১
সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান
লেখকঃ আশরাফুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
সাহাবী ইবনে আব্বাস (রা) ও সূরা আ‘রাফের ২০৪ নং আয়াতটির ইসতিমা‘ (মনোযোগের সাথে শোনা)-এর ব্যাখ্যা
ইমাম বায়হাক্বী (রহ) বর্ণনা করেছেন. ইবনে ‘আব্বাস (রা) বলেন:
عن ابن عباس رضي الله عنه قال : الْمؤمن في سعة من الاستماع إليه إلا في صلاة مفروضة أو المكتوبة أو يوم جمعة أو يوم فطر أو يوم أضحى يعني ( وإذا قرئ القرآن فاستمعوا له وأنصتوا (
‘‘অর্থাৎ আল্লাহর বাণী: (যখন কুরআন পড়া হয় তখন মনোযোগের সাথে শোন ও চুপ থাকো) - এর দাবি ইসতিমা‘ (মনোযোগের সাথে শোনা) মানতে মু’মিনের অবকাশ আছে (ইচ্ছাধীন), কিন্তু (জাহরি সালাত যেমন -) ফরয সালাত, জুমু‘আর সালাত, ‘ঈদুল ফিতর বা ‘ঈদুল আযহার সালাত ছাড়া (অর্থাৎ জাহরি সালাতে শোনার হুকুমটি বাধ্যতামূলক)।’’ [কিতাবুল ক্বিরাআত পৃ. ১০৭, হা/২৫৩; যুবায়ের আলী যাঈ এই বর্ণনাটিকে হাসান বলেছেন (নাসরুল বারী ফি তাহক্বীক্বে জুযউল ক্বিরাআত পৃ. ৬৬, হা/১৮-এর ব্যাখ্যা)]
সাহাবী ইবনে আব্বাস (রা)-এর নিকট আয়াতটির দাবি সরবে পাঠ করা হয় - এমন সালাতের ক্ষেত্রে উক্ত হুকুমটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য। সালাতের বাইরের মু’মিনের জন্য অবকাশ আছে - সে নাও শুনতে পারে। যা আমাদের লেখকের বুঝের ঠিক বিপরীত।
عن ابن عباس رضي الله عنه قال : الْمؤمن في سعة من الاستماع إليه إلا في صلاة مفروضة أو المكتوبة أو يوم جمعة أو يوم فطر أو يوم أضحى يعني ( وإذا قرئ القرآن فاستمعوا له وأنصتوا (
‘‘অর্থাৎ আল্লাহর বাণী: (যখন কুরআন পড়া হয় তখন মনোযোগের সাথে শোন ও চুপ থাকো) - এর দাবি ইসতিমা‘ (মনোযোগের সাথে শোনা) মানতে মু’মিনের অবকাশ আছে (ইচ্ছাধীন), কিন্তু (জাহরি সালাত যেমন -) ফরয সালাত, জুমু‘আর সালাত, ‘ঈদুল ফিতর বা ‘ঈদুল আযহার সালাত ছাড়া (অর্থাৎ জাহরি সালাতে শোনার হুকুমটি বাধ্যতামূলক)।’’ [কিতাবুল ক্বিরাআত পৃ. ১০৭, হা/২৫৩; যুবায়ের আলী যাঈ এই বর্ণনাটিকে হাসান বলেছেন (নাসরুল বারী ফি তাহক্বীক্বে জুযউল ক্বিরাআত পৃ. ৬৬, হা/১৮-এর ব্যাখ্যা)]
সাহাবী ইবনে আব্বাস (রা)-এর নিকট আয়াতটির দাবি সরবে পাঠ করা হয় - এমন সালাতের ক্ষেত্রে উক্ত হুকুমটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য। সালাতের বাইরের মু’মিনের জন্য অবকাশ আছে - সে নাও শুনতে পারে। যা আমাদের লেখকের বুঝের ঠিক বিপরীত।