১
সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান
লেখকঃ আশরাফুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
মনগড়া দলিল উপস্থাপন
হাদীস দু’টিকে পরস্পরের ব্যাখ্যা হিসেবে নিলে এটাই সুস্পষ্ট হয় যে, আল্লাহর বাণী: فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ ‘‘সুতরাং পড়ুন, কুরআন থেকে যা আপনার পক্ষে সহজতর’ (সূরা মু্যযাম্মিল: ২০)-এর দাবি সূরা ফাতিহা পাঠ করা বা না করার স্বাধীনতা নয়। বরং পরবর্তী ক্বিরাআত পাঠের পরিমাণ সম্পর্কিত স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কেননা সূরা ফাতিহা পাঠ বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে যতটুকু ইচ্ছা বলার সুযোগ নেই। পক্ষান্তরে অন্য দীর্ঘ ক্বিরাআত পাঠের ক্ষেত্রে ‘সহজসাধ্য বা যতটুকু ইচ্ছা’ বাক্যগুলো প্রযোজ্য। কেননা সূরা ফাতিহা পাঠের ক্ষেত্রে ‘যতটুকু সহজ বা ইচ্ছা’ বাক্যটি প্রয়োগ করা হয় - তা হলে সূরা ফাতিহা সম্পূর্ণ পাঠ করা ফরয থাকে না।
প্রকৃতপক্ষে সূরা মুযযাম্মিলের আয়াতটি একাকী, ইমাম বা মুক্তাদি প্রত্যেক মুসল্লির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আর সূরা আ‘রাফের আয়াতটি জামাআতের সালাতে মুক্তাদির প্রতি খাস নির্দেশ। এ সম্পর্কে নবী (স), সাহাবী ইবনে আব্বাস (রা) ও ইবনে মাসউদ (রা)-এর বর্ণনা সামনে আসবে ইনঁশাআল্লাহ। [দ্র: ‘পর্যালোচনা-৭’]
প্রকৃতপক্ষে সূরা মুযযাম্মিলের আয়াতটি একাকী, ইমাম বা মুক্তাদি প্রত্যেক মুসল্লির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আর সূরা আ‘রাফের আয়াতটি জামাআতের সালাতে মুক্তাদির প্রতি খাস নির্দেশ। এ সম্পর্কে নবী (স), সাহাবী ইবনে আব্বাস (রা) ও ইবনে মাসউদ (রা)-এর বর্ণনা সামনে আসবে ইনঁশাআল্লাহ। [দ্র: ‘পর্যালোচনা-৭’]