্তানি আহলেহাদীস রিজালশাস্ত্রবীদ শায়খ ইরশাদুল হক্ব আসারি (হাফি) বর্ণনাটিকে সহীহ বলেছেন। [তাওযিহুল কালাম পৃ. ৫৮১-৫৮২]
অপর একজন পাকিস্তানি আহলেহাদীস রিজালশাস্ত্রবীদ শায়খ যুবায়ের আলী যাঈ (রহ) লিখেছেন: এই সনদটি হাসান লিযাতিহি। সাঈদ বিন জুবায়ের (রহ) জলিল ক্বদর তাবেঈ ছিলেন। তিনি সমস্ত সালফে সালেহীন থেকে এভাবেই বর্ণনা করতেন যে, তারা জাহরি সালাতের ক্ষেত্রে ইমামের সাকতাতে (ফাতিহা) পড়ে নিতেন। [নাসরুল বারি ফি তাহক্বীক্বে জুযউল ক্বিরাআত লিলবুখারী হা/২৭৩ - এর তাহক্বীক্ক]
সম্মানিত পাঠক! এরপরেও কি আপনি বলবেন: সাকতাতে সূরা ফাতিহা পাঠের উক্ত পদ্ধতিটি সাম্প্রতিক মতামত? যেভাবে লেখক আবূ আব্দিল্লাহ আব্দুর রাজ্জাক লিখেছেন!? নাকি এটা সুস্পষ্ট হয়, লেখক (আবূ আব্দিল্লাহ আব্দুর রাজ্জাক) মুহাদ্দিসগণের ঐকমত্য সিদ্ধান্ত - যার ফলে কুরআন ও সহীহ হাদীস উভয়টির মধ্যে আমল হয়, কোনো দলিলের সাথে কোনোটির বিরোধ থাকে না - সেই পরিপূর্ণ ও ত্রুটিমুক্ত সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করছেন।