hadith book logo

সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান

লেখকঃ আশরাফুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৯

শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভি হানাফি (রহ)-এর অভিমত

... ويجهر الإِمَام فِي الْفجْر وأولي الْمغرب وَالْعشَاء، وَإِن كَانَ مَأْمُوما وَجب عَلَيْهِ الانصات وَالِاسْتِمَاع فَإِن جهر الإِمَام لم يقْرَأ إِلَّا عِنْد الإسكاته، وَإِن خَافت فَلهُ الخيره، فَإِن قَرَأَ فليقرأ الْفَاتِحَة قِرَاءَة لَا يشوش على الإِمَام، وَهَذَا أولى الْأَقْوَال عِنْدِي،

‘‘...আর ইমাম ফজরের সালাতে এবং মাগরিব ও ‘ঈশার সালাতে প্রথমাংশে (প্রথম দু’ রাক‘আতে) জাহরি ক্বিরাআত করবে। আর মুক্তাদির জন্য ওয়াজিব হল, তখন চুপ থাকবে ও মনোযোগের সাথে শুনবে। কেননা, যদি ইমাম জাহরি ক্বিরাআত করেন তখন মুক্তাদি কেবল সাকতাতে পড়বে। আর যদি (ইমাম) খফী (চুপে) পড়েন, তবে মুক্তাদি (সূরা ফাতিহা পাঠের) সুযোগ নেবে। সুতরাং যদি পড়ে তবে এমনভাবে পড়বে যেন ইমামকে সমস্যার মধ্যে না ফেলে। আমার কাছে এটাই সর্বোত্তম।’’ [হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ (দেওবন্দ: মাকতাবাহ থানভি, ১৯৮৬) ২/১৮ পৃ.] [. শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলাভি (রহ) সূরা ফাতিহার পরের সাকতা সম্পর্কে বলেন: ‘‘এ সম্পর্কে আসহাবে সুনান যা বর্ণনা করেছেন তা স্পষ্ট নয় যে, ঐ মুহূর্তে ইমাম মুক্তাদির জন্য সাকতা করবে। কেননা জাহরি মর্ম হল, এই ‘সাকতা’ আমীন বলার জন্য, সির্রি ভাবে (নিচুস্বরে)। অপর একটি দিক হল, এই সাকতা সূরা ফাতিহা ও আমীনের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে। যেন কুরআন ও যা কুরআন নয় এর মধ্যে সংমিশ্রণ না হয়।’’ (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ ২/১৮) উল্লেখ্য সূরা ফাতিহার পরের সাকতা ও সির্রীভাবে আমীন বলা সম্পর্কিত হাদীসগুলো যঈফ। পক্ষান্তরে রুকু‘র পুর্বের সাকতার হাদীস সহীহ।]