১
সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান
লেখকঃ আশরাফুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
রসূলুল্লাহ (স) থেকে সূরা আ‘রাফের ২০৪ নং আয়াতে উল্লিখিত ‘আনসাতের’ ব্যাখ্যা
রসূলূল্লাহ (স) বলেছেন:
إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا وَإِذَا قَالَ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ فَقُولُوا آمِينَ وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا
‘‘অনুসরণ করার জন্যই তো ইমাম নিযুক্ত করা হয়। সুতরাং যখন তিনি তাকবীর বলেন, তখন তোমরা তাকবীর বলবে। আর যখন তিনি ক্বিরাআত পাঠ করবেন তখন তোমরা চুপ (আনসাত) থাকবে। আর যখন তিনি বলবেন: غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ তখন তোমরা বলবে: ‘‘আমীন’’। আর যখন তিনি রুকু করেন, তখন তোমরা রুকু করবে।.....’’ [শায়খ আলবানী হাদীসটিকে ‘হাসান সহীহ’ বলেছেন (তাহক্বীক্ব ইবনে মাজাহ হা/৮৪৬); শায়খ যুবায়ের আলী যাঈ (রহ) বলেছেন: হাদীসটি সহীহ। হাদীসটি আবু দাউদ (হা/৬০৪) বর্ণনা করেছেন। যা আবু খালিদের হাদীসের অন্তর্ভুক্ত। ইমাম মুসলিম (রহ) এটিকে সহীহ বলেছেন। এই হাদীসটি দ্বারা ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ বর্জনের দলিল হয় না। (তাহক্বীক্বকৃত উর্দু আবু দাউদ হা/৮৪৬)]
হাদীসটি সুস্পষ্ট করে, খাসভাবে সূরা ফাতিহা পাঠের সময় মুক্তাদিকে চুপ থাকতে হবে। কেননা তাকবীরে তাহরীমার পর ইমাম সূরা ফাতিহা পাঠ করেন। আর হাদীসটিতে তখনই চুপ থাকতে বলা হয়েছে।
ইমাম নাসাঈ নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদের অধীনে উপরে বর্ণিত হাদীসটি এনেছেন:
تأويل قوله عز و جل : وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْانُ فَاسْتَمِعُوْا لَه ও وَأَنْصِتُوَا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
‘‘আল্লাহ তাআলা’র বাণী: ‘‘যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা মনোযোগ সহকারে শুনবে এবং চুপ (আনসাত) থাকবে। আশা করা যায়, তাতে তোমরা রহমপ্রাপ্ত হবে’’ -(সূরা আ‘রাফ-২০৪) আয়াতের ব্যাখ্যা।’’
বুঝা যাচ্ছে, ইমাম নাসাঈ (রহ)-এর নিকট হাদীসটি সূরা আ‘রাফের ২০৪ নং আয়াতের তাফসির। কেননা আয়াতের ন্যায় হাদীসেও আনসাত বা চুপ থাকার নির্দেশ রয়েছে।
إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا وَإِذَا قَالَ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ فَقُولُوا آمِينَ وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا
‘‘অনুসরণ করার জন্যই তো ইমাম নিযুক্ত করা হয়। সুতরাং যখন তিনি তাকবীর বলেন, তখন তোমরা তাকবীর বলবে। আর যখন তিনি ক্বিরাআত পাঠ করবেন তখন তোমরা চুপ (আনসাত) থাকবে। আর যখন তিনি বলবেন: غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ তখন তোমরা বলবে: ‘‘আমীন’’। আর যখন তিনি রুকু করেন, তখন তোমরা রুকু করবে।.....’’ [শায়খ আলবানী হাদীসটিকে ‘হাসান সহীহ’ বলেছেন (তাহক্বীক্ব ইবনে মাজাহ হা/৮৪৬); শায়খ যুবায়ের আলী যাঈ (রহ) বলেছেন: হাদীসটি সহীহ। হাদীসটি আবু দাউদ (হা/৬০৪) বর্ণনা করেছেন। যা আবু খালিদের হাদীসের অন্তর্ভুক্ত। ইমাম মুসলিম (রহ) এটিকে সহীহ বলেছেন। এই হাদীসটি দ্বারা ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ বর্জনের দলিল হয় না। (তাহক্বীক্বকৃত উর্দু আবু দাউদ হা/৮৪৬)]
হাদীসটি সুস্পষ্ট করে, খাসভাবে সূরা ফাতিহা পাঠের সময় মুক্তাদিকে চুপ থাকতে হবে। কেননা তাকবীরে তাহরীমার পর ইমাম সূরা ফাতিহা পাঠ করেন। আর হাদীসটিতে তখনই চুপ থাকতে বলা হয়েছে।
ইমাম নাসাঈ নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদের অধীনে উপরে বর্ণিত হাদীসটি এনেছেন:
تأويل قوله عز و جل : وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْانُ فَاسْتَمِعُوْا لَه ও وَأَنْصِتُوَا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
‘‘আল্লাহ তাআলা’র বাণী: ‘‘যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা মনোযোগ সহকারে শুনবে এবং চুপ (আনসাত) থাকবে। আশা করা যায়, তাতে তোমরা রহমপ্রাপ্ত হবে’’ -(সূরা আ‘রাফ-২০৪) আয়াতের ব্যাখ্যা।’’
বুঝা যাচ্ছে, ইমাম নাসাঈ (রহ)-এর নিকট হাদীসটি সূরা আ‘রাফের ২০৪ নং আয়াতের তাফসির। কেননা আয়াতের ন্যায় হাদীসেও আনসাত বা চুপ থাকার নির্দেশ রয়েছে।