hadith book logo

সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান

লেখকঃ আশরাফুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪৬

ইমাম শাফেঈ (রহ)

ইমাম বায়হাক্বী (রহ) লিখেছেন:

أخبرنا أبو سعيد بن أبي عمرو قال : حدثنا أبو العباس قال : أخبرنا الربيع قال : قال الشافعي رحمه الله :র لا تجزئ صلاة المرء ، حتى يقرأ بأم القرآن في كل ركعة إماما ، كان أو مأموما ، كان الإمام يجهر ، أو يخافت ، فعلى المأموم ، أن يقرأ بأم القرآن ، فيما خافت الإمام ، أو جهر قال الإمام الربيع : وهذا آخر قول الشافعي رضي الله عنه سماعا منه ، وقد كان قبل ذلك يقول :র لا يقرأ المأموم خلف الإمام ، فيما يجهر الإمام فيه ، ويقرأ فيما يخافت فيه গ্ধ ، زاد على هذا في كتاب البويطي ، فقال : وأحب إلي ، أن يكون ذلك في سكتة

‘‘আমাদেরকে আবু সাঈদ বিন আবি আমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদেরকে আবুল আব্বাস হাদীস বলেছেন, তিনি বলেন: আমাদেরকে কাছে রবি‘ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইমাম শাফেঈ (রহ) বলেছেন: সালাত জায়েয হয় না, যতক্ষণ না তার প্রত্যেক রাকআতে উম্মুল কুরআন পড়া হয়। সে ইমাম হোক বা মুক্তাদি। জাহরি সালাত হোক বা চুপের সালাত - মুক্তাদি অবশ্যই উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পড়বে, যখন সে ইমামের পিছনে থাকে এমনকি জাহরি সালাতেও। ইমাম রাবি‘ বলেছেন: এটাই শাফেঈর শেষ উক্তি যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি। আর তার পূর্বের উক্তি ছিলো: মুক্তাদি ইমামের পিছনে পড়বে না, যখন ইমাম জাহরি ক্বিরাআত করে। সে পড়বে চুপের সালাতে। আর ‘আল-বুয়ুতি’র কিতাবে এটা অতিরিক্ত আছে যে, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে পছন্দনীয় হলো, মুক্তাদি এটা (জাহরি সালাতে) সাকতাতে পড়বে।’’ [বায়হাক্বী’র ‘মাআরেফুস সুনান পৃ. ২/৫৮ পৃ., আহকামুল কুরআন লিশ-শাফেঈ পৃ. ৭৭]

শাফেঈ মাযহাবে অপর একজন প্রসিদ্ধ ইমাম নববী (রহ) লিখেছেন:

فان الْمأموم لا يشرع له قراءتِها وهذا للتأويل متعين ليحمل قوله على موافقة الأحاديث الصحيحة ... يقرأ الْمأموم الفاتِحة فلا يَحصل قراءته مع قراءة الإمام بل في سكتته

‘‘নিশ্চয় মুক্তাদির জন্য ইমামের সাথে ক্বিরাআত করা শরিআতসম্মত না। এজন্য এভাবে তাবীল (ব্যাখ্যা) করা জরুরি, যেন সহীহ হাদীসগুলোর দাবি পূরণ হয়। ... (কিংবা এর ব্যাখ্যা হবে,) মুক্তাদি ফাতিহা পড়বে। তবে সে ইমামের ক্বিরাআতের সাথে ক্বিরাআত করবে না, বরং তার সাকতাতে পড়বে।’’ [শরহে মুসলিম নববী - কিতাবুস সালাত باب سُجُودِ التِّلاَوَةِ ]